ফারুক মিয়ার মৃত্যুতে খালেদা জিয়ার শোক প্রকাশ

khaleda-shok

সময়ের কণ্ঠস্বর – ভোলা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো. ফারুক মিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।

সোমবার বিকেল ৩টায় বার্ধক্যজনিত কারণে নিজ বাসভবনে ইন্তেকাল করেন তিনি (ইন্না লিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৫ বছর।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক শোক বার্তায় তিনি এসব কথা বলেন।

শোকবার্তায় বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, মো. ফারুক মিয়া জেলা বিএনপিকে সুসংগঠিত এবং অগণতান্ত্রিক শক্তির বিরুদ্ধে মানুষের মৌলিক ও গণতান্ত্রিক অধিকারের আন্দোলনকে বেগবান করতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে গেছেন।

স্বৈরাচারী শাসক ও অগণতান্ত্রিক শক্তির সঙ্গে তিনি কখনও আপস করেননি। তার মৃত্যুতে ভোলা জেলা বিএনপি একজন দক্ষ, কর্মনিষ্ঠ ও শহীদ জিয়ার আদর্শ বাস্তবায়নে নিবেদিত প্রাণ সংগঠককে হারাল।

খালেদা জিয়া বলেন, শহীদ জিয়া প্রবর্তিত রাজনীতির ধারাকে সমুন্নত রাখতে তিনি যে নিরলস পরিশ্রম করে গেছেন তা ভোলা জেলা বিএনপির প্রত্যেক নেতা-কর্মীর মনে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

খালেদা জিয়া মরহুম মো. ফারুক মিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারবর্গ, নিকটজন, গুনগ্রাহী ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

অপর এক শোকবার্তায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আলহাজ্ব মো. ফারুক মিয়াকে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নীতি ও আদর্শের এক বলিষ্ঠ অনুসারী উল্লেখ করে তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

তিনি বলেন, ভোলা জেলা বিএনপিকে শক্তিশালী, গতিশীল ও সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত করতে মরহুম ফারুক মিয়ার অবদান কোনোদিনই ভুলবার নয়। বহুদলীয় গণতন্ত্র ও বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদী রাজনীতিতে বিশ্বাসী মরহুম ফারুক মিয়া দলীয় আদর্শ থেকে কখনওই বিচ্যুৎ হননি। তার মৃত্যুতে কেবল ভোলাবাসীই নয় বরং দেশবাসীও একজন জনপ্রিয় রাজনীতিবিদকে হারাল।

বিএনপি মহাসচিব শোকবার্তায় মরহুম ফারুক মিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে শোকাহত পরিবারবর্গ ও আত্মীয়-স্বজনদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।