৮ বছর বয়সে ম্যাট্রিক, ১ বছরে মাস্টার্স!

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ


photo-1465947703বিহারের শিক্ষাগত যোগ্যতার কেলেঙ্কারির ধারাবাহিকতায় এবার আরো বড় অভিযোগ পাওয়া গেছে। রাজ্যটির মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমারের দলের বিধায়কের ডিগ্রি ভুয়া বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

জেডিইউর এই বিধায়কের নাম ঊষা সিনহা। বিধায়ক হওয়ার পাশাপাশি তিনি রাজ্যের স্কুল শিক্ষা বোর্ডের প্রাক্তন চেয়ারম্যান লালকেশ্বর প্রসাদ সিংয়ের স্ত্রী।

শিক্ষাগত যোগ্যতার কেলেঙ্কারির তদন্ত দল ভারতের স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিমের (এসআইটি) বরাত দিয়ে টাইমস অব ইন্ডিয়া জানায়, ২০১০ সালে বিধায়ক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার সময় ঊষাদেবীর দাখিল করা তথ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ওই তথ্যে দেখা গেছে, ঊষাদেবীর জন্ম ১৯৬১ সালে। ২০১০ সালে ৪৯ বছর বয়সী ছিলেন তিনি। কিন্তু উত্তরপ্রদেশ এডুকেশন বোর্ডের থেকে ১৯৬৯ সালে ম্যাট্রিক পাস করেন ঊষাদেবী। অর্থাৎ মাত্র আট বছর বয়সেই ম্যাট্রিক পাস করে ফেলেন তিনি। এখানেই শেষ নয়, তথ্যে ঊষা সিনহা জানিয়েছেন, অযোধ্যা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৭৬ সালে মাস্টার ডিগ্রি লাভ করেন তিনি। কিন্তু অযোধ্যা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা হয় ১৯৭৫ সালে। অর্থাৎ মাত্র এক বছরেই মাস্টার ডিগ্রি লাভ ঊষাদেবীর। আরো আছে! মাত্র ২৩ বছর বয়সেই পিএইচডি শেষ করেন ঊষা সিনহা।

এসআইটির এ তথ্য ফাঁসে বিহারের শাসকদলের মধ্যেই সমালোচনার ঝড় বইছে বলে জানিয়েছ সংবাদমাধ্যমগুলো।