সংবাদ শিরোনাম
গাজীপুরে দীর্ঘ সময় মর্গে লাশ ফেলে রাখার অভিযোগে হামলা এবং ভাংচুর, আটক-৩ | দুর্দান্ত খেলেও ভারতকে হারাতে পারলো না বাংলাদেশ | বুয়েটে বঙ্গবন্ধুর ছবি সম্বলিত ব্যানার থেকে মুছে ফেলা হলো ছাত্রলীগের নাম | ভারতের বিপক্ষে ১-০ গোলে এগিয়ে বাংলাদেশ | ‘বুয়েট ছাত্র আবরার হত্যাকারীদের মৃত্যুদণ্ড হওয়া উচিত’- কাদের | বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির সাবেক ৭ এমডিসহ ২৩ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা | সাভার থেকে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন হরকাতুল জিহাদের এক সদস্য আটক | পাবনায় ছেলের পাথরের আঘাতে বাবার মৃত্যু | বশেমুরবিপ্রবি’র প্রভোষ্ট ও বিভিন্ন অনুষদের চেয়ারম্যানসহ ৭ জনের পদত্যাগ | অবৈধ স্থাপনা সরাতে সাবেক সাংসদ উপজেলা চেয়ারম্যানসহ ৪ জনকে নোটিশ |
  • আজ ১লা কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

জেলে বসেই তিন বছরে ৫শ’ প্রেমপত্র পেলেন সুন্দরী অপরাধী !

১২:১২ পূর্বাহ্ণ | সোমবার, আগস্ট ২২, ২০১৬ আন্তর্জাতিক

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক –   কথায় আছে, বিদ্বান আর সুন্দরের জয়গান সর্বত্র। কিন্তু তাই বলে জেলে অন্ধকার কুটুরিতে থেকেও এভাবে প্রেমের প্রস্তাব আসবে চিন্তাও করেননি মিচেয়েলা ম্যাককোলাম।

২৩ বছরের মিচেয়েলা কোকেন স্মাগল করার অভিযোগে পেরুর লিমায় আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গ্রেফতার হন। ব্রিটেনের মডেল মিচেয়েলার জীবনটা ছিল উচ্ছৃঙ্খলায় ভরা। মিচেয়েলা তার ভ্যানিটে ব্যাগে ভরে দেড় লাখ মার্কিন ডলারের নিষিদ্ধ ড্রাগস নিয়ে যাচ্ছিলেন স্পেনে।

sudori

পেরুর বিমানবন্দরে গিয়ে ধরা খেলেন তিনি। সেখানে থেকেই বদলে গেল ওর জীবন। পেরু পুলিস ওকে গ্রেফতার করে জেলে পাঠিয়ে দিল।

সে ভয়ানক জেল। মিচেয়েলার জীবনযাত্রার সঙ্গে কোনো মিল নেই। জেলটায় বাথরুম নেই, ড্রেনের জলই খেতে হয়। খাবার খুব কম। মিচেয়েল ধরেই নিয়েছিল সে মরে যাবে। কিন্তু মিচেয়েলের সৌন্দর্য আর বুদ্ধিমত্তা তাকে জীবনে ফেরাল।

জেলার তাকে খুব পছন্দ করত। মিচেয়েলের জন্য সে খাবার এনে দিত। ফেসবুক ব্যবহার করতে দিত। পড়ালেখারও সুযোগ দিত।

মিচেয়েলের সঙ্গে কোনো ড্রাগস পাচারকারী সংস্থার যোগাযোগ নেই বুঝতে পেরে তার কাছে সরাসরি চিঠি পৌঁছে যেত।

মিচেয়েলকে তার দেশ থেকে বাবা-মা বন্ধু-আত্মীয়রা চিঠি তো লিখতেনই, সঙ্গে আসত থাকল প্রেমপত্র। তিন বছর জেলে ছিল মিচেয়েল, অন্তত ৫০০ খানা প্রেমপত্র এসেছে তার নামে।

প্রেমপত্রের সঙ্গে অনেকে উপহারও পাঠিয়েছে। তার সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে জেলের নিরাপত্তা কর্মীরা তো বটেই জেলের মনোবিদও বিয়ের প্রস্তাব দেয় মিচেয়েলকে।

সেসব প্রস্তাব ফিরিয়ে দেয়ায় তাকে হুমকি শুনতে হয়েছে। এমনও বলা হয়েছে, বিয়ে করলে তবেই জেল থেকে মুক্তি মিলবে। না হলে জেলেই পচে মরবে।

মিচেয়েলের জাদুতে জেলে এল নতুন জীবন। মিচেয়েল তার সহবন্দীদের নিয়ে সেলুন খুলল। বিনিময়ে সে মোবাইল ব্যবহার করার সুবিধা পেল।

পরে অবশ্য মুক্তি পেয়ে ঘরে ফেরেন মিচেয়েল।