মাদ্রাসায় মাইক লাগানোকে কেন্দ্র করে উত্তর প্রদেশে হিন্দু-মুসলিম সংঘর্ষ

hamla-mq


আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

ভারতের উত্তর প্রদেশের গোরখপুর জেলার নিজামপুরে একটি মাদ্রাসায় মাইক লাগানোকে কেন্দ্র করে দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরের এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট এলাকায় কঠোর পুলিশি প্রহরার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

আজ (বুধবার) গণমাধ্যমে প্রকাশ, মাদ্রাসায় মাইক লাগানোর পর হিন্দু ও মুসলিমদের মধ্যে বিবাদ শুরু হয় এবং পরে তা সংঘর্ষে পরিণত হয়। মাদ্রাসায় আযানের জন্য মাইক দেয়ায় বিজেপি সংসদ সদস্য যোগী আদিত্যনাথের সংগঠন ‘হিন্দু যুব বাহিনী’র পক্ষ থেকে তীব্র আপত্তি জানানো হয়।

একটি সূত্রে প্রকাশ, মুসলিমরা রমজান মাসের জন্য মাদ্রাসায় মাইক লাগিয়েছিল এবং তা ঈদ পর্যন্ত তা চালু রাখতে চেয়েছিল।

‘হিন্দু যুব বাহিনী’র রাজ্য সভাপতি সুনীল সিং থানায় অভিযোগ করে মাইক অপসারণের দাবি জানান। পুলিশ এ নিয়ে দুই পক্ষকে থানায় ডেকে বিষয়টি মেটানোর চেষ্টা করে। এ সময় হিন্দু যুব বাহিনীর কর্মীরা গোলমাল শুরু করেন। ঘটনার খবর ছড়াতেই দুই পক্ষের লোকজন থানার সামনে জড়ো হয় এবং পরস্পরের মধ্যে পাথর ছোঁড়া শুরু হয়।

ঘটনার খবর পেয়ে জেলা প্রশাসক ও এন সিং এবং এসএসপি রামপাল বর্মা অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী সঙ্গে নিয়ে থানায় পৌঁছান। পিএসি জওয়ানদেরও এই ঘটনায় তলব করা হয়। জেলা প্রশাসক এবং এসএসপি’র নেতৃত্বে পুলিশবাহিনী এলাকায় টহল দেয়া শুরু করে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে দোকানপাট বন্ধ করে দেয়া হয় এবং মাইকযোগে লোকেদের বাড়ির বাইরে না বেরোনোর বার্তা দেয়া হয়।

পুলিশ পরে পরিস্থিতি আয়ত্তে আনে। পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, পাথর ছোঁড়া লোকজনদের দ্রুত চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হবে।

হিন্দু যুব বাহিনীর সভাপতি সুনীল সিংয়ের দাবি, এর আগে ২০০৪ সালেও মাদ্রাসায় মাইক লাগানো হয়েছিল। সে সময়ও হিন্দুরা বিরোধিতা করায় তা পরে খুলে নেয়া হয়। মাদ্রাসাকে মসজিদে পরিণত করার চেষ্টা হচ্ছে বলেও তিনি দাবি করেন।