দায়িত্বরত সাংবাদিকদের উপর হামলায় নিন্দা প্রকাশ

পলাশ মল্লিক, গাজীপুর প্রতিনিধি:


ahoto-gazipur

জেলার বাঘের বাজারে জোয়াড় মাঠের চিত্র ধারণের সময় জোয়া পরিচালনাকারী এবং জোয়াড়ীদের হামলায় তিন সাংবাদিক আহত হওয়ার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন জেলার সুশীল সমাজ। সেই সাথে হামলার সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার করে শাস্তিরও দাবি জানান তারা।

গতকাল সোমবার ঘটে যাওয়া এ ঘটনায় আহত সাংবাদিক, আরটিভির গাজীপুরের স্টাফ রিপোর্টার আজহারুল হক, মোহনা টিভির আতিকুর রহমান, জিটিভির জেলা প্রতিনিধি আব্দুল্লাহ আল মামুনকে উন্নত চিকিৎসার জন্যে ঢাকা পাঠানো হয়েছে।

সময়ের কন্ঠস্বরের প্রতিনিধির সাথে আলাপ কালে জেলা প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি দোলোয়া হোসেন বলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় এ ধরেন হামলার ঘটনায় যারা জড়িত তাদের সকলকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে বিচার করতে হবে। আর ভবিষৎতে কোন অপরাধী যেন এ ধরনের কাজ করার সাহস না পান প্রশাসনকে তার ব্যবস্থা গ্রহন করতে হবে।

অপরদিকে প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি অধ্যাপক মুকুল কুমার মল্লিক এ ধরনের নেক্কারজনক হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি বলেন সমাজের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে সাংবাদিকরা। নিরলস পরিশ্রমের মাধ্যেমে জন সাধারনের কাছে সংবাদ তুলে ধরেন সংবাদকর্মীরা। আর পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় যদি হামলা করে কেউ পাড় পেয়ে যায় তা হবে দুঃখজনক। তিনি আশা প্রকাশ করেন এ ক্ষেত্রে প্রশাসনের ভূমিকা হবে দৃষ্টান্তমূলক।

জেলার কয়েকটি স্থানে জোয়াড় বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে বেশ কয়েকবার মানববন্ধন হয়েছে। তবে দৃশ্যত লোক দেখানো অভিযান পরিচালনার পর জোয়া পরিচালনাকারীদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়নি। যার পরিপ্রেক্ষতি সবার সামনে বুক ফুলিয়ে জোয়াড় ব্যবসা করে যাচ্ছেন  প্রভাবশালী কয়েকটি মহল। আর এরই ধারাবাহিকতায় সাংবাদিকদের উপর এ হামলা।

সারা রাতভর চলা এ সকল জুয়ার মাঠে জোয়ার পাশা পাশি মেয়েদের উলঙ্গ নৃত্য চলে। চাকরীজীবি, ব্যবসায়ী, সমাজের বিওবানদের আকৃষ্ট করতে নানা ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করেন এ জুয়াড় মাঠ গুলো। জুয়াড় মাঠে নানা সময় বড় ধরনের ঘটনা ঘটলেও তা কৌশলে আড়াল করা হয় যাতে করে বড় ধরনে কোন বাঁধার সন্মুখী হতে না হয়।

স্থানীয়দের দাবি এ জুয়াড় মাঠ গুলোর সাথে প্রশাসনের লোকজন জড়িত। তা না হলে প্রশাসনের সামনে দিনের পর দিন কিভাবে জুয়াড় কার্যক্রম চলে। তারা আরো দাবি করেন খুব দ্রুত জেলার এ সকল জুয়াড় স্পট গুলো বন্ধ করে দেয়া হোক। তা না হলে জেলা সার্বিক পরিস্থিতি খারাপ হওয়ার সাথে সাথে অদূর ভবিষ্যতে বড় ধরনে কোন দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।