অগ্রণী ব্যাংকের তিন কর্মকর্তার রিমান্ড চায় দুদক

১:৪৮ অপরাহ্ণ | শুক্রবার, জুলাই ১, ২০১৬ জাতীয়

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মিথ্যা তথ্যের ওপর ভিত্তি করে মুন গ্রুপকে ১০৮ কোটি টাকা ঋণ দেওয়ার মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া অগ্রণী ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) মিজানুর রহমান খানসহ ব্যাংকের তিন কর্মকর্তার সাত দিন রিমান্ড চেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপপরিচালক বেনজীর আহমেদ আজ শুক্রবার আসামিদের আদালতে হাজির করে সাত দিন রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেন। আজই ঢাকার মহানগর হাকিম খুরশিদ আলমের আদালতে এ বিষয়ে শুনানি হবে।

ব্যাংকের অপর দুই কর্মকর্তা হলেন অগ্রণী ব্যাংকের উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) মো. আখতারুল আলম ও সহকারী মহাব্যবস্থাপক মো. শফিউল্লাহ। গতকাল বৃহস্পতিবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) মিজানুর রহমান খানকে ব্যাংকের অতিরিক্ত দায়িত্বের এমডি নিয়োগ করে।

dudokমামলার এজাহারে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে নিজেরা লাভবান হয়ে এবং অন্যদের লাভবান করে প্রতারণা, ক্ষমতার অপব্যবহার ও অপরাধজনক বিশ্বাস ভঙ্গ করেছেন। রাজধানীর কল্যাণপুর বাসস্ট্যান্ড-সংলগ্ন ৫৫৫ নম্বর প্লটে মিজানুর রহমানের বৈধ মালিকানা ছিল না। মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে জমির মালিক শেখ মো. জয়নাল আবেদীন ও আমমোক্তারনামা সূত্রে দাবিদার তাঁর ছেলে শেখ মো. আবদুল গণির মামলা এখনো চলমান।

রাজউক অনুমোদিত বৈধ নকশাও ছিল না। বিতর্কিত ওই জমিতে নির্মাণাধীন একটি ভবনের অস্বাভাবিক নির্মাণ ব্যয় ও আয় দেখিয়ে মিথ্যা তথ্যের ওপর ভিত্তি করে মুন গ্রুপকে ১০৮ কোটি টাকা ঋণ দেয় ব্যাংক। মঞ্জুর হওয়া ঋণ থেকে পর্যায়ক্রমে ৯৪ কোটি ৮০ লাখ টাকা তুলে নিয়ে ব্যাংক তথা রাষ্ট্রের ওই পরিমাণ অর্থ তাঁরা আত্মসাৎ করেন।