দৈনিক বাংলার আলোড়ন পত্রিকা অফিসে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় মামলা ও সাংবাদিকদের মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিবেদক,কুমিল্লা
কুমিল্লার স্থানীয় পত্রিকা ‘দৈনিক বাংলার আলোড়ন’ অফিসে অতর্কিত সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় বার্তা সম্পাদক মোঃ হাবিবুর রহমান খান বাদী হয়ে ৮ জনের নামসহ অজ্ঞাত ১০/১২ জনের বিরুদ্ধে কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানায় দ্রুত বিচার আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে । এদিকে আজ বুধবার এ হামলার প্রতিবাদে কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সাংবাদিকরা মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করে। মানববন্ধনে কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সমকাল নিজস্ব প্রতিবেদক মাসুক আলতাফ চৌধুরীর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন দৈনিক বাংলার আলোড়নের প্রধান সম্পাদক মোঃ রফিকুল ইসলাম, প্রেসক্লাব সিনিয়র সহসভাপতি ও বিটিভি কুমিল্লা প্রতিনিধি জাহাঙ্গীর আলম রতন, সাধারণ সম্পাদক ও ৭১ টিভি কুমিল্লা প্রতিনিধি এনামূল হক ফারুক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ২১ টিভি প্রতিনিধি হুমায়ুন কবির রনি, আওয়ামীলীগ নেতা খাদেম মোঃ ফিরোজ, সিটিভি নিউজের সম্পাদক ওমর ফারুকী তাপস, প্রেসক্লাব সাংগঠনিক সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমেদ জিতু, অর্থ সম্পাদক ও কুমিল্লা কথার সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন জাকির, সাংস্কৃতিক সম্পাদক ও মোহনা টিভি কুমিল্লা প্রতিনিধি তহিদ হোসেন মিঠু, কুমিল্লার ডাক সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, কুমিল্লা সাংবাদিক ইউনিয়ন সেক্রেটারী ও ভোরের পাতা প্রতিনিধি জাকারিয়া মানিক, মহানগর সমবায়ী সভাপতি জোনায়েদ শিকদার তপু, এশিয়ান টিভির কুমিল্লা প্রতিনিধি আজিজুর রহমান, মহানগর যুবলীগ নেতা বোরহান মাহমুদ কামরুল প্রমুখ।

humantiesএ সময় উপস্থিত ছিলেন- মাইটিভি কুমিল্লা প্রতিনিধি সৈয়দ আহসান হাবীব পাখি, বাংলার আলোড়ন সহ সম্পাদক মাইনুল হাসান, আজকালের খবরের কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি ফারুক মজুমদার, বাংলার আলোড়নের স্টাফ রিপোর্টার মাসুদ আলম, সদর দক্ষিণ প্রতিনিধি আবদুর রহিম, ভোরের পাতার কুমিল্লা প্রতিনিধি সোবহান মিয়া, আরটিভির ক্যামেরাম্যান সুমন, বিটিভির ক্যামেরাম্যান জুয়েল, বির্বতনের বার্তা সম্পাদক অমিত হাসান, সাংবাদিক কামরুজ্জামান, অধ্যক্ষ সফিকুর রহমান, সাংবাদিক ইকবাল হোসেন সুমন, জাহাঙ্গীর আলম, ডাক প্রতিদিনের স্টাফ রিপোর্টার ওহিদ, সমবায়ীলীগ নেতা লিটন, অপু দাশ, ৭১ টিভির ক্যামেরাম্যান ইসমাইল, দৈনিক শ্রমিকের স্টাফ রিপোর্টার শাহনেওয়াজ, সংবাদ পত্র বিক্রেতা শাহনেওয়াজ, কুমিল্লা সরকারী মহিলা কলেজ হিসাব সহকারী হাবিবুর রহমান, সাহিত্য প্রতিবেদক আজিম উল্লাহ হানিফ, বাংলার আলোড়নের অফিস সহকারী নাইম, সাকুলেশন রমজানসহ বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য -কুমিল্লা চকবাজার গর্জনখোলা মদিনাতুন জামে মসজিদ সংলগ্ন এলাকার দুদু মিয়ার পুত্র সন্ত্রাসী ফারুক, দেলোয়ার হোসেনের পুত্র নাজমূল, তোফায়েল, মজিব, আজিজের পুত্র হৃদয় ও জিসানসহ প্রায় ২০/২৫ জন সন্ত্রাসীরা অস্ত্র শস্ত্র নিয়ে মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে ৫টায় দৈনিক বাংলার আলোড়ন পত্রিকা অফিসে অনাধিকার প্রবেশ করে অতর্কিত হামলা চালায়। সন্ত্রাসীদের হামলায় দৈনিক বাংলার আলোড়ন বার্তা সম্পাদক ও দৈনিক করতোয়া কুমিল্লা প্রতিনিধি, কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সদস্য মোঃ হাবিবুর রহমান খান, দৈনিক বাংলার আলোড়ন স্টাফ রিপোর্টার, আজকের জীবন কুমিল্লা প্রতিনিধি ও প্রেসক্লাব সদস্য নেকবর হোসেন, দৈনিক বাংলার আলোড়নের ফটো সাংবাদিক সৈয়দ সহিদুল ইসলাম সাকিব, অফিস সহকারী নাইম আহত হয়। পরে সন্ত্রাসীরা

অফিসের ব্যবহৃত তিনটি কম্পিউটার, প্রিন্টার, ওয়াইফাই মেশিন, বিদ্যুতিক পাখা ও লাইট এবং চেয়ার-টেবিলসহ অফিসের যাবতীয় আসবাবপত্র ভাংচুর করে যাওয়ার সময় জোড়পূর্বক অফিসের ড্রয়ার থেকে ৪০ হাজার টাকা, বার্তা সম্পাদকের এন৯ নকিয়া মোবাইল, ফটো সাংবাদিকের স্যাম্পুনী মোবাইল সেট নিয়ে যায়। পরে কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানার এসআই সফিউদ্দিন, র‌্যাব-১১ এর অধিনায়ক, পিআইবি’র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এটিএম ফারুক আহমেদ, কুমিল্লা মহানগর যুবলীগ নেতা ও সাবেক জিএস আবদুল্লাহ আল মাহমুদ সহিদসহ বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ ঘটনায় মঙ্গলবার রাতে দৈনিক বাংলার আলোড়নের বার্তা সম্পাদক মোঃ হাবিবুর রহমান খান বাদী হয়ে ৮ জনের নামসহ অজ্ঞাত ১০/১২ জনের বিরুদ্ধে কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানায় দ্রুত বিচার আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার আসামীরা হলো- চকবাজার গর্জনখোলা এলাকার দুুদু মিয়ার পুত্র মোঃ ফারুক, দেলোয়ার হোসেনের পুত্র নাজমূল, দুধু মিয়ার পুত্র তোফায়েল, শাহজাহানের পুত্র আজিজ, দুধু মিয়ার পুত্র মজিদ, আবদুল আজিজের পুত্র হৃদয়, রাশেদ মিয়ার পুত্র নোবেল, মৃত তাজুল ইসলামের পুত্র শাহজাহানসহ অজ্ঞঅত ১০/১২ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।

নিন্দা জ্ঞাপন- কুমিল্লা সদর আসনের সংসদ সদস্য বীরমুক্তিযোদ্ধা হাজী আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার, কুমিল্লা জেলা প্রশাসক হাসানুজ্জামান কল্লোল, কুমিল্লা জেলা পরিষদ প্রশাসক আলহাজ্ব ওমর ফারুক, কুমিল্লা সিটি মেয়র মনিরুল হক সাক্কু, কুমিল্লা সরকারী মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর এএসএম আবদুল ওহাবসহ শিক্ষক পরিষদ, পুলিশ সুপার শাহ মোঃ আবিদ হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আলী আশরাফ, ডিআই১ মাহবুবুর রহমান, কুমিল্লা সদর উপজেলা ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আমিনুল হক টুটুল, আজকের জীবন সম্পাদক সফিকুর রহমান, রূপসী বাংলার সম্পাদক আশিক অমিতাভ, কুমিল্লা কাগজের সম্পাদক আবুল কাশেম হৃদয়, দৈনিক শিরোনামের সম্পাদক নীতিশ সাহা, চলন পত্রিকার সম্পাদক মাহবুবুর রহমান, সময়ের পথ সম্পাদক বাচ্চু বকাউল, বাংলা ভিশন কুমিল্লা প্রতিনিধি সাঈদ মোঃ পারভেজ, ময়নামতির ব্যবস্থাপনা সম্পাদক নির্বাহী সম্পাদক নোমান খান, আমাদের কুমিল্লার ব্যবস্থাপনা সম্পাদক শাহাজাদা এমরান, বার্তা সম্পাদক মহিউদ্দিন মোল্লা, ডাক প্রতিদিনের সম্পাদক হাবীব জালাল, কুমিল্লার কাগজের নির্বাহী সম্পাদক হুমায়ুন কবির জীবন, দৈনিক বাংলার আলোড়ন সহ সম্পাদক ও কুমিল্লা বার্তার সম্পাদক সামছুল আলম রাজন, সময়ের দর্পণ নির্বাহী সম্পাদক ফারুক আল শারাহ, সাংবাদিক রমিজ খান, লুৎফুর রহমান, সহিদুল্লাহ, সাংবাদিক এমএইচ মনির, দামাল উদ্দিন দামাল, মনির হোসেন, পথিকৃত কুমিল্লার সম্পাদক মান্নান ভূইয়া, কুমিল্লা (দ.) জেলা বিএনপির সভাপতি বেগম রাবেয়া চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাক মিয়া, জেলা বিএনপির সাবেক শহর সভাপতি আবদুর রউফ চৌধুরী ফারুক, কুটি শিল্প বিষয়ক সম্পাদক আতাউর রহমান ছুটি, শহর বিএনপির সভাপতি ফরিদ আহমেদ, সাধরাণ সম্পাদক ভিপি জসিম উদ্দিন, কুমিল্লা জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের সভাপতি ও মহানগর আওয়ামীলীগ নেতা আরফানুল হক, কাউন্সিলর সোয়েব সোহেল, মোঃ সোহেল, জম্পি, সরকার মাহমুদ জাবেদ, শাখাওয়াত উল্লাহ শিপন, সাবেক কাউন্সিলর কাইয়ুম খান বাবুল, আজাহার উদ্দিন, কুমিল্লা দোকান মালিক সভাপতি সানাউল হক, সাধারণ সম্পাদক আতিক উল্লাহ খোকন, জুয়েলার্স দোকান মালিক সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব আলমগীর খান, চকবাজার দোকান মালিক সমিতির সভাপতি মোঃ জিলানী, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মোঃ পারভেজ, সাংগঠনিক সম্পাদক মোবারক হোসেন রাজন, কবি সংগঠক ফখরুল হুদা হেলাল, কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সকল সদস্য ও সাংবাদিক মহল তার নিন্দা প্রকাশ করেন।