ভারতের কাছে হোয়াইটওয়াশ জিম্বাবুয়ে

ind zim জিম্বাবুয়ে ক্রিকেটের দৈন্যদশা আরো একবার প্রতীয়মান হলো। নিজেদের মাটিতে ওয়ানডে সিরিজের ভারতের বিপক্ষে কোনো প্রতিরোধই গড়ে তুলতে পারল না। তিন ম্যাচ সিরিজের তিনটিতেই বড় ব্যবধানে হেরেছেন ক্রেমাররা।

বুধবার সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে ১০ উইকেটে জিতেছে ভারত। এই জয়ের মধ্য দিয়ে আফ্রিকান দলটিকে হোয়াইট ওয়াশ করলেন ধোনিরা। আগের দুটি ম্যাচের প্রথমটিতে ৯ উইকেটে ও দ্বিতীয়টিতে ৮ উইকেটে জিতেছিল তারা।

এদিন হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নামে জিম্বাবুয়ে। এ ম্যাচেও তারা ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। কেউই দলের হাল ধরতে না পারায় মাত্র ৪২.২ ওভারে ১২৩ রান সংগ্রহ করতেই তাদের ইনিংস গুটিয়ে যায়।

উদ্বোধনী জুটিতে হ্যামিল্টন মাসাকাদজা ও চিভাভা মাত্র ১৯ রান সংগ্রহ করেন। কুলকারনির বলে লুকেশ রাহুলের তালুবন্দী হওয়ার আগে ১৮ বলে মাত্র ৮ রান করেন ওপেনার মাসাকাদজা।

দ্বিতীয় জুটিতে কিছুটা ভরসা জাগাচ্ছিলেন চিভাভা ও ভুজি সিবান্দা। কিন্তু ৩৬ রানে তাদের জুটি ভেঙে যায়। এবার চাহালের বলে বুমরাহর হাতে ক্যাচ আউট হন চিভাভা। ৬৬ বলে তিনটি চারে মাত্র ২৭ রান করেন তিনি।

মারুমাকে নিয়ে ৩৪ রানের জুটি গড়েন সিবান্দা। কিন্তু ৭১ বলে ৩৮ রান করে সাজঘরে ফেরেন তিনি। এটিই দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত স্কোর। চাহালের হাতে ফিরতি ক্যাচ দেয়ার আগে মাত্র দুটি চার ও একটি ছক্কা হাঁকিয়েছেন তিনি।

মারুমা ১৭ রান করে বিদায় নিলে বাকিরা শুধু মাঠে আসা যাওয়া করেন। শেষ দিকে ক্রিজে নেমে অপরাজিত থাকা মাদজিবার ১০ রানই দুই অঙ্কের ঘরের স্কোর।

ভারতের সেরা বোলার জসপ্রিত বুমরাহ ১০ ওভারে মাত্র ২২ রান দিয়ে চারটি উইকেট শিকার করেন। সেই সঙ্গে সিরিজের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারীর জায়গা দখল করেন। তিন ম্যাচে মোট ৯ উইকেট পেয়েছেন এই পেসার।

১২৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে কোনো উইকেট না হারিয়ে ২১.৫ ওভারে ১২৬ রান জমা করে ভারত। এই সিরিজের দুর্দান্ত ব্যাট করা লুকেশ রাহুল ৬৩ রান নিয়ে অপরাজিত থাকেন। ৭০ বলে চারটি চার ও দুটি ছক্কায় এই স্কোর করেন তিনি।

তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে সেঞ্চুরি করেছিলেন রাহুল। দ্বিতীয় ম্যাচে ৩৩ রান করলেও এই ম্যাচে হাফ-সেঞ্চুরি করায় পেয়েছেন সিরিজ সেরার পুরস্কার। এ ম্যাচের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কারও জিতেছেন এই ব্যাটসম্যান।

এদিকে এই ম্যাচের মধ্য দিয়ে ভারতের ওয়ানডে দলে অভিষেক হয়েছে ৩০ বছর বয়সী ব্যাটসম্যান ফয়েজ ফজলের। প্রথম ম্যাচেই হাফ-সেঞ্চুরি করেছেন। ৬১ বলে ৭টি চার ও একটি ছক্কায় ৫৫ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি।