প্যাকেটের গায়ে এসব ছবি কি ধূমপায়ীদের নিরুৎসাহিত করবে ?

mrittu

আন্তর্জাতিক ডেস্ক –    বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সিগারেটের প্যাকেটের সামনে ও পেছনে বীভৎস এসব ছবি ছাপা হচ্ছে এবং এসব দেশের সংখ্যা দিনে দিনে বাড়ছে। তবুও  এসব ছবি কি ধূমপায়ীদের নিরুৎসাহিত করছে ?

প্রথমে সিগারেটের প্যাকেটের গায়ে শুধু কিছু সতর্কবার্তা লিখে দেওয়া হয়েছিলো। যেমন: “ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্যে ক্ষতিকর।”

তারপর প্যাকেটের গায়ে ছাপা হলো ভয়াবহ কিছু ছবি যেখানে দেখা যাচ্ছে সিগারেট খেলে কি কি অসুখ হতে পারে।এখন এসেছে আরো একটি পদক্ষেপ। বলে দেওয়া হয়েছে সিগারেটের প্যাকেট দেখতে ঠিক কিরকম হতে হবে – কোনো ব্র্যান্ডিং বসানো যাবে না, ছাপা যাবে না আকর্ষণীয় কোন নকশাও।

বহু বছর ধরে আলোচনার পর ঠিক হয়েছে এসপ্তাহ থেকে যুক্তরাজ্যের বাজারে যেসব সিগারেট আসবে সেগুলোর প্যাকেট হবে একই রঙের।

নতুন এই আইনটি সবেমাত্র কার্যকর হয়েছে।

                                                         যেভাবে বদলে যাচ্ছে সিগারেটের প্যাকেট

ব্র্যান্ডবিহীন এসব প্যাকেটের জন্যে যে রঙটি বেছে নেওয়া হয়েছে বিশেষজ্ঞরা সেটিকে ‘ভয়াবহ’ বলে মনে করছেন। বড়ো ধরনের বাজার গবেষণা শেষে সিগারেটের প্যাকেটের জন্যে এই ‘জলপাই সবুজ’ রঙটিকে বেছে নেওয়া হয়েছে।

বলা হচ্ছে, এই রঙটি যারা সিগারেট খানকে তাদেরকে সিগারেট খেতে দারুণভাবে নিরুৎসাহিত করবে।

অনেকেই বলছেন, এই রঙের মধ্যে আছে ক্ষয়, মৃত্যু, ময়লা এসব ধারণা।

স্বাস্থ্য সতর্কতাসহ বীভৎস এসব ছবি ছাপা হবে কভারের ৬৫% জায়গাজুড়ে। প্যাকেটের মুখেও যোগ করতে হবে বাড়তি সতর্কতা।

Image 
সিগারেটের কোম্পানিগুলো আগে এভাবেই ভোক্তাদের আকৃষ্ট করতো

প্যাকেটের গায়ে কোন লোগো থাকবে না। সিগারেট প্রস্তুতকারী কোম্পানির নাম লেখা থাকবে খুবই ছোট হরফে। চোখে পড়ার মতো কোনো হরফ ব্যবহার করা যাবে না।

ফিলিপ মরিস ইন্টারন্যাশনাল, ব্রিটিশ অ্যামেরিকান টোব্যাকো, ইম্পেরিয়াল টোব্যাকো এবং জাপান টোব্যাকো ইন্টারন্যাশনাল – বিশ্বের এই চারটি বড়ো বড়ো কোম্পানি বিতর্কিত এই আইনটিকে চ্যালেঞ্জ করেছিলো।

কিন্তু যুক্তরাজ্যের হাইকোর্ট তাদের সেই আপিল খারিজ করে দিয়েছে।

সুত্র – বিবিসি