সরকারের নানা প্রতিশ্রুতি তবুও বাজারে চিনি বিক্রি হচ্ছে বাড়তি দামে

barti dame bikri

সময়ের কণ্ঠস্বর –    সরকারের নানা প্রতিশ্রুতির পরেও এবার রমজানে চিনি বিক্রি হচ্ছে বাড়তি দামে। কয়েকদিনের ব্যবধানে কেজিতে ৫ থেকে ৬ টাকা বেড়ে কোথাও কোথাও বিক্রি হচ্ছে ৬৪ টাকায়। অথচ মিল কর্তৃপক্ষ বলছেন, উৎপাদন ও সরবরাহে কোনও ঘাটতি নেই, তাই দাম বাড়ার কোনও কারণই নেই। এদিকে, পাইকারি বাজারে একই দিনে কয়েকবার দাম পরিবর্তন ও ক্যাশমেমো না দেয়াসহ নানা অভিযোগ খুচরা ব্যবসায়ীদের।

সারাবছর দেশে চিনির চাহিদা ১২ থেকে ১৩ লাখ মেট্রিক টন। এর মধ্যে রমজান মাসে চাহিদা সব চেয়ে বেশি, প্রায় ২ লাখ টন। সেই হিসেবে প্রতিদিন লাগে সাড়ে ৬ হাজার মেট্রিক টন এর কিছু বেশি। এর বিপরীতে চিনির উৎপাদন অনেক বেশি। শুধু সিটি গ্রুপেই প্রতিদিন গড় উৎপাদন ৩ হাজার মেট্রিক টন।

মিল কর্তৃপক্ষ বলছে, সরবরাহ পত্রের মাধ্যমে মিল থেকে পাইকারি ব্যবসায়ীরা প্রতি বস্তা চিনি কিনছেন ২ হাজার ৫০০ টাকায়। তার উপর নেই সরবরাহ ঘাটতি কিংবা অন্য কোন অসুবিধা। সে অনুযায়ী চিনির দাম বাড়ার কোন কারণই নেই।

তবে পাইকারি বাজারে এসে সেই চিনি বিক্রি হচ্ছে বস্তা প্রতি ৫শ’ টাকা বেশি। এই বেশি দামের কোন সুনির্দিষ্ট কারণ জানাতে পারেনি পাইকারি ব্যবসায়ীরা। বরং উল্টো দোষারোপ করছেন খুচরা ব্যবসায়ীদের।

অন্যদিকে, চিনির বাজার অস্থিতিশীল হওয়ার পেছনে পাইকারি ব্যবসায়ীদেরকেই দুষছেন খুচরা বিক্রেতারা। তারা বলছেন, একই দিনে কয়েকবার দাম পরিবর্তিত হয় আড়তগুলোতে, এমনকি চিনি ক্রয়ে দেয়া হয় না ক্যাশ মেমোও। একই সঙ্গে বাজার নিয়ন্ত্রণে পাইকারি আড়তগুলোতে সার্বক্ষণিক মনিটরিংয়ের আওতায় আনা দরকার বলেও মত তাদের।