পবিত্র আল-আকসা মসজিদ মুসলমানদের মালিকানাধীন – ইউনেসকো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক  –  ইউনেসকো বলছে, ইসরায়েলকে মাসজিদুল আকসার নিয়ন্ত্রণ ছেড়ে দিতে হবে।  ২০০০ সাল থেকে এই ঐতিহাসিক মসজিদ নিয়ন্ত্রণ করছে ইসরায়েল। এর আগে মুসলমানদের প্রথম কিবলার এই স্থাপনা পরিচালিত হত জর্ডানের ওয়াকফ বোর্ডের তত্ত্বাবধানে। ইউনেসকোর প্রস্তাবে সেখানে ফের জর্ডানের নিয়ন্ত্রণ ফিরিয়ে আনার কথা বলা হয়েছে।

পবিত্র আল-আকসা মসজিদকে মুসলমানদের মালিকানাধীন স্থাপনার স্বীকৃতি দিয়ে জেরুজালেম বিষয়ক প্রস্তাব গ্রহণ করেছে ইউনেসকো। প্রস্তাবটি নিয়ে ইসরায়েলের ব্যাপক সমালোচনার মুখেই বুধবার এটি চূড়ান্তভাবে গৃহীত হয়। প্যারিসে এ সংক্রান্ত

al-aksaভোটাভুটিতে প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেয় ১০টি দেশ। ভোটদানে বিরত থাকে আটটি দেশ এবং প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দেয় দুটি দেশ। এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান।

সংস্থাটি বলছে, আল আকসা মসজিদে উগ্র ইসরায়েলিদের হামলার দায়-দায়িত্ব ইসরায়েলি সেনা ও নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর বর্তায়। মুসলমানদের ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী ফিলিস্তিনিদের গ্রেফতার ও তাদের আহত করার ঘটনা নিন্দনীয়।

বায়তুল মুকাদ্দাসের আশপাশে ইসরায়েলের ১৮টি পুনর্নির্মাণ প্রকল্পের কাজ যথাশিঘ্র সম্ভব বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে ইউনেসকো।

ইউনেসকোর মহাসচিব ইরিনা বোকোভা বলেছেন, জেরুজালেম তথা বায়তুল মুকাদ্দাস তিন একত্ববাদী ধর্ম তথা ইহুদি, খ্রিস্ট ও ইসলাম ধর্মের কাছে পবিত্র শহর। আর এখানকার অসাধারণ সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় বৈচিত্র্যকে মর্যাদা দিতেই ইউনেসকো এই শহরটিকে বিশ্ব-ঐতিহ্যের তালিকায় যুক্ত করেছে। বায়তুল মুকাদ্দাসের ঐতিহ্যকে বিচ্ছিন্ন বা ভাগ করা সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, ইউনেসকোর দায়িত্ব হচ্ছে সহিষ্ণুতা ও ইতিহাসের প্রতি শ্রদ্ধার প্রসার ঘটানো। আর এই দায়িত্ববোধ আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে, আমরা অভিন্ন মানবজাতির অংশ এবং বৈচিত্র্যময় এ পৃথিবীতে এগিয়ে যাওয়ার একমাত্র পথ হচ্ছে সহিষ্ণুতা।

Sharing is.

Share on facebook
Share with others
Share on google
Share On Google+
Share on twitter
Share On Twitter
  • You May Also Like:
  • Top Views