সংবাদ শিরোনাম
নোবিপ্রবি’তে ‘বিশ্ব ডিএনএ দিবস’ পালিত! | গরমে ভোগান্তি চরমে, শুক্রবার আরও বাড়তে পারে তাপমাত্রা! | নোবিপ্রবিতে ২য় আন্তর্জাতিক ফিসারিজ শীর্ষক সিম্পোজিয়াম অনুষ্ঠিত | ‘একটি ছবি তোলার জন্য অনেক সময় জীবনের ঝুঁকি নিতে হয়’- তথ্যমন্ত্রী | আমতলীতে জমিজমার বিরোধকে কেন্দ্র করে এইচএসসি পরীক্ষার্থীকে মারধর | জন্মদিন ভুলে যাওয়ায় বাবা-মায়ের সঙ্গে অভিমান করে শিক্ষিকার আত্মহত্যা! | শপথ পড়লেন আমতলী উপজেলা পরিষদের নবনির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা | হবিগঞ্জ বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন | ধান ফলায় কৃষক, মুনাফা লুটে মজুতদার ও মধ্যস্বত্ত্বভোগীরা! | কক্সবাজারে বিল বকেয়া থাকার অভিযোগে কয়েকটি মসজিদে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন |
  • আজ ১২ই বৈশাখ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

কলাপাড়ায় জেলা প্রশাসনের সরকারি জমি দখল করে তোলা হচ্ছে অবৈধ স্থাপনা

৬:১৭ অপরাহ্ণ | রবিবার, জুলাই ২৪, ২০১৬ ঢাকা, দেশের খবর

জাহিদ রিপন, পটুয়াখালী প্রতিনিধি: কলাপাড়ার বালিয়াতলী ইউনিয়নের ছোট বালিয়াতলীতে ইউনিয়ন পটুয়াখালী জেলা প্রশাসনের সরকারি জমি দখল করে অবৈধ স্থাপনা তোলা হচ্ছে। স্থানীয় প্রভাবশালী মহল চারদিন ধরে স্থাপনা তোলার কাজ করে আসছে। ইতোমধ্যে স্থাপনার প্রায় এক তৃতীয়াংশ কাজ হয়ে গেছে। অব্যাহত রয়েছে দখল কাজ। ফলে সরকারের বিপুল পরিমান জমি বেহাত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এমনকি ওই জমিতে উপজেলা পরিষদের অর্থায়নে নির্মাণ করা মাছ বাজারের জন্য নির্ধারিত স্ট্রাকচার সহ জায়গাটিও দখল করে নেয়ার পায়তারা চলছে।

baliatoli

সরেজমিনে দেখা গেছে, ছোট বালিয়াতলী মৌজার ১৪ নম্বর (সাবেক) খতিয়ানের ওই জমি বর্তমানে পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক মালিক। বর্তমান খতিয়ান নম্বর- ৩৭৫। কিন্তু ওই জমিতে চারদিন ধরে স্থাপনা তোলার কাজ চলছে। যা দেখাশোনা করছেন মাছ ব্যবসায়ী সলেমান মৃধা। ২০১৪ সালে ওই জমিতে বালিয়াতলীর এক নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি আব্দুস সালাম হাওলাদার, তিন নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ সভাপতি শাহআলম মোল্লা, মজিবর সহ পাঁচ ব্যক্তি স্ট্রাকচার করেছে। তখন নোটিশ দিয়ে স্থানীয় তহশীল অফিস কাজ বন্ধ করে দেয়। কিন্তু ওই স্থাপনাগুলো অপসারন করা হয়নি। পুনরায় চারদিন আগে থেকে আবার সলেমানের নেতৃত্বে দখল ও স্থাপনা তোলার কাজ শুরু হয়। যা এখনও অব্যাহত রয়েছে।

জানা গেছে, কমিউনিটি সেন্টার গঠনের লক্ষ্যে এক একর জমি মরহুম আব্দুল হক চৌকিদার পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসককে ১৯৬৬ সালের ১২ জুলাই দলিলের (নম্বর-১১৮৯) মাধ্যমে হস্তান্তর করেন। জমিতে নির্মিত কমিউনিটি সেন্টারটিতে দীর্ঘদিন মিঠাগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের অফিসিয়াল কর্মকান্ড পরিচালিত হয়ে আসছিল। কয়েক বছর আগে তুলাতলীতে ইউনিয়ন কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণ করা হলে পরিষদের কার্যক্রম সেখানে স্থানান্তর করা হয়। এরই মধ্যে ইউনিয়নটি বিভক্ত করে বালিয়াতলী নামে একটি নতুন ইউনিয়ন পরিষদ গঠন করা হয়। বর্তমানে এ জমির অবস্থান বালিয়াতলী ইউনিয়নের অধীন ছোট-বালিয়াতলীতে। কমিউনিটি সেন্টারটি জীর্ণদশায় পরিণত হয়েছে। এ সুযোগে প্রভাবশালী মহলটি কমিউনিটি সেন্টার সংলগ্ন সরকারি জমি দখল করে স্থাপনা তোলার কাজ শুরু করে দেয়। বর্তমানে সেখানে স্থাপনা তোলার কাজ চলছে ফ্রি-স্টাইলে। অভিযুক্ত সলেমানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও সম্ভব হয়নি।

কলাপাড়ার ইউএনও (ভারপ্রাপ্ত) দীপক কুমার রায় সময়ের কণ্ঠস্বরকে জানান, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট তহশিলদারকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক একেএম শামীমুল হক সিদ্দিকী জানান, সরকারি জমির দখলদারদের বিরুদ্ধে  প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য ইউএনওকে বলা হচ্ছে।