চারঘাটে ভারতীয় গরু আমদানীতে ব্যাপক দূর্নীতির অভিযোগ

২:১৫ অপরাহ্ণ | শুক্রবার, জুলাই ১, ২০১৬ দেশের খবর, রাজশাহী

রাজশাহী প্রতিনধিঃ
রাজশাহী চারঘাট উপজেলায় ভারতীয় গরু আমদানীতে দূর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। আসন্ন ঈদ-উল- ফিতরকে সামনে রেখে ভারতীয় গরুর অমদানী ব্যাপকহারে বৃদ্ধি পেয়েছে। জেলার বিভিন্ন পয়েন্টের মত চারঘাট উপজেলার ইউসুফপুর বি ও পি ক্যাম্পের মাদ্যমে গরু আমদানী চলছে। উপজেলার স্থায়ী বাসিন্দাদের মাংস চাহিদা পূরন তথা বিভিন্ন জেলারও গরুর মাংস চাহিদার লক্ষে এই গরুর আমদানী বলে জানান, ইউসুফপুর বিওপি হাবিলদার আব্দুল হাদী (ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার)। তিনি আরো বলেন দেশি গরুর চেয়ে ভারতীয় গরুর মূল্য কম থাকায় গরু ব্যবসায়ী এবং মাংস অভাব পুরনে বেশ সহযোগিতা হচ্ছে ।

indexবর্তমান ৫শত টাকা প্রতি কেজি মাংস সর্ব সাধারনের কাছে র্স্বণ ক্রয় সমতুল্য। প্রসঙ্গত,গরু আমদানী কেন্দ্র করে আনিত অভিযোগ সর্ম্পূন ভিত্তিহীন, দূর্নীতি বা অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি এবং ভবিষৎতের জন্য সর্বদা তৎপর আছে বলে বিওপি স্থানীয় কমান্ডার বলেন। এবিষয়ে ইউসুফপুর ঘাটের টেন্ডার প্রাপ্ত ইউসুফপুর পশ্চিম পাড়ার শফিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের সাক্ষাতকালে জানায়, ইউসুফর গরুর ঘাট ১৯৯৪সাল থেকে টেন্ডারের মাধ্যমে নিষ্ঠার সহিত কাজ করে আসছি এবং যথারীতি সরকারকে ভ্যাট-ট্যাক্স জমা দিযে থাকি। কিন্ত প্রতক্ষদর্শীরা বলছেন তার বিপরীত, জেলার মতিহার থানাধীন খানপুর এবং পদ্মা নদীতে নৌকার সাহায্যে ভারত থেকে গরু চোরাচালানের মাধ্যমে ইউসুফপুর ঘাটে উঠছে। কিছু ভ্যাট-ট্যাক্স সরকারী কোষাগারে জমা হলেও সিংহভাগ বিওপি এবং স্থানীয়দের উৎকোচ দিয়ে দূর্নীতি করছে।

আর সংশ্লিষ্ট প্রশাসন নীরব ভুমিকার প্রমান বহন করলো চারঘাট শুল্ক করিডোর। গতকাল শুক্রবার সকাল ১১.২৮টার সময় শুল্ক করিডোর রাজস্ব কর্মকর্তার কার্যালয়ে গেলে তা নিয়ম মাফিক বন্ধ থাকলেও কাগজ-কলমে ছোট বড় ২২টি গরুর শুল্ক হয়েছে। সরকারী ছুটির দিনে ভারত থেকে আসা ২২টি গরুর শুল্ক কোরিডোরের মুল কপিতে রাজস্ব কর্মকর্ত তাপস কুমার সাহার স্বক্ষরীত সিল-মহর থাকলেও উপস্থিত নেই কর্মকর্ত। তবে দিন-মুজুর বা বর্তমান এই শুল্ক করিডোরের কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করছে আজাদ। দিন-মুজুর আজাদ বিষয়টি ধামা-চাপা দেয়ার চেষ্টার এক পর্যায় বলে সিপাই আরিফ এই অফিসের বর্তমান দ্বায়িত্ব পালন করছেন কিন্ত তারও উপস্থিতি পাওয়া যায়নি। চারঘাট শুল্ক করিডোর রাজস্ব কর্মকর্তা তাপস এবং সিপাই আরিফ সাথে যোগাযোগ করার চেষ্ঠা করলে আজাদ জানায় স্যারদের নাম্বার বা তাদের ঠিকানা দেয়া নিষেদ আছে বলে জানায়।

Loading...