অনলাইনে একাদশে ভর্তির ফল প্রকাশ

hsc-admission-form_copy

সময়ের কণ্ঠস্বর – অনলাইনে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির ফল প্রকাশ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ ভর্তির ফল প্রকাশ করবেন। শিক্ষামন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনের পর ওয়েবসাইটে ফল পাওয়া যাবে।

ফল জানা যাবে যেভাবে

ভর্তির ফলাফল শিক্ষার্থীদের মোবাইল নম্বরে ক্ষুদে বার্তার মাধ্যমেও জানিয়ে দেয়া হবে। ক্ষুদে বার্তায় একটি গোপনীয় পিন নম্বর দেয়া হবে। এই নম্বরটি পরবর্তী ভর্তি নিশ্চয়নের জন্য সংরক্ষণ করতে হবে।

এছাড়াও শিক্ষার্থীরা এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার রোল নম্বর, বোর্ড, পাসের সন, রেজিস্ট্রেশন নম্বর ব্যবহার করে ভর্তির ওয়েবসাইট (www.xiclassadmission.gov.bd) থেকে বিস্তারিত ফল জানতে পারবে।

ভর্তির সময়সূচি :

১৮ থেকে ২২ জুন মেধা তালিকার এবং ২৩ থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত অপেক্ষমাণ তালিকার ভর্তিচ্ছুরা পছন্দের প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে পারবে। এই সময়ের মধ্যে ভর্তি হতে না পারলে ১০ থেকে ২০ জুলাই পর্যন্ত বিলম্ব ফি দিয়ে ভর্তির সুযোগ থাকছে।

১০ জুলাই একাদশ শ্রেণির কার্যক্রম শুরু হবে। ৭ থেকে ১৮ আগস্টের মধ্যে প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ রেজিস্ট্রেশন ও অন্যান্য ফি বোর্ডে জমা দিতে হবে। ২২-৩১ আগস্ট ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট ফি জমার স্লিপ বোর্ডে প্রদান করতে হবে।

ভর্তি ফি

সেশন ফিসহ ভর্তি ফি সর্বসাকুল্যে মফস্বল/পৌর (উপজেলা) এলাকায় ১ হাজার টাকা। পৌর (জেলা সদর) ২ হাজার টাকা। ঢাকা ছাড়া অন্যান্য মেট্রোপলিটন এলাকায় ৩ হাজার টাকা। ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে সেশন ফিসহ ভর্তি ফি সর্বসাকুল্যে ৫ হাজার টাকা। কোনোভাবেই উন্নয়ন ফি ৩ হাজারের বেশি হবে না। সকল প্রকার ফি রশিদ প্রদানের মাধ্যমে গ্রহণ করতে হবে।

এর আগে গতবার ফল প্রকাশ নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছিলো  কর্তৃপক্ষ। নির্ধারিত তারিখের পরে দুই দফা সময় পিছিয়েও হযবরলভাবে ফল প্রকাশ করে। পূর্বের তিক্ত অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে এবার নির্ধারিত দিনে সঠিকভাবেই ফল প্রকাশে বদ্ধপরিকর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

গতকাল বুধবার রাতে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. মাহাবুবুর রহমান জানিয়েছিলেন, ‘মধ্যরাতেই (বুধবার) ফলাফল তৈরির কাজ শেষ হয়ে যাবে। আশা করছি বৃহস্পতিবার দুপুরে আমরা আবেদনকারীদের তালিকা প্রকাশ করতে পারবো।’

এ বিষয়ে মাহাবুবুর রহমান বলেন, ‘গতবারের ব্যর্থতাকে শুধরিয়ে এবার শুরু থেকেই আমরা সবাই আন্তঃপ্রাণ পরিশ্রম করে যাচ্ছি। আশা করছি সবকিছু সুন্দর মতো শেষ হবে।’

এদিকে ২৬ মে থেকে ১০ জুন বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত আবেদনের সময়ে ১৩ লাখ ১ হাজার ৯৮ ভর্তিচ্ছু আবেদন করে। মোট আবেদনের সংখ্যা ৪৪ লাখ ৯২ হাজার ২২২টি। এবার অনলাইনে এবং এসএমএস’র মাধ্যমে একজন ভর্তিচ্ছু ১০টি করে ২০টি প্রতিষ্ঠানে আবেদনের সুযোগ পেয়েছে।

২০১৬ সালে অনুষ্ঠিত এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে ১৪ লাখ ৭৩ হাজার ৫৯৪ শিক্ষার্থী পাস করে। এদের মধ্যে ১৩ লাখ ১ হাজার ৯৮ শিক্ষার্থী কলেজে একাদশ এবং মাদরাসায় আলিমে আবেদন করেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রতিবছর মোট উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী থেকে কিছু সংখ্যক পলিটেকনিকে ভর্তি হয়। কিছু ঝরে পড়ে, কিছু শিক্ষার্থী কর্মজীবনে প্রবেশ করে। তাই সবাই কলেজে ভর্তি হতে আবেদন করেনি।