টুটুল হত্যাচেষ্টায় আদালতে সুমনের স্বীকারোক্তি

সময়ের কণ্ঠস্বর – শুদ্ধস্বরের প্রকাশক আহমেদুর রশীদ টুটুল হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার সুমন হোসেন পাটোয়ারী ওরফে শিহাব ওরফে সাকিব আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। আজ মঙ্গলবার মহানগর হাকিম আহসান হাবিবের খাস কামরায় তিনি এই জবানবন্দি দেন বলে জানিয়েছে আদালত সূত্র। দুপুর থেকে বিকাল পর্যন্ত তার জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। পরে তাকে কারাগারে পাঠান বিচারক।

গত বছর রাজধানীর লালমাটিয়ায় শুদ্ধস্বর কার্যালয়ে ঢুকে টুটুলকে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় গত ১৫ জুন রাতে ঢাকার উত্তরা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় সুমনকে (২০)। নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের এই সদস্য সিহাব, সাকিব, সাইফুল নামেও পরিচিত বলে পুলিশ জানিয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার মনিরুল ইসলাম বলেন, শিহাবসহ পাঁচজন এই হত্যায় অংশ নেন। আর এই পাঁচজনকে সমন্বয় করেন শরীফ। শিহাব এইচএসসি পাস করে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন। পরে তিনি আনসারুল্লাহ বাংলা টিমে যোগ দেন। দেড় মাসের সামরিক প্রশিক্ষণ নিয়ে টুটুল হত্যাচেষ্টায় অংশ নেন তিনি।

tutulমনিরুল বলেন, গত ১৩ জুন কামরাঙ্গীরচর এলাকা থেকে সৈয়দ মোহাম্মদ মোজাহিদুল ইসলাম ও আরিফুল ইসলাম সোলায়মানী ওরফে আরাফাতকে গ্রেপ্তার করে ডিবি। পরে তাদের দেয়া তথ্যের ওপর ভিত্তি করে শিহাবকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি আরও বলেন, আজিজ সুপার মার্কেটে ‘জাগৃতি’ প্রকাশক ফয়সাল আরেফিন দীপন হত্যায় জড়িতদের বিষয়েও তথ্য পাওয়া গেছে। এই হত্যাকাণ্ডটি সমন্বয়কের দায়িত্বে ছিলেন সেলিম। এই দুটি হত্যার সমন্বয়কারী সেলিম ও শরীফকে গ্রেপ্তার করতে পারলে এ বিষয়ে আরও তথ্য জানা যাবে বলেও জানান মনিরুল ইসলাম।

২০১৫ সালের ৩১ অক্টোবর রাজধানীর লালমাটিয়ার শুদ্ধস্বর প্রকাশনার অফিসে প্রকাশক আহমেদুর রশিদ টুটুল ও শাহবাগের আজিজ সুপার মার্কেটের জাগৃতি প্রকাশনীর প্রকাশক ফয়সল আরেফিন দীপনের ওপর হামলা চালায় নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন আনসারুল্লাহ বাংলা টিম।