সংবাদ শিরোনাম
নোবিপ্রবি’তে ‘বিশ্ব ডিএনএ দিবস’ পালিত! | গরমে ভোগান্তি চরমে, শুক্রবার আরও বাড়তে পারে তাপমাত্রা! | নোবিপ্রবিতে ২য় আন্তর্জাতিক ফিসারিজ শীর্ষক সিম্পোজিয়াম অনুষ্ঠিত | ‘একটি ছবি তোলার জন্য অনেক সময় জীবনের ঝুঁকি নিতে হয়’- তথ্যমন্ত্রী | আমতলীতে জমিজমার বিরোধকে কেন্দ্র করে এইচএসসি পরীক্ষার্থীকে মারধর | জন্মদিন ভুলে যাওয়ায় বাবা-মায়ের সঙ্গে অভিমান করে শিক্ষিকার আত্মহত্যা! | শপথ পড়লেন আমতলী উপজেলা পরিষদের নবনির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা | হবিগঞ্জ বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন | ধান ফলায় কৃষক, মুনাফা লুটে মজুতদার ও মধ্যস্বত্ত্বভোগীরা! | কক্সবাজারে বিল বকেয়া থাকার অভিযোগে কয়েকটি মসজিদে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন |
  • আজ ১২ই বৈশাখ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

টাঙ্গাইলে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ঔষুধ সঙ্কট : রোগীরা চরম দুর্ভোগে

৪:৫৩ অপরাহ্ণ | রবিবার, জুলাই ২৪, ২০১৬ ঢাকা, দেশের খবর

অন্তু দাস হৃদয়, টাঙ্গাইল প্রতিনিধি: টাঙ্গাইল বাসাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দেখা দিয়েছে ঔষুধ সঙ্কট। গত ১৫ দিন ধরে রোগীদের শুধু প্যারাসিটামল দেয়া হচ্ছে। এতে প্রতিদিন অন্তত দুদশতাধিক রোগীকে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

sastho

বিভিন্ন অসুখের জন্য চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের অভিযোগ, শরীর ব্যথা, কান পঁচা, ডায়রিয়া, পেটের সমস্যা সহ সর্বরোগের চিকিৎসার জন্য শুধু দেয়া হচ্ছে প্যারাসিটালম, আয়রন ট্যাবলেট ও এন্টাসিড।

অন্যান্য সকল চিকিৎসার প্রেসক্রিপসন লিখে দেয়া হচ্ছে এবং বাজারের ঔষুধের দোকান থেকে কেনার জন্য পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। বাসাইল উপজেলার কাশিল ইউনিয়নের নাকাছিম গ্রাম থেকে ঔষুধ নিতে আসা মোর্শেদা আক্তার বলেন, আমার হাতে প্রচুর ব্যথা। এ কারণে এসেছিলাম হাসপাতালে। এ চিকিৎসার জন্য হাসপাতাল থেকে শুধু প্যারাসিটামল দেয়া হয়েছে। আর ডাক্তার কয়েকটি ঔষুধের প্রেসক্রিপসন লিখে দিয়েছেন। বাসাইল উপজেলার কাঞ্চনপুর ইউনিয়নের আদাজান গ্রাম থেকে চোখে ব্যথা নিয়ে আসা হাজিরা বেগম জানান, তাকেও চিকিৎসার জন্য দেয়া হয়েছে প্যারাসিটামল ও প্রেসক্রিপসন। বাসাইল পৌর শহর থেকে আসা তুলি আক্তারের ভাগে পড়েছে আয়রন ট্যাবলেট। ডাক্তারের দেয়া প্রেসক্রিপসন হাতে নিয়ে তিনি প্রতিবেদকের কাছে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হাসপাতালের এক কর্মকর্তা জানান, প্রায় ১৫ দিন ধরে হাসপাতালে প্যারাসিটামল, আয়রন ট্যাবলেট ও এন্টাসিড ছাড়া অন্য কোনো ঔষুধ নেই। মূলত স্টোর কিপারের গাফিলতির কারণেই ঔষুধের এ সঙ্কট পড়েছে বলে তিনি মনে করেন।

ঔষুধ সংকটের বিষয়ে হাসপাতালের স্টোর কিপার সোহেল সময়ের কন্ঠস্বর’কে বলেন, স্টোর রুমে জায়গার সংকুলান না হওয়ায় পর্যাপ্ত ঔষুধ আনা যাচ্ছে না। তবে অতি দ্রুতই প্রয়োজনীয় সকল ঔষুধ আনার সম্ভাবনা রয়েছে।

এ ব্যাপারে বাসাইল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ শেফালী খাতুন অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করে সময়ের কন্ঠস্বর’কে বলেন, বর্ষার পানিতে কয়েকটি গ্রামের কমিউনিটি ক্লিনিক পানিতে ডুবে যাওয়াতে সেখানকার ঔষুধ হাসপাতালের স্টোর রুমে রাখা হয়েছে।

এ জন্য নতুন অর্থ বছরের বরাদ্দকৃত ঔষুধ এখনো আনা হয়নি। আর এ কারণেই ঔষুধের সঙ্কট পড়েছে।