ভোলায় কমিউনিটি ক্লিনিকে ব্যাপক অনিয়ম

bhola_842851

এস আই মুকুল, ভোলা প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে দায়িত্বরতদের দায়িত্বহীনতার কারণে স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন সাধারণ রোগীরা। এছাড়া ক্লিনিকগুলো সরকারি ছুটি ব্যতিত সকাল ৯ টা থেকে বিকাল ৩ টা পর্যন্ত খোলা থাকার কথা থাকলেও তা বন্ধ হয়ে যায় দুপুরের আগেই। নির্দিষ্ট সময়ের আগেই ক্লিনিক বন্ধ হয়ে যাওয়া ভোগান্তীতে পরতে হচ্ছে প্রত্যন্ত এলাকার মানুষদের। যার ফলে তাদের নির্ভর করতে হচ্ছে প্রাইভেট ক্লিনিক ও হাসপাতালের উপর। ফলে ভোগান্তীর পাশাপাশি অতিরিক্ত টাকা গুণতে হচ্ছে নিম্ন আয়ের মানুষগুলোকে। ঠিক তেমন চিত্র দেখা যায় লালমোহন উপজেলার রমাগঞ্জ ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের কমিউনিটি ক্লিনিকে। যা “লেদন হাওলাদার বাড়ী কমিউনিটি ক্লিনিক” নামে পরিচিত।

সরেজমিন ঘুরে জানা যায়, লেদন হাওলাদার বাড়ী কমিউনিটি ক্লিনিকের স্বাস্থ্য সহকারী জুনায়েদের দায়িত্বহীনতার গল্প। এরই ধারাবাহিকতায় ক্লিনিকটির বিষয়ে স্থানীয়দের জিজ্ঞাসা করলে তারা অভিযোগের ঝড় তুলে ধরে বলেন এই ক্লিনিকের স্বাস্থ্য সহকারী জুনায়েদ নিয়মিত ক্লিনিকে আসেনা। মাঝে মাঝে আসলেও সকাল ১১ টার পর এসে হাজিরা খাতায় সই করে ১ টার আগেই চলে গিয়ে তার ব্যক্তিগত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দেখাশুনা করে। ক্লিনিকের রোগীরা চিকিৎসার জন্য এসে প্রতিদিন ঔষধ না নিয়ে খালি হাতে বাড়ী ফিরে আসতে হয়। তারা আরও বলেন অফিস চলাকালীন সময়ে রোগী নিয়ে ক্লিনিকে এসে জুনায়েদকে না পেয়ে তার মোবাইলে কল দিলে সে নানা অজুহাত দেখায়। অভিযুক্ত স্বাস্থ্য সহকারী জুনায়েদকে উক্ত বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন আমি যে পরিমাণ ক্লিনিকে সময় দেই সেটা আমার উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা জানেন। আপনী তাদের সাথে যোগাযোগ করেন এই বলে তিনি এড়িয়ে যায়। কমিউনিটি ক্লিনিকের জমিদাতা ও সহসভাপতি কামাল উদ্দিন বলেন জুনায়েদ কখন আসেন কখন যায় তার আমি জানিনা। তবে এ বিষয়ে এলাকার অনেকেই জুনায়েদের দায়িত্ব অবহেলার কথা আমাকে জানিয়েছেন।

এ ব্যপারে লালমোহন উপজেলার স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ নিত্যনন্দন চৌধুরীর কাছে অভিযুক্ত জুনায়েদের দায়িত্বহীনতার বিষয়টি তুলে ধরলে তিনি সময়ে কণ্ঠস্বরকে বলেন, জুনায়েদের বিরুদ্ধে একই রকম অভিযোগ এর আগেও পেয়েছি। তবে লিখিত অভিযোগ পেলে আমার তার বিরুদ্ধে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নিব।