নদী দখল করে তোলা হচ্ছে বহুতল স্থাপনা

kalapara pic-03 (22-06-16) Tiakhali Nodi

জাহিদ রিপন, পটুয়াখালী প্রতিনিধি: কলাপাড়ায় একের পর এক নদী তীর দখল করে তোলা হচ্ছে স্থাপনা। স্থানীয় প্রভাবশালী মহল এভাবে স্থাপনা তোলায় নদীর পরিধি ছোট হয়ে বেদখল হয়ে যাচ্ছে। প্রশাসনের চোখের সামনে নদী দখল করে স্থাপনা তোলা হলেও অদৃশ্য কারনে ওই স্থাপনা অপসারনে কোন উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে না। ফলে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে জনমনে রয়েছে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া।

কলাপাড়ায় চাকামইয়া-টিয়াখালী দোন নদী দখল করে এবার বহুতল স্থাপনা তোলা হয়েছে। কেরামত হাওলাদার নামের এক ব্যক্তি এ স্থাপনা তুলছে। ভূমি অফিসের মাত্র আধা কিলোমিটার দুরে নতুন বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায় এ বহুতল স্থাপনাটি তোলা হচ্ছে। অথচ এটি অপসারনে কেউ কোন পদক্ষেপ নেয়নি। একই দশা আন্ধারমানিক নদীর। আমির ব্যাপারী নামের এক নব্য ধণাঢ্য ব্যবসায়ী পুরনো ল ঘাট সংলগ্ন মাছ বাজার এলাকায় নদীতীরসহ নদী দখল করে তুলছে স্থাপনা। কলাপাড়ার টিয়াখালী নদীতীরসহ নদী দখল করে স্থাপনা তোলা হয়েছে। নোমরহাট বাজার এলাকায় এমন স্থাপনা তোলার দৃশ্য রয়েছে।

বহু আগে বিশাল এলাকাজুড়ে নদীতীর এবং নদীসহ দখল করে এই স্থাপনা তোলা হচ্ছে। কিন্তু আজ অবধি কেউ এ স্থাপনা অপসারনে এগিয়ে আসেনি। স্থাপনাগুলো তোলায় জোয়ারের সময় নদীর ¯্রােতের গতিপথ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এমনিতেই দেশের সকল নদী প্রাকৃতিক কারনে মরে যাচ্ছে। তার উপরে জগদ্দল পাথরের মতো চেপে বসেছে দখলদারচক্র। নদীর দখল ঠেকাতে ভূমি প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ রয়েছে নীরব। সচেতন মহলের দাবি এখনই এই দখল তান্ডব ঠেকানো প্রয়োজন নইলে নদী দু’টির অস্তিত্ব সঙ্কটে পড়বে। একসময় অন্যান্য ব্যবসায়ীরাও নদী দখল করে স্থাপনা তোলার কাজ শুরু করে দিবেন।

এব্যাপারে সহকারী কমিশনার (ভূমি) দীপক কুমার রায় জানান, নদীর অবৈধ দখলদার উচ্ছেদে শীঘ্রই অভিযান চালানো হবে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ মাসুদ হাসান পাটোয়ারী জানান, দখলদারদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।