আমতলীকে জেলা ঘোষণার দাবি

borguna-amtoli-pik

এম এ সাইদ খোকন, বরগুনা প্রতিনিধি: বঙ্গবন্ধু কন্যা বাংলাদেশের সফল প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্বাচনী আসন আমতলী উপজেলাকে জেলা ঘোষণার দাবী জানিয়েছেন আমতলী উপজেলার সকল রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও সকল শ্রেনীর মানুষ। ভৌগলিক অবস্থান ও জনসংখ্যা এবং পায়রা সমুদ্র বন্দরের গুরুত্ব বিবেচনা করে এ উপজেলাকে জেলা ঘোষণার জোন দাবি জানিয়েছেন তারা । বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণে আমতলী উপজেলা।

বৃটিশ আমলে গুলিশাখালী থানার অধীনে ছিল আমতলী, খেপুপাড়া, গলাচিপা ও বরগুনা। ১৯০১ সালে নদী ভাঙনের কারণে থানা সদর বর্তমান আমতলী একে স্কুল সংলগ্ন দক্ষিণ পাশে স্থানান্তর করা হয়। ১৯০৪ সালে গুলিশাখালী থানা আমতলী থানায় রূপান্তরিত করা হয়। বৃটিশ সরকারের শেষের দিকে গুলিশাখালী থানা বিভক্ত হয়ে আমতলী, খেপুপাড়া, গলাচিপা, পাথরঘাটা ও বরগুনা থানায় সৃষ্টি হয়।

তৎকালীন সময় আমতলীকে মহাকুমা করার কথা থাকলেও তা হয়নি। ১৯৬৫ সালে মৌলিক গণতন্ত্রের অধিনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমতলীর প্রার্থী ডাঃ ফজলুর রহমান ১ ভোটে হেরে যান। ১৯৬৯ সালে তৎকালীন এমএনএ আবদুল আজিজ আমতলীর পরিবর্তে বরগুনা সদরকে মহাকুমায় উন্নীত করেন। ১৯৮২ সালের ৩ নভেম্বর আমতলী থানা উপজেলায় রূপান্তরিত হয়।

আমতলীবাসীর দাবী পটুয়াখালী থেকে গলাচিপা, কলাপাড়া-কুয়াকাটা-পায়রা সমুদ্র বন্দর সড়ক পথের মধ্যবর্তী স্থান আমতলী। এ সকল দিক বিবেচনা করলে আমতলী উপজেলাকে জেলা বাস্তবায়নের দাবি রাখে। এ ছাড়াও ভৌগলিক দিক থেকে বিবেচনা করলেও গলাচিপা, খেপুপাড়া, তালতলী ও রাঙ্গাবালি উপজেলার মধ্যবর্তী স্থান আমতলী।

এ সকল উপজেলার মানুষের সড়কপথে যোগাযোগের মাধ্যম আমতলী। আমতলীর রজনীাতবিদ ও সুশীল সমাজ মনে করেন এখন সময় এসেছে আমতলী-তালতলী-কলাপাড়া-রাঙ্গাবালী উপজেলা নিয়ে আমতলীকে জেলা বাস্তায়নের জন্য গণমানুষকে সোচ্চার হওয়ার।

২০০১ সালে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমতলী-তালতলী আসন থেকে সংসদ সদস্য হিসেবে জয়লাভ করেছিলেন। আমতলীর আপামার জনসাধারনের দাবী প্রধানমন্ত্রী আমতলী উপজেলাকে জেলা ঘোষণার বিষয়টি সদয় বিবেচনা করবেন।