নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা করেও বিচার পেলনা ফরিদপুরের জরিনা খাতুন

Faridpur2016-06-19

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর প্রতিনিধি: ফরিদপুরে বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ আদালতে মামলা করেও ন্যায্য বিচার না পাওয়ার অভিযোগ করলেন ফরিদপুরের মধুখালীর মীরের কাপাসাটিয়া গ্রামের নিরীহ গৃহবধু জরিনা খাতুন(২৪)। এ ব্যাপারে ২৭অক্টোবর২০১৪ইং তারিখে ২০০০ সনের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ৯(৪) (খ) ধারায় একটি মামলা রুজু করা হয়। কিন্তু বিবাদী প্রভাবশালী হওয়ায় এ যাত্রায় মামলা হতে নিস্তার পেয়ে যায় আসামী মোঃ বাবলু খান (৪০)।

মামলার আরজিতে বলা হয়, বিবাদী বাবলু একজন অসৎ চরিত্রের মানুষ। সে জরিনার স্বামীকে কাতার পাঠানোর পর হতে তার নিকট কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিল। জরিনা রাজি না হওয়ায় মাঝে মাঝেই তার বাড়িত আসা যাওয়া করত। এক পর্যায়ে সে আমাকে সু-কৌশলে বাড়ির পাশের বাওড়ের নিকট একটি ঝোপের পাশে নিয়ে আমাকে জোঁর পূর্বক বিবস্ত্র করিয়া ধর্ষণের চেষ্টা করে এই প্রতারক বাবলু ।

সরেজমিনে প্রতিবেদককে এলাকার আব্দুল হাই মোল্লা, হারুন মিয়া, আঃ রাজ্জাক মোল্লা, মোঃ রাশেদ শেখ, মোঃ শহিদুল ইসলাম সহ এলাকাবাসী জানায়,বাবলু পরনারী লোভী, ঠকবাজ ও প্রতারক প্রকৃতির লোক এবং মামলা বাজ। অন্যের জমি জবর দখল করাই তার কাজ। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মামলার আসামী বাবলু খান এলাকায় আদম ব্যবসার সাথে দীর্ঘদিন যাবত জড়িত। সে এলাকায় বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে বিদেশে ভাল চাকুরীর প্রলোভন দেখিয়ে টাকা আম্মসাৎ করে আসছে বলেও অভিযোগ রয়েছে । এ ব্যাপারে তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে । মধূখালী থানায় জনৈক রজব আলী সিকদার নামে এক ব্যক্তি বাদী হয়ে টাকা আত্মসাৎ এর অপরাধে ২৫৮/১৪ ধারায় এবং সরকারী রাস্তা ভাঙ্গার অপরাধে ৫৫/১৬ ধারায় কোর্টে মামলা হয়।

বাবলু এর সাথে যোগাযোগ করলে তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ অস্বীকার করে বলে একটি কুচক্রী মহল আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। তবে তার বিরুদ্ধে ১৩টি মামলার কথা স্বীকার করেন। তার জবাব শুনে মনে হল ঠাকুর ঘরে কেরে আমি কলা খাইনা ? মামলার বাদী অসহায় জরিনা খাতুন বিচারের আশায় দ্বারে দ্বারে ঘুরছে।