সোয়াইন ফ্লু’ রোগের লক্ষ্মণ ও বাঁচার উপায়…

swine-flu-and-safety


স্বাস্থ্য ডেস্কঃ

বাংলাদেশে প্রতি বছরই কম-বেশি লোক ‘সোয়াইন ফ্লু-তে আক্রান্ত হলেও এখন পর্যন্ত দেশে সোয়াইন ফ্লু’র ব্যাপক বিস্তারের খবর পাওয়া যায়নি। পাশাপাশি এ বছর এখন পর্যন্ত সোয়াইন ফ্লু-তে আক্রান্তের কোনো খবর বাংলাদেশের কোনো হাসপাতাল থেকে পাওয়া যায়নি। কিন্তু বাংলাদেশের বিপুল সংখ্যক মানুষ বর্তমানে ‘সোয়াইন ফ্লু-র ঝুঁকির আওতায় বসবাস করছেন। এদিকে বাংলাদেশের পার্শবর্তী দেশ ভারতে সোয়াইন ফ্লু ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পড়েছে। ইতিমধ্যে দেশটিতে সোয়াইন ফ্লু’ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়েছে। এ পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছে প্রায় ২০ হাজার লোক। তাই বাংলাদেশেও এই সোয়াইন ফ্লু-র আতঙ্ক সবার মাঝে ছড়িয়ে পড়েছে।

রোগের লক্ষ্মণঃ

সোয়াইন ফ্লু’তে আক্রান্ত হলে মানুষের ইনফ্লুয়েঞ্জার মতোই উপসর্গ দেখা দেবে। এর মধ্যে আছে মৌসুমি জ্বর, দুর্বলতা, অরুচি ও কাশি। কারো কারো নাক দিয়ে পানি পড়তে ও গলা ব্যথা হতে পারে। বমি বমি ভাব ও পাতলা পায়খানাও হতে পারে কারো কারো।

কী করতে হবেঃ

এখনই আমাদের ‘সোয়াইন ফ্লু’ প্রতিরোধে ব্যাপক প্রস্তুতি নিতে হবে। হাঁচি-কাশির মাধ্যমে এ রোগ ছাড়াতে পারে। রোগীর সর্দি-কাশি লেগে থাকা কোনো জিনিস স্পর্শ করলে। ‘সোয়াইন ফ্ল’তে আক্রান্ত হওয়া থেকে রক্ষা পাবার জন্য করণীয়

  •  হাঁচি-কাশির সময় নাক-মুখ ঢেকে নিন।
  •  হাঁচি-কাশি দেয়ার সময় পরিষ্কার রুমাল-গামছা-কাপড় বা টিস্যু পেপার ব্যবহার করুন।
  • ব্যবহৃত রুমাল-গামছা-কাপড় ভাল করে সাবান দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
  • ব্যবহৃত টিস্যু পেপার যেখানে সেখানে না ফেলে ময়লা ফেলার নির্দিষ্ট স্থানে ফেলুন।
  • হাঁচি-কাশি দেবার সময় খালি হাতে কখনই নাক-মুখ ঢাকবেন না। রুমাল-গামছা-কাপড় বা টিস্যু পেপার না থাকলে জামার হাতা-শাড়ির আঁচল দিয়ে নাক-মুখ ঢাকুন এবং ঘরে ফিরে ওই জামা-শাড়ি সাবান দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
  • নিয়মিতভাবে সাবান-পানি দিয়ে দুই হাত ভাল করে ধুয়ে নিন।
  • জ্বর-সর্দি-কাশি হলে অন্যেও সংস্পর্শ এড়িয়ে চলুন এবং যতটা সম্ভব বাড়িতে থাকুন।