সংবাদ শিরোনাম
মহানবী (সা:) কে নিয়ে কটুক্তি, কুড়িগ্রামে চরম উত্তেজনা | ইলিয়াস কাঞ্চনকে নিয়ে নিজের মন্তব্যের পক্ষে সাফাই গাইলেন শাজাহান খান | মোবাইল কিনলেই সাথে পেঁয়াজ ফ্রি! | পেঁয়াজ ছাড়া রান্না হলে আওয়ামী লীগ ছাড়াও দেশ চলবে: রাঙ্গা | নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম নিয়ন্ত্রনে সরকার সম্পূর্ণ ব্যর্থ | বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হচ্ছে: রাষ্ট্রপতি | হাসপাতালে চেয়ার না পেয়ে নিজের কাঁধেই বসালেন অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে! | সাপাহারে সীমান্ত দিয়ে ভারতে অনুপ্রবেশকালে ৩ যুবক আটক | সিরাজগঞ্জে আ.লীগ-বিএনপি সংঘর্ষ: বিএনপির ১৫৭ নেতাকর্মীর নামে মামলা | মির্জাপুরে একরাতে দুই নারী ও এক শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা |
  • আজ ২৪শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

কলাপাড়ায় জেলা প্রশাসনের সরকারি জমি দখল করে তোলা হচ্ছে অবৈধ স্থাপনা

৬:১৭ অপরাহ্ণ | রবিবার, জুলাই ২৪, ২০১৬ ঢাকা, দেশের খবর

জাহিদ রিপন, পটুয়াখালী প্রতিনিধি: কলাপাড়ার বালিয়াতলী ইউনিয়নের ছোট বালিয়াতলীতে ইউনিয়ন পটুয়াখালী জেলা প্রশাসনের সরকারি জমি দখল করে অবৈধ স্থাপনা তোলা হচ্ছে। স্থানীয় প্রভাবশালী মহল চারদিন ধরে স্থাপনা তোলার কাজ করে আসছে। ইতোমধ্যে স্থাপনার প্রায় এক তৃতীয়াংশ কাজ হয়ে গেছে। অব্যাহত রয়েছে দখল কাজ। ফলে সরকারের বিপুল পরিমান জমি বেহাত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এমনকি ওই জমিতে উপজেলা পরিষদের অর্থায়নে নির্মাণ করা মাছ বাজারের জন্য নির্ধারিত স্ট্রাকচার সহ জায়গাটিও দখল করে নেয়ার পায়তারা চলছে।

baliatoli

সরেজমিনে দেখা গেছে, ছোট বালিয়াতলী মৌজার ১৪ নম্বর (সাবেক) খতিয়ানের ওই জমি বর্তমানে পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক মালিক। বর্তমান খতিয়ান নম্বর- ৩৭৫। কিন্তু ওই জমিতে চারদিন ধরে স্থাপনা তোলার কাজ চলছে। যা দেখাশোনা করছেন মাছ ব্যবসায়ী সলেমান মৃধা। ২০১৪ সালে ওই জমিতে বালিয়াতলীর এক নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি আব্দুস সালাম হাওলাদার, তিন নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ সভাপতি শাহআলম মোল্লা, মজিবর সহ পাঁচ ব্যক্তি স্ট্রাকচার করেছে। তখন নোটিশ দিয়ে স্থানীয় তহশীল অফিস কাজ বন্ধ করে দেয়। কিন্তু ওই স্থাপনাগুলো অপসারন করা হয়নি। পুনরায় চারদিন আগে থেকে আবার সলেমানের নেতৃত্বে দখল ও স্থাপনা তোলার কাজ শুরু হয়। যা এখনও অব্যাহত রয়েছে।

জানা গেছে, কমিউনিটি সেন্টার গঠনের লক্ষ্যে এক একর জমি মরহুম আব্দুল হক চৌকিদার পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসককে ১৯৬৬ সালের ১২ জুলাই দলিলের (নম্বর-১১৮৯) মাধ্যমে হস্তান্তর করেন। জমিতে নির্মিত কমিউনিটি সেন্টারটিতে দীর্ঘদিন মিঠাগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের অফিসিয়াল কর্মকান্ড পরিচালিত হয়ে আসছিল। কয়েক বছর আগে তুলাতলীতে ইউনিয়ন কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণ করা হলে পরিষদের কার্যক্রম সেখানে স্থানান্তর করা হয়। এরই মধ্যে ইউনিয়নটি বিভক্ত করে বালিয়াতলী নামে একটি নতুন ইউনিয়ন পরিষদ গঠন করা হয়। বর্তমানে এ জমির অবস্থান বালিয়াতলী ইউনিয়নের অধীন ছোট-বালিয়াতলীতে। কমিউনিটি সেন্টারটি জীর্ণদশায় পরিণত হয়েছে। এ সুযোগে প্রভাবশালী মহলটি কমিউনিটি সেন্টার সংলগ্ন সরকারি জমি দখল করে স্থাপনা তোলার কাজ শুরু করে দেয়। বর্তমানে সেখানে স্থাপনা তোলার কাজ চলছে ফ্রি-স্টাইলে। অভিযুক্ত সলেমানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও সম্ভব হয়নি।

কলাপাড়ার ইউএনও (ভারপ্রাপ্ত) দীপক কুমার রায় সময়ের কণ্ঠস্বরকে জানান, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট তহশিলদারকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক একেএম শামীমুল হক সিদ্দিকী জানান, সরকারি জমির দখলদারদের বিরুদ্ধে  প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য ইউএনওকে বলা হচ্ছে।

Loading...