জাতীয় টেলিযোগাযোগ নীতিমালার খসড়া অনুমোদন

সময়ের কণ্ঠস্বর – জাতীয় টেলিযোগাযোগ নীতিমালা, ২০১৬ এর খসড়া অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সোমবার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়।

বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম এ তথ্য জানান।

প্রণীত নীতিমালা ১৯৯৮ সালের জাতীয় টেলিযোগাযোগ নীতিমালা প্রতিস্থাপন করবে জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, টেলিযোগাযোগ নীতিমালা-১৯৯৮, জাতীয় আইসিটি নীতিমালা-২০১৫, জাতীয় ব্রডব্যান্ড নীতিমালা-২০০৯ এবং আন্তর্জাতিক দূরপাল্লার টেলিযোগাযোগ নীতি-২০১০- সবগুলোকে সমন্বিত করে একটা নীতিমালা করা হয়েছে।

pm-hasina-telicomজাতীয় টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যসমাত্রা অর্জন ও বৈশ্বিক জ্ঞানভিত্তিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে বাংলাদেশকে সম্পৃক্ত করার উদ্দেশ্য সামনে রেখে ১০ বছরের জন্য প্রাথমিকভাবে এ নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে। নীতিমালায় স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা ধরা হয়েছে বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব। স্বল্প মেয়াদে ২০১৮ সালের মধ্যে ছয়টি লক্ষ্য: টেলিডেনসিটি বা টেলিঘনত্ব ৮০ শতাংশ থেকে ৯০ শতাংশ করার টার্গেট ধরা হয়েছে। ইন্টারনেটের বিস্তার ৩৪ থেকে বাড়িয়ে ৪৫ শতাংশ, ফিক্সড ব্রডব্যান্ডের বিস্তার ৭ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২০ শতাংশে উন্নীতকরণ এবং সব জেলা-উপজেলা সদর ও দুই হাজার ইউনিয়নে অপটিক্যাল ফাইবার সংযোগ বিস্তৃতকরণ।

এ ছাড়া সব উপজেলা সদরে উচ্চগতির তারহীন ব্রডব্যান্ড সেবা বিস্তৃতকরণ ও ডিজিটাল সম্প্রচার চালু করা। ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যমেয়াদী টার্গেট: শতভাগ টেলিঘনত্ব অর্জন অর্থাৎ, সব নাগরিকের হাতে টেলিফোন থাকবে। ইন্টারনেটের বিস্তার ৬৫ শতাংশ ও ব্রডব্যান্ডের বিস্তার ৪০ শতাংশে উন্নীতকরণ, সব ইউনিয়নে অপটিক্যাল ফাইবারের মাধ্যমে যুক্তকরণ, সব ইউনিয়ন পর্যায়ে উচ্চগতির তারহীন ব্রডব্যান্ড সেবা বিস্তৃতকরণ, ২০ শতাংশ বাসস্থান ও প্রতিষ্ঠানে উচ্চগতির অপটিক্যাল ফাইবার নেটওয়ার্কের আওতায় নিয়ে আসা।