সুখী জীবনের জন্য জরুরী যে ১০ কাজ

140539
                                                       ফাইল ছবি

লাইফস্টাইল ডেস্ক : সব মানুষই সুখী হতে চায়। আপনিও নিশ্চয় এর ব্যতিক্রম নন? অথচ প্রায়ই খুব ছোটখাটো বিষয়ে আমাদের মন খারাপ হয়ে যায়। এমনকি আপনার নিজেরও কিছু কাজ থাকে, যেগুলো আপনাকে সুখী হতে দেয় না। আমরা সবাই জানি পর্যাপ্ত পানি পান, নিয়মিত ব্যায়াম এবং সকালে ঘুম থেকে উঠা এইগুলো স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। ঠিক তেমনই কিছু বিষয় আছে যা মেনে চলে আপনি হয়ে যাবেন পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী মানুষ।

১। বন্ধুদের সাথে থাকুন

পরিবার, বন্ধুদের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করাটা অনেক সহজ। কিন্তু যোগাযোগ রক্ষা করাটা আপনার জীবনের জন্য ভাল। বন্ধুদের সাথে যোগাযোগ রাখুন। সম্ভব হলে পুরাতন বন্ধুর সাথে আবার নতুন করে যোগাযোগ করুন। দেখবেন এটি আপনাকে অনেক বেশি আনন্দ দিচ্ছে।

২। ইতিবাচক মানুষদের সাথে থাকুন

আপনি যদি নেতিবাচক মানুষদের সাথে থাকেন, তবে তার প্রভাব আপনার নিজের জীবনে পড়বে। আপনিও তাদের মত চিন্তা করা শুরু করবেন। ইতিবাচক মানুষদের সাথে থাকুন, তারা আপনার জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন করতে সাহায্য করবে।

৩। মজা করুন

সারাদিনের কাজ করলে হবে না তার সাথে মজা করার প্রয়োজন আছে। কাজের মাঝে কিছুক্ষণ মজা করুন। এটি আপনার কাজের চাপকে অনেকাংশ হালকা করে দেবে।

৪। নিজেকে দোষারোপ করা বন্ধ করুন

ব্যর্থতা সফলতা মুদ্রার এপিঠ ওপিঠ। পরিকল্পনাগুলো সফল না হলে হতাশ হবেন না। ব্যর্থতা মেনে নিন। আবার নতুন করে চেষ্টা করুন।

৫। সাফল্যটুকু উদযাপন করুন

সাফ্যলটুকু উপভোগ করুন। তা যত ছোট হোক না কেন। নিজেকে নিজে উৎসাহ দিন। দেখবেন ব্যর্থতা কমে এসেছে জীবনে সাফ্যলের পরিমাণে বেড়ে গেছে।

৬। পরিমিত ঘুম

পরিমিত ঘুম আপনার দেহ মনকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। রাতজাগা বন্ধ করুন, সঠিক সময়ে ঘুমাতে যান, সঠিক সময়ে ঘুম থেকে উঠুন।

৭। হাসুন

হাসা আপনার স্ট্রেস কমিয়ে দিবে এবং আপনাকে নতুন করে কাজে মনযোগী করে তুলবে।

৮। পড়ুন

প্রতিদিন নতুন কিছু না কিছু পড়ুন। এটি আপনার জ্ঞান বৃদ্ধি করার সাথে সাথে আপনার দুশ্চিন্তা কমিয়ে দিবে।

৯। নতুন কিছু করুন

প্রতিনিয়ত চেষ্টা করুন নতুন কিছু করার। একভাবে জীবনযাপন করতে করতে তার মধ্যে একঘেয়ামি চলে আসে। নতুন কিছু জীবনের একঘেয়ামিতা কাটিয়ে দিতে সাহায্য করে।

১০। প্রযুক্তি থেকে দূরে থাকুন

প্রযুক্তি জীবনকে সহজ করে দিয়েছে এটা ঠিক। কিন্তু জীবনকে উপভোগ করতে চাইলে কিছুটা সময় প্রযুক্তি থেকে দূরে থাকুন। পরিবার বা প্রিয় মানুষটিকে সময় দিন।