মীর কাসেম আলীকে কাশিমপুর কারাগার থেকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রেরন

Kasem-

 

breaking

একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলীকে কাশিমপুর কারাগার থেকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে আনা হয়েছে।

সময়ের কণ্ঠস্বর, আধার সরকার –

মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলীকে গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগার পার্ট-২ থেকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে আনা হয়েছে।

সোমবার (২০ জুন) সকাল ৭টা ২০ মিনিটে পুলিশের প্রিজন ভ্যানে করে তাকে কেন্দ্রীয় কারাগারে আনা হয়।সোমবার দুপুর ১২টার দিকে তাকে কেন্দ্রীয় কারাগারে আনা হয়েছে বলে কারাগার সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

সময়ের কণ্ঠস্বরকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কাশিমপুর কারাগার পার্ট-২ এর সিনিয়র জেল সুপার প্রশান্ত কুমার।

এর আগে একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াতের নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও দিগন্ত মিডিয়া করপোরেশনের চেয়ারম্যান মীর কাসেম আলী ফাঁসির দণ্ড থেকে খালাস চেয়ে রায় পুনর্বিবেচনা (রিভিউ) আবেদন দাখিল করেছেন।

মীর কাসেমের আইনজীবী প্যানেলের সদস্য গাজী এম এইচ তানিম জানান, রোববার আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিভিউ আবেদনটি দাখিল করেন মীর কাসেম। মীর কাসেমের ছেলে মীর আহমেদ বিন কাসেম জানান, মোট ৬৮ পৃষ্ঠার আবেদনে ১৪টি কারণ দেখিয়ে মৃত্যুদণ্ড থেকে খালাস চেয়েছেন মীর কাসেম।

গত ৬ জুন মীর কাসেমের ২৪৪ পৃষ্ঠার ফাঁসির পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। নিয়মানুযায়ী, পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের ১৫ দিনের মধ্যে রিভিউ আবেদন করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা, বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী, বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার ও বিচারপতি মোহাম্মদ বজলুর রহমান এই রায়ের কপিতে স্বাক্ষর করার পর তা প্রকাশ করা হয়।

মুক্তিযোদ্ধা জসিমসহ ৬ জনকে নির্যাতন করে হত্যার দায়ে মীর কাসেমের ফাঁসির দণ্ড বহাল রেখে গত ৮ মার্চ রায় দেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।