ফিলিস্তিনে ইসরাইলি বর্বরতা: মসজিদে ঢুকে গণহত্যা

paki-mrdr


আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

আজ হতে ২৩ বছর আগে ১৪১৪ হিজিরির এ দিনে (১৪ রমজান) অধিকৃত ফিলিস্তিনের আলখলিল শহরে হযরত ইব্রাহীম (আঃ)’র মাজারে একজন উগ্র ইহুদিবাদী নামাজরত রোজাদারদের ওপর গুলি চালালে তাৎক্ষণিকভাবে ২৯ জন শহীদ এবং ২০০’রও বেশি ফিলিস্তিনী মুসুল্লি আহত হন। পরে শহীদের সংখ্যা প্রায় ৭০ জনে পৌঁছে।

পবিত্র রমজান মাসে এ নৃশংস হামলার ঘটনা দখলদার ইহুদিবাদী সন্ত্রাসীদের স্বরূপ আরো একবার উন্মোচিত করে এবং বিশ্বব্যাপী নিন্দা ও প্রতিবাদের ঝড় উঠে। এ ঘটনার প্রতিবাদে আরব সরকারগুলো ইসরাইলের সাথে আপোস আলোচনা কিছুকালের জন্য স্থগিত করে।

ফিলিস্তিনিরা মনে করেন ওই হামলাটি ছিল পরিকল্পিত। ওই ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী অনেক ফিলিস্তিনি বলেছেন, হামলাটি কেবল এক ইহুদিবাদী দখলদারের কাজ ছিল না। অন্য এক ইহুদিবাদীও মুসুল্লিদের ওপর গুলি বর্ষণ করে।

এ ছাড়াও প্রতিবাদী ফিলিস্তিনিদের ওপর গুলি বর্ষণ করে দখলদার ইহুদিবাদী নিরাপত্তা বাহিনী। ফলে আরও অনেক ফিলিস্তিনি (অন্তত ৯ জন) শাহাদত বরণ করেন।

ইসরাইলী নৃশংসতার জবাবে ফিলিস্তিনীরা দখলদার বিরোধী প্রতিবাদ আন্দোলন জোরদার করে এবং কয়েক মাস পর্যন্ত ঐ প্রতিবাদের তীব্রতা বজায় ছিল। ফলে শেষ পর্যন্ত ইসরাইল ঐ সন্ত্রাসী ইহুদিবাদীকে গ্রেফতার ও বিচার করে। কিন্তু দখলদার ইসরাইল ঐ সন্ত্রাসীকে একজন পাগল হিসেবে অভিহিত করে তাকে শাস্তি দেয়া হতে বিরত থাকে।