‘সরকারের দৃঢ় সিদ্ধান্তের ফলে নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু’

hasina

সময়ের কণ্ঠস্বর- সরকারের সাহসী নেতৃত্ব ও দৃঢ় সিদ্ধান্তের ফলে নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু করা সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ২০১৮ সাল নাগাদ এ সেতু যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া সম্ভব হবে।

স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুস্তম আলী ফরাজীর প্রশ্নের জবাবে বুধবার জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়ার সভাপতিত্বে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তরসহ সব প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়।

সংসদ সদস্য সামশুল হক চৌধুরীর টেবিলে উত্থাপিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দা এবং বাংলাদেশের প্রধানতম শ্রমবাজার মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার রাজনৈতিক অস্থিরতা সত্ত্বেও সরকারের ঐকান্তিক প্রয়াসের ফলে দেশে ও বিদেশে মিলে গত সাত বছরে প্রায় ১০ কোটি ৬৫ লাখ নতুন কর্মসংস্থান হয়েছে। এত কর্মসংস্থান অতীতে আর কখনো হয়নি।

শেখ হাসিনা বলেন, বর্তমান সরকার যেহেতু রূপকল্প-২০২১ সামনে রেখে অগ্রসর হচ্ছে, সে কারণে তার দৃষ্টি কেবল এক বছরে সীমাবদ্ধ নয়। আওয়ামী লীগ ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উচ্চমধ্যম আয়ের দেশ পেরিয়ে একটি শান্তিপূর্ণ সমৃদ্ধ, সুখী এবং উন্নত জনপদে পরিণত করার ব্যাপারে দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ। ‘এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ’ শীর্ষক নির্বাচনী ইশতেহারে ২০১৪-তে দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে বিশ্বের প্রথম সারির উন্নত দেশগুলোর সমপর্যায়ে উন্নীত করার রূপরেখা অঙ্কিত হয়েছে।

তরিকত ফেডারেশনের এম এ আউয়ালের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সব ধরনের নাশকতা-সহিংসতায় জড়িত ও হুকুমদাতাদের আইনের আওতায় আনতে এবং তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পারস্পারিক সমন্বয়ের মাধ্যমে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।’

সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য আখতার জাহানের প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, ‘দেশের বিভিন্ন স্থানে নাশকতা বা সন্ত্রাসী হামলা সংক্রান্ত মামলার রহস্য উদঘাটনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সফলতার পরিচয় দিয়েছে। ফলে জনগণের মাঝে আস্থার পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।’