গত বছরের তুলনায় মূল্য পাচ্ছে না পাট চাষীরা

১০:১১ অপরাহ্ণ | রবিবার, সেপ্টেম্বর ৪, ২০১৬ দেশের খবর, ময়মনসিংহ

এএস শামছুজ্জামান বাবুল, নান্দাইল প্রতিনিধি: সোনালী আঁশ নামে খ্যাত পাট, এক সময় বাংলাদেশের প্রথম সারির অর্থকরি ফসল হিসেবে ছিল পাট। মাঝে দীর্ঘ দিন খুব একটা চোখে পরেনি এ ফসলের আবাদ। বর্তমান সরকার চাল, ডাল, চিনি, সিমেন্ট, সার, ফসলের বীজসহ বিভিন্ন পণ্য সামগ্রী বাজারজাত করণের জন্য পাটের তৈরী ব্যাগ ব্যবহারের ওপর বাদ্যকতা আরোপ করায় পাট চাষের ওপর গুরুত্ব দেয় কৃষকরা। গত বছর পাটের ফলন ও বাজার দর পাওয়ায় এবছর আরো বেশি জমিতে আবাদ করেছে পাট চাষীরা।nn pat

কৃষি অফিসের তথ্য অনুযায়ী ময়মনসিংহ নান্দাইলে এবছর দেশী-১০৭০, তুষা-১৮০, মেস্তা-৬০ ও কেনাফ-৬৫০ মোট-১৯৬০ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ করেছে। কয়েকজন পাট চাষীর সাথে কথা বলে জানাযায়, গত বছরের তুলনায় এবছর পাটের মূল্য পাওয়া যাচ্ছে না। গত বছরের শুরুতে দর কম ছিল পরে বাজার উঠে ১৯শত থেকে ২১শত টাকা। এবছর শুরুতে বাজার দর-১৭/১৮ শত থাকলেও বর্তমান বাজার ১৪শত থেকে ১৫শত টাকা। খরচের তুলনায় তেমন মুনাফা পাওয়া যাচ্ছে না দাবি পাট চাষীদের। প্রতি এক কাঠায় (১০শতাংশ) জমিতে মেশিনে হালচাষ করতে-২৩০ টাকা, নিরানী, পরিচর্যা, আগাছা দমনে-৭শত টাকা, সার,কীটনাশক-২৮০ টাকা, পাটকাটা ধুয়াসহ-৮শত টাকা মোট খরচ- ২ হাজার টাকা। সব জমিই এক রকম ফসলের উপযোগী নয়, প্রতি টাঠায় এক থেকে আড়াই মণ পাট পাওয়া যায়। যারা বাত অনুযায়ী ফসল পেয়েছেন তারা ভেজায় খুশি, আর অনেকেই বলেন জমি করা হয়েছে বেশী পাটের আয় কম। বাজার কম থাকায় যারা অল্প জমির কৃষকরা পাটের আবাদ ধরে রাখা কঠিন।

পাটের দরের বিষয়ে নান্দাইল বাজারের পাট ব্যবসায়ী গকুল সাহা বলেন, এবছর বাজার নিয়ন্ত্রন করছে সরকার। প্রাইভেট কোন কোম্পানী পাট কিনছে না তাই বাজার কম। পাট ব্যবসায়ী জিয়াউর রহমান বলেন, গত বছর বিভিন্ন কোম্পানী পাট কিনায় ২ হাজার টাকা পর্যন্ত বাজার ছিল, এবছর প্রথম দিকে বারতি ছিল কিন্তু এখন কমের দিকে। এবছর চাহিদার চেয়ে বেশি জমিতে পাট উৎপাদন হয়েছে তাই বাজার দর কম। ছোট খাট পাট ব্যবসায়ীরা বাজার নিয়ে দিধা দন্ধে, বাজার স্থির না থাকায় পাট কিনে কিছু লাভ নিয়ে বিক্রি করে দেয়।

Loading...