সকল শ্রমিককে ঈদ বোনাস দেয়া ও ২০ রোজার মধ্যে বেতন পরিশোধের দাবি বাংলাদেশ শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশনের

SAM

সময়ের কণ্ঠস্বর –  সকল শ্রমিককের ঈদ বোনাস দেয়া ও ২০ রোজার মধ্যে বেতন পরিশোধের দাবিতে বাংলাদেশ শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশন ঢাকা মহানগর শাখার উদ্যোগে ১৭ জুন বিকাল সাড়ে ৪টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মিছিল-সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন শ্রমিক ফেডারেশন নেতা ফখরুদ্দিন কবির আতিক, রাজীব চক্রবর্ত্তী, রাজু আহমেদ, মলয় সরকার, আফসানা লুনা প্রমুখ।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, দেশের সম্পদ সৃষ্টিতে ও জাতীয় আয় বৃদ্ধিতে শ্রমিকদের অবদান সর্বাধিক। অথচ শ্রমিকরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মানুষের মত বাঁচার উপযোগী মজুরি পায় না। ঈদ বা উৎসব এলে আনন্দের পরিবর্তে তাদের নতুন করে দুশ্চিন্তায় পড়তে হয় সন্তান-পরিবারবর্গের প্রয়োজন বা চাহিদা কিভাবে মেটাবে। ২০১৫ সালে যে শ্রম বিধিমালা জারি হয়েছে তাতে বছরে দুটি উৎসব ভাতা বাধ্যতামূলক করা হলেও বোনাসের পরিমাণ নির্দিষ্ট করে বলা হয়নি। ফলে, গার্মেন্টস-এর মত সংগঠিত সেক্টরেও মালিকরাও খেয়াল-খুশিমত কোথাও বেসিকের ৫০%, কোথাও ৭৫% হারে বোনাস দেয়। সাব-কণ্ট্রাক্ট কারখানাগুলোতে বোনাসবাবদ ৫০০-১০০০ টাকা হাতে ধরিয়ে দেয়া হয়। আর অসংগঠিত ক্ষেত্রে বহু জায়গায় কোন বোনাসই দেয়া হয় না। বিশেষত যেসব শ্রমিক পিস রেটে কাজ করে তাদের বোনাস দেয়ার কোন দায়িত্ব মালিক নেয় না। যেমন -– পুস্তক বাঁধাই শ্রমিকররা কোন বোনাস পায় না। রেডিমেড দর্জি শ্রমিকরা ঈদ মৌসুমে বাড়তি কাজ করলেও মজুরি ছাড়া আর কিছু পায় না। শ্রমিকদের এ আইনসঙ্গত অধিকার বাস্তবায়নে সরকারের কোন উদ্যোগ নেই।

সমাবেশ থেকে দাবি জানানো হয়, সংগঠিত-অসংগঠিত সকল সেক্টরে শ্রমিকদের ঈদ বোনাস প্রাপ্তি নিশ্চিত করার দায়িত্ব সরকারকে নিতে হবে এবং কমপক্ষে মাসিক বেতন অথবা বেসিকের সমপরিমাণ ঈদ বোনাস দিতে হবে। আরো দাবি জানানো হয়, ২০ রোজার মধ্যে মাসিক বেতন-বোনাস পরিশোধ করতে হবে যাতে শ্রমিকরা তাদের পরিবারের জন্য কেনা-কাটা করার সময় পায়।