সাপাহারে উচ্চস্বরে প্রচার মাইক ও যানবাহনের হর্ণে শব্দ দূষণের সৃষ্টি হচ্ছে

নয়ন বাবু, সাপাহার প্রতিনিধি:


sobdoduson

নওগাঁর সাপাহারে উচ্চস্বরে প্রচার মাইক ও যানবাহনের হাইড্রলিক হর্ণে শব্দ দূষণের সৃষ্টি হচ্ছে। শব্দ দূষণ রোধে প্রশাসনিক কোন পদক্ষেপ না থাকায় যত্রতত্র ভাবে বেড়েই চলেছে শব্দ দূষণ। সকাল থেকে শুরু করে সন্ধা ৭ টা পযর্ন্ত নিয়ন্ত্রনহীন শব্দে কান পাড়া দায় হয়ে পড়েছে উপজেলাবাসীর।

পরিবেশ দূষন সমস্যা ও তার বিরুপ প্রতিক্রিয়ায় নিয়ন্ত্রনহীন শব্দ এক বিশেষ স্থান অধিকার করে আছে। উচ্চস্বরে মাইকের আওয়াজ ও যানবাহনের হর্ণ পরিবেশ দূষনের অন্যতম কারন। শব্দ দূষনের ফলে মানুষকে নানাবিদ সমস্যায় পড়তে হচ্ছে এতে করে মানুষের উচ্চ রক্ত চাপ, শ্রবণশক্তি হ্রাস, মাথা ধরা, মনো-সংযোগ কমে যাওয়ার মতো নানা ধরনের সমস্যার সৃষ্টি হয়ে থাকে। শব্দ দূষন রোধে ২০০৬ সালে শব্দ দূষন নিয়ন্ত্রন বিধিমালা করা হলেও সাপাহারে তার কোন প্রয়োগ না থাকায় দিন দিন শব্দ দূষন বেড়েই চলেছে।

মানবদেহের শ্রবণশত্তির ধারণ ক্ষমতা অতিক্রম করে উচ্চস্বরে মাইকের আওয়াজ, যানবাহনের হর্ণ অতিরিক্ত হারে ব্যবহার করা হচ্ছে। সকাল থেকে শুরু করে সন্ধা পযর্ন্ত যে মাত্রায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, ব্যবস্যা প্রতিষ্ঠান, শোক সংবাদ, ডাক্তারের প্রচার, হারানো বিজ্ঞপ্তি, প্রশাসনের জরুলি নোটিশ, আদেশ, হকারদের প্রচার মাইকের নিয়ন্ত্রনহীন শব্দে উপজেলাবাসী অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। শব্দ দূষন রোধে প্রশাসনিক কোন ব্যবস্থা না থাকায় উপজেলাবাসী এই শব্দ দূষনের হাত থেকে রক্ষা পাচ্ছেন না। উপজেলা বাসীর দাবি প্রচার মাইক ও যানবাহনের হর্ণ সহনশীল মাত্রা বজায় রেখে শব্দ ব্যবহার করা হোক। এলাকাবাসী শব্দ দূষন রোধে প্রশাসনের সু-দৃষ্টি কামনা করছে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ মনিরুজ্জমান ভূঁঞা এর সাথে কথা হলে তিনি সময়ের কণ্ঠস্বরকে জানান, উচ্চ স্বরে প্রচার মাইক ও যানবাহনের হাইড্রলিক হণের্র, শব্দের কারনে শব্দ দূষণের সৃষ্টি হয় এতে করে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। দ্রুত স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমাণ্য ব্যক্তিদের নিয়ে আলোচনা সভার মাধ্যমে সকলের মাঝে শব্দ দূষনের ক্ষতিকর প্রভাব সর্ম্পকে ধারনা দিয়ে সচেতনতা সৃষ্টি করবেন। এতেও যদি ফল ভাল না হয় আইনানুগ ব্যবস্থা নিবেন এবং উপজেলাকে শব্দ দূষন মুক্ত করবেন বলেও তিনি জানান।