আপনার ব্যক্তিগত তথ্য নিয়ে ফেসবুকের কাজ কী ?

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ডেস্কঃ


11120160615145909ফেসবুক বিশ্বের বৃহত্তম সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইট এ কথা সবাই জানেন। ফেসবুকে অ্যাকাউন্ট খুলতে বেশকিছু ব্যক্তিগত তথ্য লাগে। তাছাড়া ফেসবুক সেবা প্রদানের প্রয়োজনে বিভিন্ন সময় ব্যক্তিগত তথ্য নেয়। এরপর অ্যাকাউন্ট খুলে বন্ধুদের সঙ্গে স্ট্যাটাস, ছবি শেয়ারিং তো আছেই। কিন্তু, ফেসবুক এসব ব্যক্তিগত তথ্য নিয়ে কী করে?

বিশ্বের ফেসবুক ইউজারের সংখ্যা প্রায় ১৬০ কোটি। এত সংখ্যক ইউজারের ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করে প্রথমে একটি ডেটাবেস তৈরি করে ফেসবুক। তারপর সেগুলো নিয়ে চলে গবেষণা। সেই গবেষণা থেকে পাওয়া রিপোর্টের উপর নির্ভর করেই এরপর বিভিন্ন ভোটিং, গেম, পার্সোনাল মোমেন্ট, কনটেন্ট শেয়ারিং সম্পর্কে পরবর্তী কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে, তা স্থির করা হয়। সবটাই আসলে ওই নিত্য নতুন উপায়ে ইউজারকে ধরে রাখার চেষ্টা।

২০১৪ সালে ফেসবুক ৭ লাখ মানুষের উপর করা একটি সাইকোলজিক্যাল স্টাডি প্রকাশ করে। যেটি নিয়ে বিতর্কও হয় প্রচুর। সেখানে বিভিন্ন ইউজারের ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস হয়ে যায় বলে অভিযোগ।

ফেসবুক হ্যাক হয়েছে কিনা তা পরীক্ষা করতে আপনি প্রথমে স্ক্রিনের ডান দিকের ওপরে ‘ফেসবুক অ্যাকাউন্ট সেটিংস’ অপশনে যান। সেখান থেকে ‘সিকিউরিটি’ অপশনে যান এবং তারপর যান ‘অ্যাকটিভ সেশন’। এই পেজে আপনি আপনার অ্যাকাউন্ট ব্যবহারের সর্বশেষ তথ্য জানতে পারবেন। এখানে যদি আপনার অগোচরে ফেসবুক ব্যবহারের কোনো তথ্য পান তবে মনে রাখবেন আপনার অ্যাকাউন্ট আর নিরাপদ নেই।

কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ

১. যদি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়েছে বলে মনে সন্দেহও জাগে তবে দ্রুত পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করে দিতে পারেন।

২. পাসওয়ার্ড পরিবর্তনের আগে বিশ্বাসযোগ্য অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার করে কম্পিউটার স্ক্যান করুন।

৩.মোবাইল ফোন ও ওয়েবের সবখানে এক রকম পাসওয়ার্ড ব্যবহার করবেন না।

৪. প্রতি মাসে একবার অন্তত পাসওয়ার্ডে পরিবর্তন আনুন।

৫. আপনি কতক্ষণ ফেসবুক ব্যবহার করেছেন তা পরীক্ষা করে দেখুন।

৬. লগইন নোটিফিকেশন ফিচারটি ব্যবহার করুন এতে কেউ আপনার ফেসবুক হ্যাক করলে মোবাইল ফোনে বার্তা পাবেন।

৭. অনিরাপদ অ্যাপ্লিকেশন ইনস্টল করার আগে আরেকবার চিন্তা করুন।

৮. অপরিচিতের কম্পিউটারে লগ ইন করার সময় সতর্ক থাকুন।