নামতে না পেরে ফের আকাশে এক ঘণ্টা চক্কর দিল আটটি ফ্লাইট

biman

সময়ের কণ্ঠস্বর- রানওয়ে ক্লিয়ারেন্স না থাকায় নামতে না পেরে আবারও ঢাকার আকাশে দীর্ঘ সময় চক্কর দিতে হয়েছে দেশী-বিদেশী ৮টি ফ্লাইটকে। অবস্থা বেগতিক দেখে ৪টি ফ্লাইট বাধ্য হয়ে চট্টগ্রামের শাহ আমানত বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এ ঘটনায় প্রায় ১ ঘণ্টা ১০ মিনিট কোনো ফ্লাইট নামতে পারেনি।

এ কারণে ঢাকার আকাশে উড়োজাহাজ জট সৃষ্টি হয়। শুক্রবার দুপুরে হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এ ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, ভারি উড়োজাহাজ অবতরণের কারণে চাকার আঘাতে বিমানবন্দরে রানওয়ের মাঝামাঝি স্থানে একটি লাইটের গ্লাস ও বিটুমিন ভেঙে যায়। দুপুর ১২টার দিকে টাওয়ার থেকে এ অবস্থা দেখে দ্রুত আকাশে থাকা সব ফ্লাইটের ওপর অবতরণে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়।

এতে কোনো ফ্লাইট রানওয়েতে নামতে না পেরে আকাশে চক্কর দিতে থাকে। পরে টাওয়ার থেকে চারটি ফ্লাইটকে চট্টগ্রামের শাহ আমানত বিমানবন্দরে অবতরণের জন্য ক্লিয়ারেন্স দেয়া হয়। প্রায় এক ঘণ্টা পর ফ্লাইট ওঠানামা স্বাভাবিক হয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের পরিচালক (ফ্লাইট সেফটি অ্যান্ড রেগুলেশন) উইং কমান্ডার চৌধুরী এম জিয়াউল কবীর বলেন, রানওয়ের সাদা লাইন বরাবর লাইটগুলো থাকে, যাতে রাতের বেলায় বিমান অবতরণের লাইন দেখা যায়। এই লাইটগুলো রানওয়ের সঙ্গে মিশে থাকে। গতকাল একটি লাইট ওপরের দিকে উঠে যায়, যা সঙ্গে সঙ্গে নজরে পড়ে এবং দ্রুত মেরামতের কাজ শেষ করা হয়। তিনি বলেন, রানওয়ের ওপর এখন নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

এর আগে ৭ জুন রানওয়েতে ধাতব টুকরা পড়ে থাকার কারণে আকস্মিকভাবে হজরত শাহজালাল বিমানবন্দরের রানওয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়। এ কারণে ওইদিন বিকেলে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমান ঢাকার আকাশে উড়তে হয়েছে বাড়তি প্রায় ৪৫ মিনিট।

ওই ঘটনায় বাংলাদেশ বিমান, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) ও শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ পৃথক তিনটি তদন্ত কমিটি করেছে। এখন পর্যন্ত তারা প্রতিবেদন জমা দেয়নি।