তীব্র গরমে রোজায় সুস্থ থাকুন ৯টি কৌশলে…

fasting-health-tips


লাইফস্টাইলঃ

রমজান মাসে প্রায় সব মানুষদের কিছু স্বাস্থ্য সমস্যায় পড়তে হয়। এই সমস্যা শুরু হয় মূলত অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার কারণে। সারাদিন না খেয়ে থেকে ইফতারে পিঁয়াজু, বেগুনি,আলুর চপ, জিলাপি ইত্যাদি খাওয়ার কারণে পড়তে হয় নানা স্বাস্থ্য সমস্যায়। কিছু নিয়ম মেনে চললে এই সকল স্বাস্থ্য সমস্যার হাত থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব। আসুন জেনে নেওয়া যাক কোন বিষয়গুলো মেনে চললে এই রোজায় সুস্থ থাকা সম্ভব।

১. আপনি যদি একটু বেশি ঘুমানোর আশায় সেহরি বাদ দিয়ে থাকেন, তবে সবচেয়ে বড় ভুলটি করতে যাচ্ছেন। সেহেরি আপনার dদিনের ফার্স্ট মিল, এটি খাওয়া থেকে বিরত থাকা উচিত নয়। সেহেরি না খাওয়ার কারণে শরীরে মেটাবলিক হার কমে যায়, যা কারণে ইফতারে অতিরিক্ত খাবার খাওয়া হয়। যা আপনার ওজন বৃদ্ধি করে।

২. রোজার সময় ব্যায়াম নিয়মিত করা বেশ কঠিন। ইফতার এবং সেহেরির খাওয়ার পর কিছুক্ষণ হাঁটুন। এটি আপনার মেটাবলিক রেট সচল রাখতে সাহায্য করবে। এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে দেবে।

৩. মহানবী (সঃ) এর গোল্ডেন নিয়মটা মেনে চলুন। সম্পূর্ণ পেট ভরে না খেয়ে। পেট কিছুটা খালি রেখে খাবার খাওয়ার অভ্যাস করুন। এক-তৃতীয়াংশ খাবার, এক তৃতীয়াংশ পানীয় এবং এক তৃতীয়াংশ পেট খালি রাখুন।

৪. অতিরিক্ত চিনিযুক্ত খাবার এবং প্রসেসড ফুড খাওয়া থেকে বিরত থাকুন রোজার সময়টুকু।

৫. ইফতারের সময় তাড়াহুড়ো করে না খেয়ে কিছুটা ধীরে সুস্থে ইফতার করুন। প্রথমে খেজুর এবং পানি দিয়ে রোজা ভাঙ্গার পর ধীরে সুস্থে ভারী খাবার খাওয়া শুরু করুন। তাজা ফল, সবজি অথবা স্যুপ রাখতে পারেন খাদ্য তালিকায়।

৬. ভাজাপোড়া খাওয়ার পরিবর্তে বেকড সমুচা, সিদ্ধ আলু, মোমো, চাপাটি ইত্যাদি খাবার ইফতারে এবং সেহেরিতে রাখুন। ৭। সময় করে দুপুরে হালকা একটি ঘুম দিন। এটি সারাদিনের ক্লান্তি দূর করে কাজে শক্তি দিবে।

৮. ইফতার এবং সেহেরির সময়ের মধ্যে ৮ থেকে ১২ গ্লাস পানি পান করার চেষ্টা করুন। তবে মিষ্টি পানীয়, জুস ইত্যাদি পান করার চেয়ে পানি পান করা ভাল।

৯. অতিরিক্ত খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। ইফতারে অতিরিক্ত খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। এটি হজমে সমস্যা তৈরি করে। যা ডায়ারিয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা সৃষ্টি করে।.

স/বাদল