আড়াইহাজারে বালু উত্তোলন নিয়ে দুই গ্রুপের মধ্যে গোলাগুলি: আহত-২৫

golaguli

এম এ হাকিম ভূঁইয়া, আড়াইহাজার প্রতিনিধি: নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকা কালাপাহাড়িয়ায় আজ সোমবার মেঘনা নদী থেকে ড্রেজার দিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন কে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। এতে উভয় পক্ষের চারজন গুলিবৃদ্ধ সহ অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছেন। এরা হলেন সাদ্দাম, শাহজালাল, খলিল, খলিল, রুবেল, জলিল, ডালিম, ইয়াছিন, ইউসুফ, হালিম, আক্তার, মনির, আলম, দাউদ। আহতদের মধ্যে খলিল, খলিল, রুবেল, জলিলকে আশঙ্কা জনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। কেউ কেউ এলাকায় বিভিন্ন সেবা কেন্দ্র চিকিৎসা নিচ্ছেন। স্থানীয় সাত্তার ও জয়নাল গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের এই ঘটনা ঘটে।

সংবাদ পেয়ে আড়াইহাজার থানার পুলিশ ও কালাপাহাড়িয়া ফাঁড়ির পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ ঘটনার পর থেকে এলাকায় সাধারণ বাসিন্দাদের মধ্যে চরম আতংক বিরাজ করছে। যে কোনো সময় বড় ধরনের সংঘর্ষের আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এলাকাবাসী জানান, রবিবার কালাপাহাড়িয়া এলাকার বিবিরকান্দি ও কদমীরচর এলাকায় মেঘনা নদী থেকে অবৈধভাবে বাবু উত্তোলন করে স্থানীয় জয়নাল গ্রুপ। ওই দিন সাত্তার গ্রুপের লোকজন বালু উত্তোলনের ড্রেজারটি পুড়িয়ে দেয়। এরই জের ধরে আজ সোমবার ফের দুই গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে সাত্তার গ্রুপ ও জয়নাল গ্রুপের মধ্যে মুখোমুখী গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের ৪ জন গুলিবৃদ্ধ সহ অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে উপজেলার বিভিন্ন সেবা কেন্দ্র সহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ স্বপন বলেন, বালু উত্তোলনকে কে কেন্দ্র সামান্য উত্তেজনা হয়েছে। তবে আপাতত পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। এদিকে সাত্তার গ্রুপের প্রধান ডালিম বলেন, আমি এলাকায় থাকি না। আমার কোনো লোক গোলাগুলির সঙ্গে জড়িত নয়।

আড়াইহাজার থানার ওসি মোঃ সাখাওয়াত হোসেন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে সময়ের কণ্ঠস্বরকে জানান, উভয় পক্ষের বেশ কয়েক জন আহত হয়েছেন। ঘটনার সংবাদ পেয়েই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। পরিস্থিতি আপাতত শান্ত আছে। তবে এ ঘটনায় কোনো পক্ষই অভিযোগ দেয়নি।