আইপিএলের নিলামে শেষ পর্যন্ত অবিক্রিতই থেকে গেলেন বাংলাদেশি ছয় ক্রিকেটার

স্পোর্টস আপডেট ডেস্ক– ক্রিকেট খেলুড়ে প্রায় সব দেশেই এখন ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠীত হয়ে থাকে। তবে আইপিএলই এর মধ্যে সবচেয়ে জমজমাট।

ভারতের ঘরোয়া এই টুর্নামেন্টে যেন তারার মেলা বসে। সেই মেলায় কয়েক মৌসুম ধরেই নিয়মিত বাংলাদেশের সেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। গত মৌসুমে আইপিএল মাতিয়েছেন তরুণ পেসার মুস্তাফিজুর রহমান।

এবারের আইপিএলে সাকিব যথারীতি তাদের আগের দল কলকাতা নাইট রাইডার্সেই খেলবেন। মুস্তাফিজকেও রেখে দিয়েছে তার গত মৌসুমের দল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ।

Untitled-1-3-697x376এ ছাড়া এবারের আসরে বাংলাদেশের ছয়ক্রিকেটার নিলামে ছিলেন। তবে কারো প্রতিই আগ্রহ দেখায়নি কোন দল। তাই নিলামে থাকা তামিম ইকবাল, সাব্বির রহমান, তাসকিন আহমেদ, মেহেদি হাসান মিরাজ, মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ এবং এনামুল হক বিজয় অবিক্রিতই থাকলেন।

ব্যাঙ্গালুরুতে ২০ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয় আইপিএল নিলাম। সকাল থেকে শুরু হওয়া এই নিলামে দু’জন আফগানিস্থান ক্রিকেটার জায়াগা করে নেন। তবে মোহাম্মদ নবী ও রশিদ খান জায়গা পেলেও বাংলাদেশিদের কোনো সুযোগ হয়নি।

নিলামের প্রাথমিক তালিকায় মোট ৭৯৯ জন ক্রিকেটার ছিলেন। সেখান থেকে মূল তালিকা ছেঁটে ৩৫১ জন করা হয়েছে। আর এতে রয়েছে ১২২ জন জাতীয় দলের হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলা প্লেয়ার। মূল নিলামে মোট সাত জন ক্রিকেটার সর্বোচ্চ দরে ছিলেন।

সাড়ে ১৪ কোটি রুপিতে রাইজিং পুনে সুপারজায়ান্টসে পাড়ি দিয়েছেন বেন স্টোকস।

এ বছরের আইপিএলের পরই আবার ফ্র্যাঞ্চাইজিদের সঙ্গে ক্রিকেটারদের চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে। সেক্ষেত্রে ২০১৮তে মেগা নিলাম হওয়ার কথা। তাই বেশির ভাগ ফ্র্যাঞ্চাইজিই এবার নিলামে বড় ভূমিকা নিয়ে নামেনি।

টাইগার প্রত্যেক ক্রিকেটারের ভিত্তি মূল্য ছিল ৩০ লাখ ভারতীয় রুপি। এদের মধ্যে প্রথম বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে নিলামে তোলা হয় এনামুল হক বিজয়কে। তবে ভারতের কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজি তার ব্যাপারে আগ্রহ না দেখালে অবিক্রীতই থাকেন এই ওপেনার। পরে বাকিদের নিলামে তোলা হলেও তাদের প্রতি আগ্রহ দেখায়নি কেউ।

ক্রিকেটারদের ধরে রাখার নিয়ম আইপিএলে চালু থাকবে কি না সেটা এখনও চূড়ান্ত নয়। ফ্র্যাঞ্চাইজিরা তাই আশায় রয়েছে নিলামে ‘রাইট-টু-ম্যাচ’ বিকল্প থাকার। যে নিয়মে নির্দিষ্ট সংখ্যার ক্রিকেটারদের নিলামে ছাড়ার পাশাপাশি ফ্র্যাঞ্চাইজিদের কাছে আবার সেই ক্রিকেটারদের কিনে নেওয়ার সুযোগ থাকে। তবে তার জন্য সেই ক্রিকেটারদের সর্বোচ্চ দর মেটানোর শর্ত পূরণ করতে হয় ফ্র্যাঞ্চাইজিকে।