‘প্রাথমিকে ৬০ হাজার শিক্ষকের পদ শূন্য’

montri

সময়ের কণ্ঠস্বর- “বর্তমানে সারা দেশে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে ৬০ হাজার ৬৯৮ জন শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার।

আজ সোমবার সকালে জাতীয় সংসদের একাদশতম অধিবেশনে সংসদ সদস্য আ খ ম জাহাঙ্গীর হোসাইনের টেবিলে উত্থাপিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

মন্ত্রী বলেন, “পিএসসির মাধ্যমে ৫০ শতাংশ প্রধান শিক্ষকের সরাসরি নিয়োগের জন্য সভা হয়েছে। বিষয়টির কার্যক্রম চলমান রয়েছে।” তিনি বলেন, “বিদ্যালয়বিহীন এলাকায় দেড় হাজার বিদ্যালয় স্থাপন প্রকল্পের আওতায় ৬৬৭টি বিদ্যালয়ে প্রতিটিতে একজন করে প্রধান শিক্ষক এবং সহকারী শিক্ষকের চারটি করে দুই হাজার ৬৬৮টি পদ সৃজন করা হয়েছে। কিন্তু এসব পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া আদালতের আদেশে স্থগিত রাখা হয়েছে। আবার প্রাক প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ তিন ধাপ সম্পন্ন হয়েছে।”

মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, “তিন ধাপে মোট ৩৫ হাজার ৪৩৭ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তবে যে সব শূন্য পদ রয়েছে সেগুলো মুক্তিযোদ্ধা কোটায় নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে। যদি এ কোটায় প্রার্থী না পাওয়া যায় তবে পদগুলো শূন্য থাকবে। এসব পদে শুধুমাত্র মুক্তিযোদ্ধা কোটায় প্রাপ্য প্রার্থীরা অনলাইনে আগামী ৩০ জুনের মধ্যে আবেদন করতে পারেন।” এ ছাড়া রেজিস্টার্ড বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহে শূন্য পদে নিয়োগের কার্যত্রম চলমান রয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।

সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য বেগম লুৎফা তাহেরের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ জানান, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে সংরক্ষতি রেকর্ড পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, ২০০১-২০০৬ পর্যন্ত সময়ে নিয়মিত নিয়োগপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের কোনো সন্তান জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চাকরিচ্যূত হননি।

এছাড়া, ১৯৯২ সালে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর থেকে ২০০১ সালের আগ পর্যন্ত ওই প্রতিষ্ঠানে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় কেউ নিয়োগ পায়নি। তবে বর্তমান সরকারের সময়ে প্রতিষ্ঠানটিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধা কোটা অনুসরণ করা হচ্ছে।