আবারও শীর্ষে চীনের সুপারকম্পিউটার তিয়ানহে–২

tihanhe-2বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ডেস্কঃ বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুতগতির সুপারকম্পিউটার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে তিয়ানহে-২ সুপারকম্পিউটার। চীনের তৈরি তিয়ানহে-১ সুপারকম্পিউটারের উত্তরসূরি হিসেবে তৈরি হয়েছে তিয়ানহে-২। এর আগে ২০১০ সালে তিয়ানহে-১ ছিল বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুতগতির সুপারকম্পিউটার। চলতি বছর আবারও সুপারকম্পিউটার হিসেবে তালিকার শীর্ষে জায়গা করে নিয়েছে তিয়ানহে-২। নতুন এ সুপারকম্পিউটারটি তৈরি করেছেন চীনের ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব ডিফেন্স টেকনোলজির গবেষকেরা।

নতুন এই কম্পিউটারটি বর্তমানে সবচেয়ে পরিচিত সুপার কম্পিউটার তিয়ানহে-১এ এর চেয়েও তিনগুণ বেশি শক্তিশালী। এর মূল কাজ হবে, দ্রুতি উৎপাদন, আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ এবং বড় বড় তথ্য বিশ্লেষণ করা। কম্পিউটারটি তৈরি করা হয়েছে লিনাক্সভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের ওপর ভিত্তি করে। এতে আছে ১ কোটির বেশি প্রসেসিং কোর এবং ৪০ হাজার ৯৬০টি নোড।

এই প্রথম সুপার কম্পিউটার তৈরির দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে টপকে গেল চীন। বর্তমানে বিশ্বের শীর্ষ ৫০০ সুপার কম্পিউটারের মধ্যে চীনের আছে ১৬৭টি আর যুক্তরাষ্ট্রের আছে ১৬৫টি। মাত্র ১০ বছর আগেও ২৮টি সুপার কম্পিউটার ছিল চীনের। অবশ্য সেরা দশের মধ্যে চারটি সুপার কম্পিউটারই যুক্তরাষ্ট্রের। এই তালিকায় চীনের আছে দুইটি।

সম্প্রতি টেনেসি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক জ্যাক ডংগারার করা তালিকা অনুযায়ী দ্রুতগতির ১০ সুপারকম্পিউটার হচ্ছে চীনের তিয়ানহে-২, যুক্তরাষ্ট্রের টাইটান, সেকুইয়া, জাপানের কে কম্পিউটার, যুক্তরাষ্ট্রের মিরা, স্ট্যামপিডি, জার্মানির জুকুইন, যুক্তরাষ্ট্রের ভুলকান, জার্মানির সুপারমুক এবং চীনের তিয়ানহে-১এ। সেকেন্ডে এক হাজার ট্রিলিয়ন গাণিতিক হিসাব করার ক্ষমতাসম্পন্ন পেটাফ্লপ গতির সুপারকম্পিউটারগুলোর এ তালিকা করা হয়। মেট্রিক পদ্ধতিতে শত কোটিকে বলা হয় এক বিলিয়ন। এক হাজার বিলিয়নকে বলা হয় এক ট্রিলিয়ন এবং এক হাজার ট্রিলিয়নকে বলা হয় এক পেটা। সাধারণত জটিল গাণিতিক হিসাবের কাজে সুপারকম্পিউটার ব্যবহার করা হয়।