কালিয়াকৈরে কারখানা রক্ষার্থে সংবাদ সম্মেলন

আলমগীর হোসেন, কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি : গাজীপুরের কালিয়াকৈরে কারখানা রক্ষার্থে টাওয়েল টেক্স লিমিটেড নামের একটি কারখানা সংবাদ সম্মেলন করেছে।
বুধবার দুপুরে গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রাস্থ টাওয়েল টেক্স লিমিটেড নামের ওই কারখানার হলরুমে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে এসময় লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন টাওয়েল টেক্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম শাহাদাৎ হোসেন।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, টাওয়েল টেক্স কারখানাটি ১০০% রপ্তানীমূখী টেরী টাওয়েল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান। কারখানাটির বার্ষিক রপ্তানীর পরিমান ৪ মিলিয়ন ডলার। কারখানাটিতে বর্তমানে প্রায় ১৫০০ জন শ্রমিক কর্মরত রয়েছে।

বাংলাদেশ সরকারের সড়ক ও জনপথ বিভাগের লোকজন ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের সম্প্রসারণের জন্য কারখানার চার তলা ( প্রতি ফ্লোর ৩৫০০ স্কয়ার ফিট) একটি ভবন, গোডাউন, ডক্টরস রুম, মেকানিক্যাল রুম, ওয়ার্কসপ, রান্নাঘর খাওয়ার ক্যান্টিনসহ ২৮ শতাংশ জমি দাবি করে। কিন্তু দুঃখের বিষয় একটি সম্পূর্ণ পাকা বিল্ডিং এর প্রতি স্কয়ার ফিট মাত্র ৮০০ টাকা করে পরিশোধ করে। এছাড়া প্রায় তিন শতাধিক গাছ ও জমির কোন ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয় নাই। এমনকি শ্রমিকদের পাওনাদি দেই দিচ্ছি বলে এখন পর্যন্ত কোন পাওনা পরিশোধ করে নাই।

conferrence

তিনি সাংবাদিকদের আরো বলেন, গতকাল মঙ্গলবার সড়ক ও জনপথ বিভাগের মো. হাফিজ (পিডি) ও মো. রোকনুজ্জামান (ডিপিএম) এর নেতৃত্বে প্রায় ১৪/১৫ জন কোন প্রকার নোটিশ ছাড়াই কারখানার নিরাপত্তা দেয়াল ও ভেতরে বুলডোজার লাগানোর চেষ্টা চালায়। একপর্যায়ে কারখানার নিরাপত্তা ওয়াল ভেঙ্গে ফেলে।

সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ সরকারের সংশ্লীষ্ট সকলের কাছে অনুরোধ করে বলেন, টাওয়েল টেক্স লি: কে যেভাবেই হোক রক্ষা করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।

সংবাদ সম্মেলণে এসময় উপস্থিত ছিলেন, টাওয়েল টেক্স লি: এর জেনারেল ম্যানেজার মো. আনোয়ার হোসেন, এ্যাডমিন ম্যানেজার কাজী নূরুজ্জামান তুহিন, সহকারি পরিচালক মো. জাহিদ উল্লাহসহ গাজীপুর ও কালিয়াকৈরে কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।
উল্লেখ্য, গতকাল মঙ্গলবার সকাল ১০ টার দিকে সড়ক ও জনপথের লোকজন বিনা নোটিশে উপজেলার চন্দ্রাস্থিত টাওয়েল টেক্স কারখানার মূল ফটক বোলডোজার দিয়ে ভাংচুর করে। পরে কারখানার ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করে। বিষয়টি দেখতে পেয়ে কারখানার শ্রমিকরা এগিয়ে আসলে সড়ক ও জনপথের লোজন চলে যায়।

Leave a Reply