ঝিনাইদহে পুলিশ পরিচয়ে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগে পরিবারের সংবাদ সম্মেলন

৫:০৯ অপরাহ্ণ | মঙ্গলবার, আগস্ট ৯, ২০১৬ খুলনা, দেশের খবর

আরাফাতুজ্জামান, ঝিনাইদহ প্রতিনিধি: ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু ও শৈলকুপা থেকে পুলিশ পরিচয়ে তুলে নিয়ে যাওয়া শিক্ষক ও ব্যবসায়ীর সন্ধানের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন করেছে পরিবারের লোকজন। মঙ্গলবার দুপুরে ঝিনাইদহ প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এ বিষয়ে পৃথক এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। প্রথমে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ঝিনাইদহ সদর উপজেলার কেশবপুর গ্রামের নিখোজ আনিচুর রহমানের বড় ভাই আব্দুল মান্নান।

OLYMPUS DIGITAL CAMERA

তিনি তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, আমার ছোট ভাই আনিচুর রহমান পেশায় একজন সাধারন ধান ব্যবসায়ি ও বিএনপির কর্মী। গত ৩০শে জুলাই নিজ বাড়ি থেকে রাত ১২টার দিকে ৩ জন সাদা পোষাকধারী প্রশাসনের লোক পরিচয় দিয়ে একটি সাদা মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যায়। এরপর থেকে সে নিখোঁজ রয়েছে। এ ব্যাপারে থানায় যোগাযোগ করা হলে তারা এ নামের কাউকে আটক বা গ্রেফতার করেনি বলে জানান। তারা তাদের জিডি গ্রহণ করেননি বলে অভিযোগ করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, ব্যবসায়ী আনিচুর রহমানের চাচা দিদার হোসেন, মেয়ে আশা খাতুন, ছেলে রাব্বি, বোন জরিনা ও স্ত্রী রোজিনা বেগম।
অপরদিকে, দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে প্রেসক্লাবটিতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামের নিখোঁজ ইদ্রিস আলীর স্ত্রী মোছা বেগম ইদ্রিস।

তিনি বলেন, আমার স্বামী ইদ্রিস আলী হরিণাকুন্ডুর রঘুনাথপুর হোসেন আলী আলিম মাদ্রাসার শিক্ষক এবং মুসলীম বিবাহ ও তালাক রেজিষ্টার ও পাশ্ববর্তি শৈলকুপা উপজেলার মহিষাগাড়ি জামে মসজিদের ঈমামতি করতেন।

গত ৪ আগষ্ট রাত ৮টার দিকে পাশ্ববর্তি উপজেলা শৈলকুপার রামচন্দ্রপুর বাজার থেকে মোটরসাইকেল যোগে রাত ৮টার দিকে রামচন্দ্রপুর পুলিশ ফাঁড়ির সামনে পৌছালে ৩/৪ জনের সাদা পোষাকের পিস্তল ও ওয়ারলেসধারী লোক তাকে তুলে নিয়ে যায়।

এ ব্যাপারে শৈলকুপা থানায় অভিযোগ দায়ের করতে গেলে পুলিশ তা গ্রহণ করেননি বলে অভিযোগ নিখোঁজ ইদ্রিস আলীর স্ত্রী। সে সময় উপস্থিত ছিলেন নিখোঁজ শিক্ষক পান্না হুজুরের পিতা গোলাম কাওছার, ভাই আব্দুল হান্নান, আব্দুল মান্নান, শ্যালক মহিউদ্দিন, মেয়ে মাহফুজা খাতুন, আদুরী, শেফালী খাতুন ও চাচী সবুরা খাতুন।

Loading...