সংখ্যালঘু মা ও মেয়েকে একসাথে ধর্ষণের কথা অবশেষে স্বীকার করেছে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা !

409347-rapeপটুয়াখালীর বাউফলে এক হিন্দু নারী ও তার কলেজ পড়ুয়া মেয়েকে ট্রলারে তুলে পালাক্রমে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছেন গ্রেপ্তারকৃত স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা নূর আলম মল্লিক। সোমবার দুপুরে পটুয়াখালীর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমিরুল ইসলামের আদালতে তিনি ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। নূর আলম মল্লিক (৩৫) উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি। ওই নারী ও তার মেয়ে একইদিন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ২২ ধারায় বিচারকের কাছে জবানবন্দি দেন বলে জানান বাউফল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সাইদুল ইসলাম।

পুলিশ কর্মকর্তা সাইদুল বলেন, শনিবার রাতে বাউফলের ৩৮ বছর বয়সী ওই নারী ও তার কলেজ পড়ুয়া মেয়েকে (১৭) ট্রলারে তুলে ভরিপাশা পয়েন্টে তেঁতুলিয়া নদীর চর ঈশানের কাছে নিয়ে ছয়জন ধর্ষণ করে। তাদের চিৎকারে জেলেরা মা ও মেয়েকে উদ্ধার এবং নূর আলমকে আটক করে। এ সময় অন্যরা নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় ওই নারীর স্বামী ছয়জনকে আসামি করে রোববার বাউফল থানায় মামলা করেন। এদিকে ওই ঘটনায় জড়িত নূর আলম মল্লিকসহ স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি হারুন অর রশিদ জানান। আরেকজন হলেন নাজিরপুর ইউনিয়ন ১ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুর রহিম (৩০)। সোমবার ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানান তিনি।