পিএইচডি করে কুলির চাকরির জন্য আবেদন !

psdআন্তর্জাতিক ডেস্কঃ জীবনে প্রতিষ্ঠা পেতে সঠিক ধারায় লেখাপড়া এবং প্রশিক্ষণের গুরুত্ব অপরিসীম। সঙ্গে দরকার প্রথম থেকেই সঠিক সিদ্ধান্তে পৌঁছানো। বার্তমানে একটা ভালো চাকরি যেন সোনার হরিণ। প্রত্যেক শিক্ষার্থীই মনে মনে একটা বিশেষ পেশাকে লালন করে থাকেন। যা তিনি সর্বদা বাস্তবায়ন করতে চান। পড়ালেখা শেষ করে কিংবা তার আগেই একজন শিক্ষার্থীর আশা থাকে সরকারি চাকরি পাওয়ার। ভালভাবে বাচার , সুন্দর স্বপ্নগুলোকে বাস্তবে রুপ দিতে কতই না প্রয়াস । তাই বলে কুলির পদের জন্য এমফিল-পিএইচডি, স্নাতকোত্তর পাস করে আবেদন করবে? এমনটাই হয়েছে ভারতের মহারাষ্ট্রে। শুধু ভারতেই নয় আমাদের দেশেও একটি পিয়নের চাকরি জন্য অনেক ছেলে স্নাতকোত্তর পাস করে আবেদন করে। তাতেও তাদের ভাগ্যে সরকারি চাকরি জোটে না।

এইতো ছয় মাস আগে ভারতে সরকারি চাকরি কুলির পদের জন্য আবেদন চাওয়া হয়েছিল। যোগ্যতা চাওয়া হয়েছিল ক্লাস ফোর পাস। কিন্তু আবেদনপত্র দেখে চক্ষু চড়কগাছ কর্মকর্তাদের। আসলে সরকারি চাকরি বলে কথা ! সে যাই হোক পেলেই তো হল ! এমন হল করুণ অবস্থা !

জানা গেছে, মোট পাঁচটি পদে নিয়োগ দেয়া হবে। আর এতে আবেদন করেছেন মোট ২ হাজার ৪২৪ জন। এ নিয়েই সমস্যায় পড়েছেন মহারাষ্ট্র পাবলিক সার্ভিস কমিশনের কর্মকর্তারা। গত বছর ডিসেম্বর মাসে এ পদের জন্য বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছিল। আগামী আগাস্টে পরীক্ষা নেয়া হবে।

এই কুলির চাকরি পাওয়ার জন্য ৫ জন এমফিল, ২৫৩ জন স্নাতকোত্তর, ৯ জন স্নাতকোত্তর ডিপ্লোমা এবং ১০৯ জন ডিপ্লোমাধারী ব্যক্তি আবেদন করেছেন। মোট ৯৮৪ জন স্নাতক ডিগ্রিধারী আবেদন করেছেন এ পদের জন্য।

ভাবতে অবাক লাগে , সেই সাথে কষ্ট হয় আজকে যদি সঠিক ভাবে মেধার যাচাই হত , যোগ্যতা মাফিক গন্য করা হত , যেভাবে বাড়ছে স্বাক্ষরতার হার সেভাবে কর্মসংস্থান বাড়ানো হত তবে এই পরিস্থিতির উদয় হত না ।দুর্নীতি যেন জীবন গুলোকে কুঁড়ে কুঁড়ে শেষ করে দিচ্ছে ! জানিনা আদৌ কি এই চিরাচরিত রীতির পরিসমাপ্তি ঘটবে কি?