ইউপি চেয়ারম্যান তুহিন’র মুক্তির দাবীতে উত্তাল জলঢাকা

IMG_20160615_164442-800x445

মোঃ মহিবুল্লাহ্ আকাশ, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট: নীলফামারী জলঢাকায় কৃষি কর্মকর্তাকে পেটানোর মামলায় কাঠালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আ’লীগ দপ্তর সম্পাদক সোহরাব হোসেন তুহিনকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ। মঙ্গলবার রাত ৯.৩০ মিনিটে নিজ এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

এ ঘটনার প্রতিবাদে মঙ্গলবার রাত ১১টায় গ্রেফতারকৃত চেয়ারম্যানের বড়ভাই ও উপজেলা আ’লীগ সাধারন সম্পাদক সহীদ হোসেন রুবেল, পৌর সাধারন সম্পাদক আব্দুল মজিদ এর নেতৃত্বে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। পরে মিছিলটি থানার গেটে অবস্থান নেয়। এসময় পৌর সম্পাদক আঃ মজিদ থানা প্রশাসনের কাছে চেয়ারম্যানকে কোথায় রাখা হয়েছে তা জানতে চান। পুলিশের সাথে আলোচনা করে মিছিলটি থানার গেট থেকে ঘেরাও কর্মসূচী তুলে নেয়।

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংঘাত এড়াতে রাতেই অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। একই ঘটনার প্রতিবাদে বুধবার দুপুরে বিক্ষোভ মিছিল প্রতিবাদ সমাবেশ ও সড়ক অবরোধ করেন উপজেলা আ’লীগসহ কাঠালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সমর্থকরা। স্থানীয় ট্রাফিকমোড়ে এক ঘন্টার সড়ক অবরোধ কর্মসূচী পালন করে। এসময় রংপুর-ডালিয়া প্রধান সড়কের দুধারে যান চলাচল বন্ধ হয়। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা আ’লীগ সভাপতি আনছার আলী মিন্টু, সাধারন সম্পাদক সহীদ হোসেন রুবেল, সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ জাহেদ আলী,পৌর সম্পাদক আঃ মজিদ, শ্রমিক লীগ সম্পাদক শাহিনুর রহমানসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। সমাবেশ থেকে বক্তারা অবিলম্বে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারসহ তার নিঃশর্ত মুক্তি দাবী করেন এবং দুর্নীতিবাজ, ঘুষখোর কর্মকর্তাদের প্রত্যাহারের আহবান জানান।
তুহিনকে

উল্লেখ্য, গত ১২ জুন রবিবার চলতি বোরো ধান সরকারী ভাবে সংগ্রহ অভিযানের তালিকায় অনিয়মের অভিযোগ এনে কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা সাদেকুজ্জামানকে লাঞ্চিত করে ইউপি চেয়ারম্যান তুহিন। এ ঘটনার একদিন পর গত সোমবার ওই কৃষি কর্মকর্তা বাদী হয়ে চেয়ারম্যানকে প্রধান ও ১৫/২০ জনকে অজ্ঞাত আসামী করে জলঢাকা থানায় মামলা দায়ের করেন। এ বিষয়ে জলঢাকা থানার অফিসার ইনচার্জ দিলওয়ার হাসান ইনাম জানান, নির্দিষ্ট অভিযোগর প্রেক্ষিতে ও নিয়মতান্ত্রিক ভাবে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।