পেকুয়ায় উচ্চ বিদ্যালয়ের শ্রেণীকক্ষ গুড়িয়ে দিল প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক!

৭:৪৬ অপরাহ্ণ | শনিবার, জানুয়ারি ১৪, ২০১৭ চট্টগ্রাম, দেশের খবর

h


এফ এম সুমন ,পেকুয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি :
কক্সবাজার জেলার পেকুয়া পশ্চিম উজানটিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ২টি শ্রেণী কক্ষ গুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে পশ্চিম উজানটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জামাল উদ্দিনের নেতৃত্বে অপর দুই শিক্ষক এর বিরুদ্ধে। এরই জের ধরে শিক্ষর্থীরা খোলা আকাশের নিচে পাঠদান করতেছে। দু’পক্ষের লোকজনের মধ্যে দেখা দিয়েছে চরম বিরোধ। সংঘর্ষের মত ঘটনা ঘটতে পারে বলে অভিভাবকরাও জানিয়েছেন।
শনিবার (১৪জানুয়ারী) সকাল ১০টার দিকে উজানটিয়া ইউনিয়নের করিমদাদ মিয়া ঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এঘটনার জের ধরে দুপক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনা দেখা দেয়। পরে উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ প্রদর্শন করে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবী জানান।
পশ্চিম উজানটিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জাকের উল্লাহ চৌধুরী বলেন, আমাদের বিদ্যালয়ে ইতোমধ্যে ৯ম শ্রেণীর কার্যক্রম শুরু হয়েছে। কিন্তু ভবন সংকট থাকার কারণে আমরা চলতি মাসের শুরু থেকে প¦ার্শবর্তী পশ্চিম উজানটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নিচতলার অব্যবহৃত উন্মুক্ত স্থানে শিক্ষার্থীদের পাঠদান শুরু করি।
পশ্চিম উজানটিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক ও দাতা সদস্য মাইনুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, এদিকে প্রাথমিক বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ গত ১২জানুয়ারী আমাদের ওইস্থানে পাঠদান না করতে বারণ করে। এরপর আমরা পাঠদান বন্ধ রাখলেও শনিবার সকালে পশ্চিম উজানটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শামসুল আলম আজমীর নির্দেশে সহকারী শিক্ষক জামাল উদ্দিন ও অপর শিক্ষক আনছার ওই স্থানে আমাদের রাখা আসবাবপত্র ভাংচুর করে। এতে শিক্ষার্থীরা বাঁধা দেওয়ার চেষ্টা করলে তাদের অশ্রাব্য ভাষায় গালমন্দ করলে শিক্ষার্থীরা ক্ষিপ্ত হয়ে প্রাথমিক শিক্ষক জামালকে ধাওয়া দেয়।
শ্রেণীকক্ষের মালামাল ভবন থেকে বের করে দেওয়ার কথা স্বীকার করে পশ্চিম উজানটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক জামাল উদ্দিন বলেন, এটা আমাদের বিদ্যালয়ের সরকারী ভবন। এখানে ক্লাস নিলে অবশ্যই বের করে দিব। তারা কিছুতেই জোর পূর্বক ভবন দখল করতে পারেনা। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে না জানিয়ে তিনি কেন বিরোধে জড়ালেন প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, আমাদের স্কুল তাই আমরা করেছি। পরে তাদের জানাবো।
এব্যাপারে পেকুয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হাসান মুরাদ বলেন, বিষয়টি আমি ও আমার উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ অবগত হয়েছি। আমরা খুব দ্রুতই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছি

Loading...