সুন্দরগঞ্জে জাতীয় পার্টির ইফতার মাহফিল

গাইবান্ধা থেকে আঃ খালেক মন্ডলঃ
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় সাবেক এমপি কর্নেল (অবঃ) ডা. আব্দুল কাদের খানের আমন্ত্রণে গত রোববার তাঁর বাসভবনে এক ইফতার মাহ্ফিলের আয়োজন করা হয়।

jatiy-partyজাতীয় পার্টির ১৫ টি ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের নিয়ে অনুষ্ঠিত এ ইফতার মাহ্ফিলে উপস্থিত ছিলেন-জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান সাবেক এমপি কর্নেল (অবঃ) ডা. আব্দুল কাদের খান। ইফতাকর পূর্ব আলোচনায় বক্তব্য রাখেন-শ্রীপুর ইউনিয়ন জাতীয় পার্টির সভাপতি সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান-নজরুল ইসলাম রাজা, শান্তিরাম ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান-আব্দুল মজিদ মিয়া, বাজারপাড়া কারিগরি কলেজের অধ্যক্ষ খায়রুল ইসলাম, ইউপি সদস্য-খায়রুল ইসলাম, সাবেক ইউপি সদস্য-আবুল বাসার, জাপা নেতা-আনোয়ার হোসেন মন্ডল, ইউপি সদস্য মনোয়ার সরকার, ইউপি সদস্য ইদ্রিস আলী প্রমূখ। ৫ শতাধিক নেতাকর্মী ইফতার মাহ্ফিলে উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা শেষে এক বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

সুন্দরগঞ্জে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে চিকিৎসা সেবা

gaibandha hospitalগাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হচ্ছে।
জানা গেছে, উপজেলার ১৫ ইউনিয়ন ও পৌর এলাকার ৬ লক্ষাধিক মানুষের উন্নত চিকিৎসা সেবা গ্রহণের একমাত্র অবলম্বন সুন্দরগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি। উক্ত স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি থেকে উন্নত চিকিৎসা সেবা প্রদানের লক্ষ্যে ৩১ শয্যা থেকে ৫০ শয্যায় উন্নিত করা হলেও তা আজও চালু হয়নি। এদিকে ৩১ শয্যা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে কর্মরত চিকিৎসকরা পালাক্রমে দায়িত্ব পালন করলেও চিকিৎসার মান উন্নয়ন হচ্ছে না।

কমপ্লেক্সটির প্রতিটি ওয়ার্ডে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ বিরাজ করায় ভর্তিকৃত রোগীরা সেবার মান নিয়ে কথা তুলছেন। লক্ষ্য করা গেছে পুরুষ ও মহিলা ওয়ার্ডে ভর্তিকৃত রোগীদের জন্য বরাদ্দকৃত বেডে বেড শীট, বালিশ ও মশারি চোখে পড়ছে না। বেডগুলি থেকে যেন দুর্গন্ধ ছড়ানোর কারণে রোগীরা বাড়ি থেকে বেড শীট, বালিশ ও মশারি নিয়ে এসে ব্যবহার করছেন। এছাড়া ভ্যাপসা গরমের এ দুর্ষহ সময়ে বৈদ্যতিক পাখাগুলো বিকল হয়ে পড়ায় ভর্তিকৃত রোগীরা অসহনীয় গরমে ছটফট করছেন। বাথরুমগুলোর নোংরা পরিবেশ ও পানি না থাকায় তা ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়ে আছে। বর্হিঃ বিভাগে দায়িত্বরত মেডিকেল অফিসারেরা রোগীদের ব্যবস্থাপত্র দিলেও ফার্মাসিস্টের দায়িত্বপালন করছেন আব্দুল জলিল নামের একজন রিক্সা চালক

। এ নিয়ে স্বাস্থ্য ও পঃপঃ কর্মকর্তা ডা.আব্দুর রশিদ মৃধার সাথে কথা হলে তিনি জানান, সরকারিভাবে ধোপা না থাকায় ও কর্মরতদের অবহেলার কারণে ওয়ার্ডগুলোর এমন দুরাবস্থা। তবে এ থেকে উত্তরণের চেষ্টা করা হচ্ছে। অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, দায়িত্বরত ফার্মাসিস্ট জাহাঙ্গীর আলমের অনুপস্থিতির কারণে রিক্সা চালক আব্দুল জলিল অবসর সময়ে ফার্মাসিস্টের দায়িত্ব পালন করছেন।

গাইবান্ধায় ঈদের কেনাকাটা জমে উঠেছে

গাইবান্ধার সাত উপজেলায় জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা। দোকানদারা ক্রেতাদের আকর্ষণ করানোর জন্য সবধরণের বাহারী পোষাক দোকানে রেখেছে। বিশেষ করে শহরের মার্কেটেই এখন ক্রেতাদের উপচে পড়া ভীড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। দাম একটু বেশি হলেও পছন্দ মত কাপড় কিনতে পেয়ে ক্রেতারা অনেক খুশি এবং বিক্রেতারাও আশানুরূপ বিক্রি করতে পেরে আনন্দ প্রকাশ করছে।

আর মাত্র কয়েকদিন পরেই ইদুল ফিতর। ঈদ যতই কাছে আসছে, ততই যেন ঈদের কেনাকাটা বাড়ছে। গাইবান্ধা জেলা শহরের সালিমার সুপার মার্কেট, তরফদার ম্যানশন, মিনাবাজার, ইসলাম প্লাজা, পৌর মার্কেট, প্রাণগোবিন্দ প্লাজাসহ সব কয়টি মার্কেটে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভীড় দেখা যাচ্ছে। সারাদিন প্রচন্ড গরম থাকায় দিনের বেলায় ভীর কম থাকলেও রাতে শহরের মার্কেট গুলোতে ক্রেতারা ভীঢ় করছেন বেশি। থ্রি পিচ, শাড়ি, জামা-কাপড়, শার্ট-প্যান্ট-পাঞ্জাবী, জুতা-স্যান্ডেলের দোকানে প্রচুর ভীড়। বাদ যায়নি কসমেটিকের দোকানেও। দর্জিরা এখন অনেক ব্যস্ত। কাজের চাপে অনেক দর্জি অর্ডার নেয়া বন্ধ করে দিয়েছেন। তবে রেডিমেট কাপড়ের দোকানগুলোতেই গভীর রাত পর্যন্ত বিক্রি চলছে। ঈদের রাত পর্যন্ত এভাবে বিক্রি চলবে বলে বিক্রেতারা আশা করছেন।

এবারের ঈদে বাজারে স্থান করে নিয়েছে চায়না, ইন্ডিয়ান, পাকিস্তানী শাড়ী, কাপড় ও থ্রী পিস। তবে এই সব শাড়ী কাপড়ের দাম নি¤œ আয়ের লোকদের নাগালের বাইরে থাকায় তাদের একমাত্র ভরসা দেশী ও গাউন কাপড়। শহরের কাচারীবাজার কাপড় পট্টিতে কয়েকটি দোকানের মালিক-কর্মচারী জানান, দুই দিন থেকে মহিলা ক্রেতাদের ভিড় লক্ষ্যনীয়। ইন্ডিয়ান, চায়না, পাকিস্তানি গজ কাপড়, ছিট কাপড়, থ্রি-পিস, লোন, বাটিক, কাশ্মিরী, জর্জেট, অরগ্যান্ডি, নেট কাপড়, রাবেয়া, লিলেন জাতীয় বিভিন্ন ডিজাইনের কাপড় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া দেশী পপলিন, ভয়েল কাপড়ও বিক্রি হচ্ছে। তবে দামও গতবারের চেয়ে একটু বেশি। ছবি সংযুক্ত

সুন্দরগঞ্জে বাল্য বিয়ে প্রতিরোধে মানববন্ধন

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে ব্র্যাক’র সামাজিক ক্ষমতায়ন কর্মসূচীর উদ্যোগে বাল্য বিয়ে প্রতিরোধে মানববন্ধন ও আলোচনা সভানুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার দুপুরে উপজেলার শিবরাম আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়’র (জাতীয় শ্রেষ্ঠ) সামনে উক্ত কর্মসূচী কর্তৃক পরিচালিত সোনারায় ইউনিয়ন পল্লী সমাজ সংগঠনের মাধ্যমে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়। পরে ইউনিয়ন পল্লী সমাজের সভা প্রধান মরিয়ম বেগমের সভাপতিত্বে উক্ত ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে আলোচনা সভানুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন- সোনারায় ইউপি চেয়ারম্যান- সৈয়দ বদিরুল আহসান সেলিম। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- ব্র্যাকের সামাজিক ক্ষমতায়ন কর্মসূচির গাইবান্ধা জেলা সিনিয়র ব্যবস্থাপক- আঃ রশিদ, উপজেলা সংগঠক- সাধনা রানী সরকার, সুন্দরগঞ্জ রিপোর্টার্স ক্লাব ও বিএমএসএফ’র সভাপতি- বিশিষ্ট সাংবাদিক আবু বক্কর সিদ্দিক। ইউনিয়ন পরিষদের সচিব- আব্দুল কাদের, ইউপি সদস্য- আব্দুর রাজ্জাক প্রমুখ।

মারপিটের শিকার : এক নারী হাসপাতালে সাদুল্যাপুরে পরাজিত মেম্বার প্রার্থী রওজা প্রামাণিকের হুমকিতে চরম আতঙ্কে এক গ্রামের সংখ্যালঘু পরিবাররা

গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর উপজেলায় পরাজিত মেম্বার প্রার্থী মো. রওজা প্রামাণিকের অব্যহত ভয়ভীতিসহ হুমকিতে এক গ্রামের হিন্দু সম্প্রদায়ের সংখ্যালঘু (মাঝি) অন্তত ৩৫ পরিবারের লোকজন চরম আতষ্কে ও জীবনের নিরাপত্তহীনতায় ভূগছেন। ফলে এসব পরিবারের অনেকে ভয় ও আতঙ্কে বাড়ি থেকে বের হতে পারছেন না। যেতে পারছেন না হাট-বাজারেও।

এরমধ্যে গত ২৬ জুন সন্ধ্যায় পরাজিত মেম্বার প্রার্থী রওজা প্রামাণিক সংখ্যালঘু পরিবারের শ্রীমতি শেফালি রানী (৩৮) নামে এক নারীকে মারপিট করে আহত করেন। বর্তমানে শ্রীমতি শেফালি রানী সাদুল্যাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপে¬ক্সে চিকিৎসাধীন।
ঘটনাটি সাদুল্যাপুর উপজেলার ৮নং ভাতগ্রাম ইউনিয়নের টিয়াগাছা (চালনদহ মাঝিপাড়া) গ্রামের। গত ৭ মে অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের পর থেকে এভাবে চরম আতঙ্কে ও নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছেন গ্রামের ৩৫ পরিবারের নারী-পুরুষ। এ ঘটনা থেকে পরিত্রান পেতে এলাকার সংখ্যালঘু পরিবারের নারী-পুরুষ সাদুল্যাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ পুলিশ কর্মকর্তাসহ সংশি¬ষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

আতঙ্কে থাকা সংখ্যালঘু পরিবারের লোকজন সোমবার দুপুরে স্থানীয় সাংবাদিকদের জানান, চতুর্থ ধাপের নির্বাচনে ৮নং ভাতগ্রাম ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডে সদস্য (মেম্বার) পদে ভোট করে পরাজিত হন রওজা প্রামাণিক। পরাজিত হওয়ার পর থেকে রওজা প্রামাণিক গ্রামের লোকজনকে ভয়ভীতিসহ হুমকি-ধামকি দিয়ে আসছেন। অব্যহত হুমকির কারণে ভয় ও আতঙ্কে বাড়ি থেকে বের হতে পারছেন না অনেকে। এমনকি বাড়ির সামনে হাঁটা চলা ও হাট-বাজারেও যেতে পারছেন না অনেকে।

টিয়াগাছা (চালনদহ মাঝিপাড়া) গ্রামের কার্তিক চন্দ্র দাস জানান, গ্রামের বসবাসরত ৩৫ পরিবারের লোকজন পেশায় মৎসজীবি। মাছ ধরে হাট-বাজারে বিক্রি করে জীবিকা চলে। ভোটে রওজা প্রামাণিক পরাজিত হলে বিভিন্ন সময়ে গ্রামের সংখ্যালঘু (মাঝি) পরিবারের লোকজনকে হুমকি দিচ্ছেন। এমনকি সুযোগ মতো অনেকের উপর নির্যাতন চালাচ্ছেন। তার ভয়ে ও আতষ্কে বাড়িতে ঠিকভাবে বসবাস করতে পারছেন না এসব পরিবারের লোকজন।
গ্রামের নরেশ চন্দ্র জানান, রওজা প্রামাণিক তার বসতবাড়িতে হামলা চালিয়ে স্ত্রীকে মারপিট করে শ্লীলতাহানি ঘটায়। এতে শেফালী রানী গুরুত্বর আহত হয়ে হাসপাতালে রয়েছেন। এ ঘটনায় তিনি সাদুল্যাপুর থানায় রওজা ও তার স্ত্রী মিরা বেগমকে আসামী করে থানায় মামলা করেছেন। মামলার করারও পরেও তাকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছেন রওজা প্রামাণিক।

সাদুল্যাপুর উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শ্রী প্রভাত চন্দ্র অধিকারী জানান, ভোটে পরাজিত হওয়ার কারণে রওজা প্রামাণিক গ্রামের সংখ্যালঘু (মাঝি) পরিবার আতঙ্কে ও অবরুদ্ধ অবস্থায় জীবন যাপন করছেন। অনেকে তার ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। তাছাড়া এসব পরিবারের লোকজনকে দেশ ত্যাগেরও হুমকি দিচ্ছেন রওজা প্রামাণিক।

সাদুল্যাপুর থানার সেকেন্ড অফিসার মো. মাহাবুব আলম জানান, শেফালি রাণীকে মারপিটের ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। রওজা প্রামাণিককে গ্রেফতারে পুলিশ চেষ্টা চালাচ্ছে। এছাড়া হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনকে ভয়ভীতি ও হুমকি বিষয়টি অবগত হয়েছি। তবে কোন লিখিত অভিযোগ পায়নি। তবে যাতে তাদের হামলা ও নির্যাতন না হয় সে ব্যাপারে পুলিশ তৎপর রয়েছে।
তবে অভিযোগের বিষয়ে পরাজিত প্রার্থী রওজা প্রমাণিকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ছবি সংযুক্ত

সুন্দরগঞ্জে বোরো ধান সংগ্রহ অভিযান  চলছে : গমের লক্ষ্য মাত্রা অর্জিত

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের ২টি খাদ্য গুদামে সরকারিভাবে বোরো ধান সংগ্রহ অভিযান চলছে। জানা যায়, এ বছর সুন্দরগঞ্জ খাদ্য গুদামে ২ হাজার ৬শ ৬৯ ও বামনডাঙ্গায় ১ হাজার ১শ ৪০ মেট্রিক টন বোরো ধান সংগ্রহের লক্ষ্য মাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত ২৫ জুন আনুষ্ঠানিক ভাবে প্রতি মণ ৯শ ২০ টাকা দরে ধান সংগ্রহ অভিযানের উদ্বোধন করা হয়েছে। যা ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত নির্ধারীত সময়ের মধ্যে লক্ষ্য মাত্র অর্জিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আঃ জলিল মন্ডল। তিনি আরো বলেন, গত ২০ মে খাদ্য গুদাম ২টিতে প্রতিমণ গম ১হাজার ১শ ২০ টাকা দরে সংগ্রহ ৪শ ৬৪ মেট্রিক টন গম সংগ্রম অভিযানের উদ্বোধন করা হয়। যা ৭ জুন পর্যন্ত নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়েছে। এরমধ্যে সুন্দরগঞ্জ খাদ্য গুদামে ৩শ ৭০ ও বামনডাঙ্গায় ৯৪ মেট্রিক টন লক্ষ্য মাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। এদিকে, সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ধান, গম সংগ্রহের স্থলে নানান অপকৌশলে এসব গম ও ধান সংগ্রহ করা হচ্ছে বলে সাধারণ কৃষকদের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে বলে জানা গেছে।