সংবাদ শিরোনাম

ধর্মপ্রাণ প্রধানমন্ত্রী যখন ক্ষমতায়, এ দেশে ইসলামবিরোধী কোনো কার্যক্রম হবে না: কাদের | কুড়িগ্রামে নারিকেল দেয়ার কথা বলে শিশু ধর্ষণ, ধর্ষক গ্রেপ্তার | রাস পূজায় অংশ নিতে দুবলার পথে তীর্থযাত্রী ও হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা | গোপালগঞ্জে যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে নিহত ৪, আহত ১৯ | বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ঠেকানোর কোনও শক্তি নেই, প্রতিষ্ঠিত হবেই: হানিফ | একদিনে আরও ৩৬ জনের মৃত্যু | বাংলাদেশে করোনায় মৃত্যু বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ | আগামীকাল বঙ্গবন্ধু রেলসেতুর ভিত্তি স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী | জিনের আছর ভর করেছিল, ১৭ দিনের শিশু হত্যার দায় স্বীকার করলেন মা | রংপুরে অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগে পুলিশ সদস্য আটক |

  • আজ ১৩ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

পবিত্র আল-আকসা মসজিদ মুসলমানদের মালিকানাধীন - ইউনেসকো

১:৩৯ পূর্বাহ্ন | বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৭, ২০১৬ আন্তর্জাতিক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক  -  ইউনেসকো বলছে, ইসরায়েলকে মাসজিদুল আকসার নিয়ন্ত্রণ ছেড়ে দিতে হবে।  ২০০০ সাল থেকে এই ঐতিহাসিক মসজিদ নিয়ন্ত্রণ করছে ইসরায়েল। এর আগে মুসলমানদের প্রথম কিবলার এই স্থাপনা পরিচালিত হত জর্ডানের ওয়াকফ বোর্ডের তত্ত্বাবধানে। ইউনেসকোর প্রস্তাবে সেখানে ফের জর্ডানের নিয়ন্ত্রণ ফিরিয়ে আনার কথা বলা হয়েছে।

পবিত্র আল-আকসা মসজিদকে মুসলমানদের মালিকানাধীন স্থাপনার স্বীকৃতি দিয়ে জেরুজালেম বিষয়ক প্রস্তাব গ্রহণ করেছে ইউনেসকো। প্রস্তাবটি নিয়ে ইসরায়েলের ব্যাপক সমালোচনার মুখেই বুধবার এটি চূড়ান্তভাবে গৃহীত হয়। প্যারিসে এ সংক্রান্ত

al-aksaভোটাভুটিতে প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেয় ১০টি দেশ। ভোটদানে বিরত থাকে আটটি দেশ এবং প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দেয় দুটি দেশ। এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান।

সংস্থাটি বলছে, আল আকসা মসজিদে উগ্র ইসরায়েলিদের হামলার দায়-দায়িত্ব ইসরায়েলি সেনা ও নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর বর্তায়। মুসলমানদের ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী ফিলিস্তিনিদের গ্রেফতার ও তাদের আহত করার ঘটনা নিন্দনীয়।

বায়তুল মুকাদ্দাসের আশপাশে ইসরায়েলের ১৮টি পুনর্নির্মাণ প্রকল্পের কাজ যথাশিঘ্র সম্ভব বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে ইউনেসকো।

ইউনেসকোর মহাসচিব ইরিনা বোকোভা বলেছেন, জেরুজালেম তথা বায়তুল মুকাদ্দাস তিন একত্ববাদী ধর্ম তথা ইহুদি, খ্রিস্ট ও ইসলাম ধর্মের কাছে পবিত্র শহর। আর এখানকার অসাধারণ সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় বৈচিত্র্যকে মর্যাদা দিতেই ইউনেসকো এই শহরটিকে বিশ্ব-ঐতিহ্যের তালিকায় যুক্ত করেছে। বায়তুল মুকাদ্দাসের ঐতিহ্যকে বিচ্ছিন্ন বা ভাগ করা সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, ইউনেসকোর দায়িত্ব হচ্ছে সহিষ্ণুতা ও ইতিহাসের প্রতি শ্রদ্ধার প্রসার ঘটানো। আর এই দায়িত্ববোধ আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে, আমরা অভিন্ন মানবজাতির অংশ এবং বৈচিত্র্যময় এ পৃথিবীতে এগিয়ে যাওয়ার একমাত্র পথ হচ্ছে সহিষ্ণুতা।