টিপসঃ এবার অবসরেই বাড়িয়ে ফেলুন মস্তিষ্কের তীক্ষ্ণতা !

( ভেরি ওয়েল ডট কম এ  প্রকাশিত বিশেষজ্ঞ দ্বারা পর্যবেক্ষিত ফিচার অবলম্বনে)

নিশীতা মিতু, লাইফ স্টাইল ফিচার এডিটর, সময়ের কণ্ঠস্বর

মস্তিষ্ক সতেজ এবং সচল রাখা আমাদের সবার জন্যই অতীব জরুরী বিষয়। সেই সাথে অবশ্যই আমরা চাই, মস্তিষ্কটা যেন তীক্ষ্ণ হয়। আজ আপনাদের পরিচয় করিয়ে দিব এমন কিছু মজার কাজের সাথে যার মাধ্যমে আপনি আপনার মস্তিষ্ক তীক্ষ্ণ রাখতে পারেন।

এসবের জন্য কিন্তু কোণ বাড়তি সময়ের দরকার নেই। বরং আপনার অবসর সময়কেই কাজে লাগাতে পারেন মস্তিষ্কের তীক্ষ্ণতা বাড়াতে।

vacation
শারীরিক ব্যায়ামঃ

প্রথমেই বলছি শারীরিক ব্যায়ামের কথা। আপনার মস্তিষ্ককে তীক্ষ্ণ রাখতে এটি অবশ্যই একটি দারুণ কাজ। বিভিন্ন ধরণের গবেষণায় এ কথা প্রমাণিত হয় যারা নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম করে তাদের দেহ ও মন সুস্থ থাকে। তাই আপনার মস্তিষ্ককে তীক্ষ্ণ রাখতে চাইলে প্রতিদিন কিছুটা হলেও শারীরিক ব্যায়াম করুন।

অন্য ভাষা শিখুনঃ

বিভিন্ন গবেষণার মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা এ কথা প্রমাণ করেন যে যারা নিজ ভাষা ছাড়াও অন্য ভাষায় দক্ষতা রাখে তাদের মস্তিষ্ক তলনামুলক বেশি তীক্ষ্ণ। অবসর সময় পেলে তাই অন্য ভাষা শেখার বইগুলো পড়ুন। দেখবেন, নতুন অনেক কিছু শেখার পাশাপাশি আপনার মস্তিষ্কের তীক্ষ্ণতাও বৃদ্ধি পাবে।

বাদ্যযন্ত্র নিয়ে সময় কাটানঃ

এক সময় পেলে পছন্দের বাদ্যযন্ত্র নিয়ে কিছুটা সময় কাটান। হোক সেটা মাউথ অর্গান কিংবা বাঁশি। রিসার্চে বলা হয় মস্তিষ্কে বলা বা লেখার চেয়ে আলাদা ভাবে মিউজিকের অংশ রয়েছে। অর্থাৎ, বাদ্যযন্ত্র নিয়ে সময় কাটানো হল মস্তিষ্ক তীক্ষ্ণ করার একটি মজার উপায়।

অতীত মনে করুনঃ

আপনার প্রিয় কোন বই আছে যা এক সময় খুব পড়তেন? কিংবা প্রিয় কবির প্রিয় কোন কবিতা। অবসর সময়ে স্মৃতি রোমন্থন করুন। বিজ্ঞানীরা বলেন, এভাবে অতীত মনে করা এক ধরণের মস্তিষ্কের ব্যায়াম। এটি আপনার মস্তিষ্কে আটকা থাকা কঠিন ব্যাপারকেও সহজ করে তুলে। তাই ব্যস্ততার ফাঁকে খানিকটা সময় পেলে অতীত মনে করুন। প্রিয় কবিতা আবৃতি করুন বা প্রিয় গান গেয়ে উঠুন।

পাজেল গেম খেলুনঃ

পত্রিকার পাতায় ছোটখাটো পাজল গেম দেয় আথাকে। অবসর সময়ে পাজল খেলুন। কিংবা শব্দজট খেলতে পারেন। নতুন জিনিস যেমন শিখবেন তেমনি মস্তিষ্কের তীক্ষ্ণতাও বৃদ্ধি পাবে।

হিসেব করুনঃ

অংকের হিসেব বা বাজারের হিসেব। যে কোন হিসেবই হোক না কেন গানিতিক হিসেব আপনার মস্তিষ্ককে সতেজ করে তোলে। তাই অবসরে গানিতিক হিসেব করুন। টাকা পয়সার হিসেব করুন। কাজ আগাবে আর তার সাথে মস্তিষ্কের ব্যায়ামও হবে।

ঘুরুন এবং ছবি তলুনঃ

কথায় বলে, একটি ছবি হাজার শব্দের প্রকাশ করে। একটু বড় ধরণের অবসর পেলে তাই ঘুরতে বের হন। ছবি তলুন। পরবর্তীতে যখন এই ছবিগুলো দেখবেন তখন মনের মাঝে একটা ভালোলাগা সৃষ্টি হবে আর তা আপনার মস্তিষ্ককে সতেজ রাখবে।

মস্তিষ্কের তীক্ষ্ণতা বৃদ্ধি করা কিন্তু কঠিন কিছু নয়। আপনার অবসর সময়কে কাজে লাগিয়েই বাড়িয়ে ফেলতে পারেন মস্তিষ্কের তীক্ষ্ণতা।