নাটোরে বিকাশ এজেন্টকে কুপিয়ে ১ লাখ টাকা ছিনতাই

তাপস কুমার, নাটোর প্রতিনিধি: নাটোরের বাগাতিপাড়ায় বিকাশ এজেন্টকে কুপিয়ে ১ লাখ টাকা ছিনতাই করেছে সন্ত্রাসীরা। আজ রবিবার বেলা ১২টার দিকে উপজেলার সোনাপুর-দয়ারামপুর সড়কের জামালের ইটভাটা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় বিকাশ এজেন্ট পান্না আলী (৩৪) কে নাটোর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সে সদর উপজেলার জাঠিয়ান এলাকার মৃত আক্কাস আলীর ছেলে।

bikas-agend

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, প্রতিদিনের মত মোটর সাইকেল যোগে নাটোর সদর থেকে দয়ারামপুর যাচ্ছিল বিকাশের এজেন্ট পান্না আলী। এ সময় উপজেলার সোনাপুর-দয়ারামপুর সড়কের জামালের ইটভাটা এলাকায় ২-৩টি মোটর সাইকেলে করে কয়েকজন সন্ত্রাসী তার পথ রোধ করে। পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাথারি ভাবে কুপিয়ে জখম করে ১ লাখ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন পান্নাকে উদ্ধার করে প্রথমে দয়ারামপুর মজুমদার ক্লিনিকে নিয়ে যায়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে পরে নাটোর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

বাগাতিপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমনিুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে সময়ের কণ্ঠস্বরকে জানান, বিষয়টি জানার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এখন পর্যন্ত লিখিত কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

লালপুরে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার

আজ রবিবার সকালে নাটোরের লালপুর উপজেলার লালপুর-বাঘা সড়কের নছিরার বিল নামক স্থান থেকে জুয়েল (৩২) নামের এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। নিহত জুয়েল রাজশাহীর বাঘা উপজেলার মিরগঞ্জ ভানুকর পাড়া গ্রামের জহুরুল ইসলামের ছেলে। এ ঘটনায় পুলিশ জুয়েলের বন্ধু একই গ্রামের রয়েজ উদ্দিন মুন্সির ছেলে মাসুদকে (৩০) আটক করেছে।

পুলিশ ও নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শনিবার বিকেল ৪ টার দিকে জুয়েল তার বন্ধু সেলুনকর্মী মাসুদের সাথে মোটর সাইকেলে করে বাঘা যাওয়ার নাম করে বাড়ি থেকে বের হয়। রাতে মাসুদ বাড়ি ফিরে লোক মারফত জুয়েলের বাবাকে জানায় রাত ৯টার দিকে তারা ঈশ্বরদী থেকে বাড়ি ফেরার সময় লালপুরের নছিরার বিলে ডাকাতের কবলে পড়ে। সে কোন মতে ফিরে আসলেও জুয়েলকে আনতে পারেনি। পরে মাসুদকে সাথে নিয়ে খোঁজাখুজির এক পর্যায়ে সকালে নছিরার বিল এলাকার সড়কের পাশে জুয়েলের লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশকে জানায়। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে নাটোর মর্গে পাঠিয়েছে।
এ ঘটনায় জুয়েলের বাবা জহুরুল ইসলাম বাদি হয়ে মাসুদকে প্রধান আসামি করে লালপুর থানায় মামলা দায়ের করেছে।

লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল হাই তালুকদার সময়ের কণ্ঠস্বরকে জানান, নিহত জুয়েলের গোপনাঙ্গের পাশে ধারালো অস্ত্রের আঘাত সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। জুয়েলের বন্ধু মাসুদের কথা বার্তায় ঘটনার সাথে তার সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নিহতের পরিবার থেকেও এ ঘটনার জন্য তাকেই দায়ি করা হচ্ছে।