কক্সবাজারের চকরিয়ায় চিংড়িঘেরে ১জনকে পিটিয়ে ও গুলি করে হত্যার অভিযোগ

জামাল জাহেদ কক্সবাজার থেকেঃ
কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার বদরখালী ইউনিয়নের একটি চিংড়ি প্রকল্পের কর্মচারীকে ধরে নিয়ে গুলি করে ও পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। রোববার ভোররাতে উপজেলার চিংড়িজোন রামপুর এলাকার বদরখালীর গুদামপাড়া নামক স্থানে ঘটেছে এ ঘটনা।

খবর পেয়ে চকরিয়া থানা পুলিশের একটিদল ঘটনাস্থল থেকে নিহত ঘের কর্মচারী আবদুল কাদের ওরফে বালুর (২৬) লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেছে।

নিহত আবদুল কাদের বদরখালী ইউনিয়নের ৯নম্বর ওয়ার্ডের গুদামপাড়া এলাকার নুর-উন-নবীর ছেলে। এদিকে ঘটনার সাথে জড়িতরা চিংড়িজোনের আতঙ্ক কোদাইল্যা বাহিনীর সদস্য বলে জানিয়েছেন স্থানীয় চিংড়ি প্রকল্পের মালিক ও কর্মচারীরা।

murder

নিহতের ভাই নুরুল কাদের জানান, বদরখালী গুদামপাড়া মৎস্য সমিতির মালিকানাধীন একটি চিংড়ি প্রকল্প ইজারা নিয়ে তিনি মৎস্য চাষ করে আসছেন। তার সাথে চিংড়ি প্রকল্পটি দেখাশুনার জন্য ভাই আবদুল কাদেরকে নিয়োগ দেন।

তিনি জানান, প্রতিদিনের মতো শনিবার দিবাগত রাতে সেহেরী খেয়ে তার ভাই আবদুল কাদের মৎস্য প্রকল্পের খামারঘরে ঘুমিয়ে পড়েন। রোববার ভোররাত আনুমানিক চারটার দিকে ৮-১০জনের অস্ত্রধারী দুর্বৃত্ত চিংড়ি প্রকল্পের খামারঘরে হানা দিয়ে ঘুমিয়ে থাকা আবদুল কাদেরকে হাত-পা বেঁেধ তুলে নিয়ে যায়।

চিংড়ি প্রকল্পের ইজারাদার নুরুল কাদের অভিযোগ করেছেন, ঘটনার সময় চকরিয়া উপজেলার সাহারবিল ইউনিয়নের রামপুর এলাকার লুৎফুর রহমানের নির্দেশে তার সহযোগি নুরুস ছাফা, বুলু মাষ্টার ও কামাল উদ্দিনের নেতৃত্বে দুর্বৃত্তরা তার ভাইকে অস্ত্রের মুখে তুলে নিয়ে যায় পাশের নাজেম উদ্দিন সওদাগরের মালিকানাধীন চিংড়ি প্রকল্পের খামারঘরে। সেখানে আটকে রেখে টানা দুইঘন্টা পিটিয়ে ও গুলি করে আবদুল কাদেরকে হত্যা করে অস্ত্রধারী দুর্বৃত্তরা।

জানতে চাইলে চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.জহিরুল ইসলাম খাঁন বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে নিহতের লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এব্যাপারে নিহতের পরিবার থেকে লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়নি। তবে অভিযোগ পেলে অবশ্যই মামলা নেওয়া হবে।