মেডিকেল কলেজে চেকআপের নামে যুবতীকে ধর্ষণের ঘটনায় কুমিল্লায় তোলপাড়!

rape


রবিউল হোসেন,কুমিল্লা প্রতিনিধি:

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চেকআপের নামে এক যুবতীকে অচেতন করে ধর্ষণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় কুমিল্লায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। আজ বুধবার সন্ধ্যায় পর ঘটনাটি জানাজানি হলে তা কুমিল্লায় টক অব দ্যা টাউনে পরিণত হয়। এ ঘটনায় হাসপাতালের কোনো স্টাফ জড়িত কিনা তা খতিয়ে দেখছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

জানা গেছে, ইপিজেডে চাকরি দেয়ার প্রলোভন দিয়ে মেডিকেল চেকআপ করানোর কথা বলে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চতুর্থ তলার একটি কক্ষে নিয়ে ঐ যুবতীেক ধর্ষণ করা হয় । আজ বুধবার সন্ধ্যায় বিষয়টি জানাজানির পর গণমাধ্যম কর্মীরা হাসপাতালে গেলে ওই যুবতী তার ওপর পাশবিক নির্যাতনের চিত্র তুলে ধরেন। গত ১৮ জুলাই এ ঘটনা ঘটলেও এখনো ওই যুবতী কুমেকের গাইনি ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন।

যৌন নির্যাতনের শিকার ওই যুবতী জানান, তার গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার বরুড়া উপজেলায়। কুমিল্লা নগরীর ঠাকুরপাড়া বিসমিল্লাহ তোয়ালে কারখানার শ্রমিক হিসেবে তিনি কাজ করতেন। গত জুন মাসে ওই কোম্পানি থেকে চাকরি ছেড়ে ১৮ জুলাই সকালে নতুন চাকরির খোঁজে কুমিল্লা ইপিজেডের সামনে যায়। সেখানে এক ব্যক্তি (৫০) তাকে ইপিজেডে চাকরি দেয়ার কথা জানায় এবং ওই ব্যক্তি ইপিজেডের ব্রেন্ডিক্স কোম্পানির ইনচার্জ হিসেবে তার কাছে পরিচয় দেয়।

পরে তাকে চাকরিতে যোগদানের জন্য মেডিকেল চেকআপ করার কথা বললে তিনি রাজি হন। এরপর তাকে নিয়ে যাওয়া হয় কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চতুর্থ তলায়। সেখানে একটি কক্ষে নিয়ে তাকে অচেতন করে ধর্ষণ করা হয়।

তবে কতজন তাকে ধর্ষণ করেছে কিংবা হাসপাতালের কোনো স্টাফ জড়িত ছিল কি না তা তিনি জানাতে পারেননি। পরে অচেতন অবস্থায় হাসপাতালের কর্মচারীরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালের তৃতীয় তলায় গাইনি ওয়ার্ডে ভর্তি করেন।

বুধবার রাতে কুমেকের ওয়ার্ড মাস্টার মনিরুজ্জামান জানান, মেয়েটিকে ধর্ষণ করা হয়েছে, তবে ধর্ষণের সঙ্গে হাসপাতালের কেউ জড়িত কিনা তা নিশ্চিত বলা যাচ্ছে না।

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক স্বপন কুমার অধিকারী বলেন, ‘একটি মেয়েকে হাসপাতালের চতুর্থ তলায় ধর্ষণ করা হয়েছে বলে জানতে পেরেছি, তবে তাকে কে ধর্ষণ করেছে, হাসপাতালের কেউ জড়িত কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘হাসপাতালে ডিউটিরত পুলিশকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। মেয়েটি পুরোপুরি সুস্থ হলে এ বিষয়ে আরো তথ্য জানা যাবে।’

রাতে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুর রব জানান, এ বিষয়ে এখনো কেউ থানায় লিখিত অভিযোগ করেনি, অভিযোগ পেে