শরীয়তপুরে চাল চুরির অভিযোগ ইউপি চেয়ারম্যান ও সচিবের বিরুদ্ধে, ২৫ বস্তা চাল আটক

soriotpur-fot-jele

শরীয়তপুর প্রতিনিধি: শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলার কোদালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এস এম মিজানুর রহমান ও সচিব আনিছুর রহমান বিরুদ্ধে জেলে কার্ডের চাল চুরির অভিযোগ উঠেছে। সোমবার বিকেলে কোদালপুর বাজারে এ চুরির ঘটনা ঘটে। পরে ২৫ বস্তা চাল আটক করে প্রশাসনকে খবর দেয় স্থানীয়রা। পরে চালের বস্তা জব্ধ করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ছগীর হোসেন।

স্থানীয় ও মৎস অফিস সূত্রে জানা যায়, নদীতে মাছ ধরা বন্ধ থাকার কারনে সরকার গবির জেলেদের প্রতি বছর ৪ বার মৎস জেলেদের স্মাট কার্ডের মাধ্যমে কোদালপুরে ১হাজার ৩৫২ জনের মাঝে ৪০ কেজি করে চাল বিতরণ করার কথা থাকলেও কোদালপুর ইউনিয়নে চাল বিতরন করছে ২৫/২৮ কেজি করে। গোসাইরহাট উপজেলা মৎস কর্মকর্তা আব্দুস সামাদ, ট্যাগ অফিসার বিআরডিবি কর্মকর্তা নাইমা খানম, কোদালপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এস এম মিজানুর রহমান ও কোদালপুর ইউনিয়ন পরিষদ সচিব আনিছুর রহমান এর মাধ্যমে এ চাল বিতরণ করা হয়।

গত ১৬, ১৭ ও ১৮জুন ৮৩০ জনের মধ্যে ৪০ কেজি চাল বিতরণের কথা থাকলেও বিতরণ হয়েছে ৭২৫ জনের মধ্যে ২০/২৫ কেজি করে। বাকি চাল কোদালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সচিব জেলেদের না দিয়ে কোদালপুর বাজারে সিরাজ সরদারের গোডাউনে রেখে বিক্রির পায়তারা করছিলেন। এসময় স্থানীয় জনতা মৎস জীবিদের চালের বস্তা আটক করে গোসাইরহাট উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে খবরদেয়। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসে ২৫ বস্তা চাল জব্দ করেন।

গোসাইরহাট উপজেলা মৎস কর্মকর্তা আব্দুস সামাদ ও ট্যাগ অফিসার নাইমা খানম জানান, ১৬, ১৭ ও ১৮জুন আমরা নিজেরা থেকে মৎস জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ করেছি। বাকি ৮০ বস্তা চাউল রেখে দিয়েছি। কিন্তু এ চাল পরিষদের গোডাউন থেকে কিভাবে বাজারে আসলো আমরা জানি না।

কোদালপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এস এম মিজানুর রহমান কে মৎস চাল চুরির ঘটনার জানার জন্য মুঠোফোনে বার বার চেষ্ঠা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

এ ব্যাপারে গোসাইরহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: সগীর হোসেন বলেন, আমি চাল চুড়ির ঘটনাটি শুনে সাথে সাথে কোদালপুর বাজারে যাই। কোদালপুর বাজারে সিরাজ সরদারের গোডাউনে আমি ২৫ বস্তা চাল আটক করি। তদন্ত অনুযায়ী ব্যবস্থা নেব।