সঞ্জয়ের বায়োপিক ‘দত্ত’-এর অজানা কয়েকটি তথ্য

বিনোদন ফিচার ডেস্ক ~ ২০১৬-য় মুক্তি পেয়েছে বেশ কয়েকটি বায়োপিক। সব ক’টিই ভালই ব্যবসা করেছে। লক্ষ্মীও এনেছে ভরপুর। এ বছরও মুক্তির অপেক্ষায় আরও কয়েকটি। সঞ্জয় লীলা ভংসালীর ‘পদ্মাবতী’ থেকে ‘আবদুল কালাম’— সব নিয়েই দর্শকদের উন্মাদনা রয়েছে। এর মধ্যেই নজরে রয়েছে ‘দত্ত’।

রাজকুমার হিরানীর ওই ছবিতে সঞ্জয় দত্তের জীবনকাহিনি ফুটে উঠবে। সিলভার স্ক্রিনে জীবন্ত হয়ে উঠবে তাঁর ব্যক্তিগত জীবন। ‘খলনায়ক’ সঞ্জুবাবার ভূমিকায় তাক লাগাতে নিজের ওজনও বাড়িয়ে ফেলেছেন রণবীর কপূর। সঞ্জয়ের বাবা সুনীল দত্তের চরিত্রে দেখা যাবে পরেশ রাওয়ালকে এবং মা নার্গিসের ভূমিকায় অভিনয় করবেন মনীষা কৈরালা। অভিনয়ে রয়েছেন দিয়া মির্জাও।

এ সব তথ্য ইতিমধ্যে জানা। আর যা জানা নয়? ‘দত্ত’ ছবির অজানা কিছু তথ্য নিয়েই এই গ্যালারি।

sonjoy dotter unknown tothoy

সঞ্জয়ের তিন-তিন বার বিয়ে: শিরোনামে ছিলেন তিনি, তিন তিনটি বিয়ে করে! সহ-অভিনেত্রীদের সঙ্গে একের পর এক সম্পর্ক।টিনা মুনিম থেকে মাধুরী দিক্ষিত, বিত‌র্ক কম হয়নি সঞ্জয়কে নিয়ে। ১৯৮৭ সালে তাঁর প্রথম বিয়ে হয় রিচা শর্মার সঙ্গে।মেয়েও হয়, ত্রিশলা দত্ত।

রিচা ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে মারা যান ১৯৯৬তে। তার পরে ১৯৯৮তে দ্বিতীয় বিয়ে করেন রিয়া পিল্লাইকে।সাত বছর একসঙ্গে থাকার পর বিচ্ছেদ ঘটে সম্পর্কের।

২০০৮-এ সঞ্জয় বিয়ে করেন মান্যতাকে। মান্যতা এখন যমজ সন্তানের মা।শাহরণ ও ইকারা। সঞ্জয়ের এ হেন বৈবাহিক জীবনের বিতর্কিত অধ্যায়ের অনেক অংশই থাকবে সিনেমাতে।

তাঁর অপরাধ জীবন ও বিচারপর্ব: ১৯৯৩। মুম্বই বিস্ফোরণের সময় অবৈধ অস্ত্র রাখার অভিযোগ ওঠে অভিনেতা সঞ্জয় দত্তের বিরুদ্ধে।হাজতবাস করতে হয় এক বছরেরও উপর। সে সময়েই মুক্তি পায় সঞ্জয়ের আর একটি সিনেমা ‘খলনায়ক’ যা বাড়িয়ে দেয় দর্শকের উন্মাদনা,তবে অন্য দিকে আটকে যায় সে সময়ের তাঁর অভিনীত বহু সিনেমা।

পরের দিকে তিনি জামিনে ছাড়া পান। তবে মামলা চলতে থাকে।চলতে থাকে কোর্টে হাজিরাও। সিনেমা নিয়েও ব্যস্ত হতে হয় সঞ্জয়কে। বক্স অফিস হিটও হয় সেই সিনেমাগুলো।সে সময়ের টানাপড়েন, ব্যর্থতা নিয়ে সঞ্জয়ের জীবন ফুটে উঠবে ‘দত্ত’তে।

হাজতবাস এবং মুক্তি: বাবা সুনীল দত্ত মারা যান ২০০৫-এ। আবার অসহায় বোধ করেন সঞ্জয়। ২০১৩তে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ প্রমাণিত হয়। আবার হাজতবাস হয় সঞ্জয়ের। ঠাঁই হয় পুণের একটি জেলে। তবে তত দিনে সব ক’টি সিনেমাই শেষ করে ফেলেছিলেন সঞ্জয়। ২০১৬-র ফেব্রুয়ারিতে তাঁর জেলের মেয়াদ শেষ হয়। ২৩ বছরের ধকল কাটিয়ে মুক্তি পান সঞ্জুবাবা। তাঁর দেখা জেল কুঠুরি, তিক্ত অভিজ্ঞতাগুলোও যেমন রয়েছে তেমনই সেই অন্ধকার জীবনথেকে বেরিয়ে তাঁর দেখা খোলা আকাশের গল্পও রয়েছে এই ছবিতে।