সারদা মহাবিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে চরম অনিয়মের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক , রাজশাহী প্রতিনিধিঃ
রাজশাহী চারঘাট উপজেলা সারদা মহাবিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়েগের অনিয়ম অভিযোগ উঠেছে। গত ৮ফেব্র“য়ারী ১৬ তারিখে শিক্ষক নিয়োগ পরিক্ষার মাধ্যমে যথাযথ উত্তীর্ণদের নিয়োগ প্রত্র প্রদান করা হয়েছে। কিন্ত নিয়োগ প্রাপ্ত শিক্ষকদরে মধ্যে সমাজ বিজ্ঞান শিক্ষক ওয়াহেদ আলীর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সনদ এবং শিক্ষক নিবন্ধন নিয়ে প্রশ্ন উঠে না না ধরনের।

excuse-of-appointing-college-teacher-of-sarodaতবে ওয়াহেদুল আলীর সঙ্গে মুঠো ফনে যোগাযোগ করলে তিনি বিষয়টি পাশ কাটিয়ে জান। এবং পত্রিকা বিক্রেতা জহুরুলের মারফত জানাযায়,সঠিক তথ্য সংগ্রহে বাধা এবং হুমকি আসতে পারে। র্সাবিক ভাবে সমস্যার কারনে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সর্থে বলেন, সমাজ বিজ্ঞান বিষয়ে সদ্য নিয়োগ প্রাপ্ত ওয়াহেদ আলী (মহব্বত) ডিগ্রী,মার্ষ্টাস এবং নিবন্ধন সনদ পত্র জাল। এই বিষয়ে কলেজ অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) সাথে সাক্ষাত করলে তিনি জানান, ওয়াহেদ আলীর স্কুল থেকে মার্ষ্টাসসহ সকল সনদ সঠিক রয়েছে। তথা সারদা ডিগ্রী কলেজে নতুন ভাবে অর্নাস শাখা খুলেছে,যার কারনে গত ৮ফেব্র“য়ারী ১৬ তারিখে অর্নাস শাথায় ২০জন এবং কলেজ শাখায় ৩ জন শিক্ষককে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

তিনি আরো জানান, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরীয়ার আলম, রাজশাহী কলেজ অধ্যক্ষ হাবিবুর রহমান এবং রাজশাহী বিশ্বঃ শিক্ষক ডাঃ সিদ্দিকুর রহমান উপস্থিথিতে নিয়োগ পক্রিয়া র্কাযকর করেছে। এছাড়া কলেজ হিসাব রক্ষক গোলাম মোস্তফা ও অধ্যক্ষের পক্ষে স্বাক্ষ্য দেয়।

কলেজ কতৃক ব্যবহারিক পরীক্ষায় অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগ

চারঘাটে এইচএসসির ব্যবহারিক পরীক্ষায় অবৈধভাবে অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরীক্ষার্থীরা ফরম পূরণের সময়ই শিক্ষাবোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত ব্যবহারিক পরীক্ষার ফি সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দিয়ে থাকে। ব্যবহারিক পরীক্ষার সময় আবার ফি নেয়ার নিয়ম নেই। কিন্তু যেসকল কলেজে পরীক্ষা কেন্দ্র রয়েছে সে সকল কলেজের ব্যবহারিক বিষয়ের শিক্ষকরা অবৈধভাবে পরীক্ষর্থীদের কাছ থেকে পূর্ণ নম্বর দেয়ার কথা বলে অতিরিক্ত টাকা আদায় করছে।

উপজেলায় উচ্চ মাধ্যমিক ও স্নাতক পর্যায়ে ১২টি কলেজ রয়েছে। এর মধ্যে চারঘাট আলহাজ এম এ হাদী কলেজ এবং সরদহ কলেজে পরীক্ষা কেন্দ্র রয়েছে। এ দুটি কলেজে এক হাজার ছয়শ’ আশি জন পরীক্ষার্থী রয়েছে। এসকল পরীক্ষার্থীদের প্রায় সকলেরই একটি থেকে চারটি পর্যন্ত ব্যবহারিক বিষয় রয়েছে। প্রতিটি ব্যবহারিক পরীক্ষা থেকেই সংশ্লিষ্ট শিক্ষকরা ১৫০ টাকা থেকে ৩০০টাকা পর্যন্ত ফি আদায় করছে। এরমধ্যে প্রতিটি পরীক্ষার্থীর কাছ থেকে রসায়নে ৩০০, জীববিজ্ঞানে ২৫০, সাচিবিক বিজ্ঞানে ২০০, পদার্থ বিজ্ঞানে ২০০, ভ’গোলে ১৫০, মনোবিজ্ঞানে ১৫০, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিতে ১৫০ টাকা আদায় করা হচ্ছে। যে সকল পরীক্ষার্থীর ৩/৪টি ব্যবহারিক পরীক্ষা রয়েছে তাদের ব্যবহারিক পরীক্ষা বাবদ অতিরিক্ত সহস্রাধিক টাকা খরচ করতে হচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন পরীক্ষার্থী জানিয়েছে টাকা দিতে না চাইলে ব্যবহারিক পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেয়ার হুমকি দেয়া হয়। এ ব্যপারে সরদহ কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ও কেন্দ্র সচিব আনোয়ারা বেগম এবং চারঘাট আলহাজ এম এ হাদী কলেজ অধ্যক্ষ শামসুেজ্জাহা সেলিম বলেন, ব্যবহারিক পরীক্ষায় অনেক খরচ হয় তাই পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে সামান্য কিছু অর্থ আদায় করা হয়।

নারী পাচারকারী মাবিয়া চক্র উৎঘাটনে পুলিশের তদন্ত শুরু

রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার মৃত দানেশ আলীর মেয়ে মাবিয়া বেগম নারী পাচারকারীর অভিযোগ উঠেছে। মাবিয়ার পরিবার অনুসন্ধান করে মাবিয়া কু-চক্রের সন্ধান পাওয়া যায়। বিগত বহুদিন যাবত মাবিয়া নারী পাচার ও চাকুরীর নামে হোটেলে মেয়েদের বিক্রয় করা তার পেশা। মাবিয়ার এই গোপন তথ্য ফাস হাবার সন্ধান পেয়ে সে বিদেশ চলে যায়। মাবিয়ার এই চক্র অনুসন্ধানে চারঘাট মডেল থানা অবিযান শুরু করেছে। এ বিষয়ে চারঘাট মডেল থানার ওসি নিবারন চন্দ্র বর্মন জানান, আামরা মাবিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ পেয়েছি এর তদন্ত করছে এএসআই শাইফুল।

এবিষয়ে এএসআই শাইফুল জানায়, গত ২৯ মে ১৬ইং তারিখে মাবিয়ার বিষয়ে রাজশাহী এসপি অফিসে অভিযোগ হয় এবং তারি পরিপেক্ষিতে বর্তমান তদন্ত সাপেক্ষে চারঘাট পৌরসভার তথ্য অনুযায়ী মাবিয়া খাতুনের বাড়ী চারঘাট পৌরসভা ৭নং ওয়ার্ডে। তার জন্ম নিবন্ধন নং ২৭৬৩৯ (পুরাতন) ভলিয়ম নং ০৭, সিরিয়াল নং ০২, পৃষ্ঠা নং ১২১/২২। নতুন ২০০৬ ৮১০২২৫০৭২৭৬৩৯। তার নতুন জাতীয় পরিচয় পত্র নং এন আই ডি ১৯৭৩৮১২২৫০৭৮৫৫৯২২, জন্ম তারিখ ১৯৭৩ সালের ৮ জুন।

এবিষয়ে মাবিয়া কৌশলগত তার বয়স ৪৩ কিন্ত ঢাকার জন্ম নিবন্ধন তথ্য মতে বর্তমান বয়স ৩২, কিন্তু সে তার সকল প্রকার তথ্য গোপন করে ঢাকা থেকে জন্ম নিবন্ধন অবৈধ পন্থায় গ্রহন করে যার নং ১৯৮৪২৬৯২৫১৪০৬৩৮৬৮, সেখানে জন্ম তারিখ উল্লেখ করে ১৯৮৪ সালের ২ আগষ্ট। প্রসঙ্গে দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী উক্ত কার্যক্রম সম্পূর্ন না করে অবৈধ পন্থায় জন্ম নিবন্ধন দিয়ে বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর থেকে মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট গ্রহন করে, যার নং এ জি ৭৩৬৯৭৩৩। উক্ত পাসপোর্ট দিয়ে চাকুরীর জন্য ২০১৫ সালের ফেব্র“য়ারী মাসে আরব আমিরাত যায়। জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন আইন ২০০৪ এর ২১ ধারা অনুযায়ী দন্ডনীয় অপরাধ। রাজশাহী চারঘাট উপজেলার স্থানীয়রা সবায় বিষয় গুলো জানলেও নিজের নাম মাবিয়ার অপক্রমের সঙ্গে জড়াতে চান না।